home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

শিশুর মুখে প্রথম ভাত
১৩ সেপ্টেম্বর, ১৩
  Viewed#:   222

শিশুর প্রথম শক্ত খাবার খাওয়ার দিনটিকে মুখে ভাত উৎসব হিসেবে পালন করা হয়। সত্যি বলতে কি একটি শিশুর

জীবনে এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। ছয়মাস বয়স পর্যন্ত মায়ের দুধ শিশুর পূর্ণাঙ্গ পুষ্টি চাহিদা পূরণ করতে

সক্ষম, কিন্তুছয়মাস বয়সের পর থেকে মায়ের দুধের পাশাপাশি তাকে সম্পূরক খাদ্য দিতে হবে। প্রথম খাবার কী

দেওয়া যায়, কীভাবে দেওয়া যায়ইত্যাদি নিয়ে অভিভাবকদের থাকে দুশ্চিন্তা, আছে অনেক ভুল ধারণাও।

দিতে পারেন সব কিছুই

আপনি বাড়িতে যা খান তার প্রায়সব উপাদানই ধীরে ধীরে শিশুকে দিতে পারেন। তবে একেকটি নতুন খাবার দেওয়ার পর

অন্তত এক সপ্তাহ অপেক্ষা করুন। এরপর আরেকটি খাবার দিন। চাল-ডালের নরম খিচুড়ি দিয়ে শুরুকরে তাতে একে

একে সবজি, মাছ, মুরগি ইত্যাদি চটকে মিশিয়ে দেওয়া যায়। আলু, মিষ্টি আলু, সুজি, পায়েস, হালুয়া, সেমাই, পুডিং, ফল ও

ফলের রস, ডাল-ভাত সবই একে একে শুরুকরুন। রান্নায়পর্যাপ্ত তেল দেবেন, নয়তো ভিটামিন দ্রবীভূত হবে না।

শাকসবজি ঢেকে রান্না করলে ভিটামিন নষ্ট হয়না। বাসি খাবার দেবেন না, শিশুর খাবার ঢেকে রাখবেন। পরিচ্ছন্নতা

বজায়রাখবেন। খাবার পানি অন্তত ৩০ মিনিট ফুটাতে হবে। তৈজসপত্রও ফুটানো পানি দিয়ে ধুয়ে নেওয়া ভালো।

ব্লেন্ডারের তরল নয়

শিশুশক্ত খেতে পারবে না বলে মায়েরা সব কিছুব্লেন্ডারে তরল করে খাইয়ে থাকেন। এটি ঠিক নয়। শিশুর স্বাদগ্রন্থি

ও রুচি তৈরি হওয়ার জন্য আধা শক্ত দানাদার খাবারের দরকার। তরল খাবারে অভ্যস্ত হলে পরে শিশুরা আর শক্ত

খাবার খেতে পারে না। তরল খাবার বোতলে ভরে খাওয়ানো অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর একটি অভ্যাস। শিশুকে

দানাদার ও আধা শক্ত খাবার বাটি-চামচ ব্যবহার করে খাওয়ান। ধীরে ও ধৈর্য ধরে খাওয়ান, তাড়াহুড়া করবেন না।

টিনজাত খাবারকে না বলুন

টিনজাত খাবারে উচ্চ ক্যালরি থাকলেও আঁশ ও অন্যান্য প্রয়োজনীয়উপাদান নেই। বাজারে যেসব টিনজাত খাবার

বা রেডিমেড খাবার পাওয়া যায়তাতে নানা ধরনের খাদ্য সংরক্ষক ও রাসায়নিক মেশানো থাকে। তাই টিনজাত

খাবারকে না বলুন।

ঘন ঘন খাবার নয়

শিশুকে এক বা দুই ঘণ্টা পর পর খাওয়ানোর চেষ্টা করবেন না। খিদে পেতে দিন। একবার পেট ভরে খেলে পাকস্থলি

খালি হতে তিন-চার ঘণ্টা লেগে যাওয়ার কথা। বড়দের মতো সকাল, দুপুর ও রাতে তিনবার মূল খাবার রাখুন। এর

মধ্যে আরও দুবার হালকা নাশতা। খাবার নিয়ে জোর করলে খাদ্যে অনীহা আসবে, কখনো বমি হবে।

সূত্র - প্রথম আলো

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: ৩০ সেকেন্ডেই খোশমেজাজ
Previous Health Tips: গর্ভাবস্থায় বুক জ্বালাপোড়া

আরও স্বাস্থ্য টিপ

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... আরও দেখুন

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... আরও দেখুন

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... আরও দেখুন

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... আরও দেখুন

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... আরও দেখুন

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')