সুইসাইড সংক্রান্ত যেসব সতর্ক সংকেত থেকে সকলকে সচেতন থাকা উচিত, তা হলঃ
চরম হতাশা
পূর্বে এক বা একাধিকবার আত্মহত্যার চেষ্টা চালানো
সমগ্র চিন্তা/ভাবনা জুড়ে মৃত্যুবা মৃত্যুসম্পর্কে চিন্তাবিষ্টতা
“আমি না থাকলে তুমি ভাল থাকবে” কিংবা “আমার মনে হয় আমার মরে যাওয়াই ভাল” – প্রায়শঃই এ ধরনের উক্তি
যারা করেন
নিজেকে শেষ করে দেয়া নিয়ে যারা খোলামেলা কথা বলেন
আত্মহত্যার পরিকল্পনা বা ছক আঁকা কিংবা রিহার্সল করা শরীরের বিভিন্ন অংগ কাটাছেঁড়া করা, পোড়ানো,
কিংবা মাথা ঠোকানো
ঝুঁকিপূর্ন আচরনে নিজেকে নিয়োজিত করা যেমনঃ বেপরোয়া গাড়ী চালানো, ড্রাগ নেয়া, ঝুঁকিপূর্ন সেক্স করা
উইল করে দেয়া কিংবা গুরুত্বপূর্ন জিনিস বা সম্পদ দান করে দেয়া
অযাচিতভাবে বা বিনাকারনে সবার কাছ থেকে বিদায় নেয়া
অনিশ্চিত অর্থবোধক উক্তি করা যেমন “আমার সম্পর্কে তোমরা কোন দুশ্চিন্তা করো না”, “আমার মনে হয়
আমি এমন ঘুম ঘুমাবো আর জেগে উঠবো না”, “আর পারছি না” ইত্যাদি
কোন যথাযথ কিংবা যুক্তিসঙ্গত কারন ছাড়া হঠাৎ হঠাৎ হতাশ হওয়া, অত্যধিক উচ্ছসিত হওয়া, একেবারে চুপ হয়ে
যাওয়া
আপনি যদি আপনার কোন প্রিয়জনের মধ্যে এধরনের লক্ষণ কিংবা সতর্ক সংকেত দেখেন বা লক্ষ্য করেন, দেরী না
করে কোন অভিজ্ঞ মেন্টাল হেলথ বিশেষজ্ঞের কাছে নিয়ে যান। যেতে অস্বীকার করলেও ধৈর্য্য সহকারে বোঝান।
যদি মনে করেন শীঘ্রই সে কোন অঘটন ঘটাতে যাচ্ছে কিংবা পারে, তবে তাকে একা ছেড়ে দেবেন না, তাকে সংগ দিন।
ধারালো কোন কিছুকিংবা বিষাক্ত কোন দ্রব্য দূরে রাখুন। তাকে জরুরীভাবে কোন রুমে নিয়ে তার সাথে একান্ত
আলাপচারিতার চেষ্টা করুন।
এ্যাবাউট ডট কম থেকে সংক্ষেপিত
সৌজন্যেঃ হেলথ প্রায়র ২১।

