
১। আপনার দেহে আয়রন, থাইরয়েড, কর্টিসল, ভিটামিন ‘ডি’ এর ঘাটতি আছে কি না – ল্যাব টেস্টের মাধ্যমে জেনে নিন। সাধারনত লালা পরীক্ষার মাধ্যমে সনাক্ত করা হয়।
২। ঘাটতি থাকলে হাই-পোটেন্সি মাল্টি-ভিটামিন কিংবা মাল্টি-মিনারেল গ্রহন করুন। তবে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী।
৩। দৈনিক ১০০০ থেকে ২০০০ গ্রাম ভিটামিন ‘সি’ এবং ৫০০০ মাইক্রোগ্রাম প্রোবায়োটিন গ্রহন করুন।
৪। ডাক্তারের পরামর্শ মতে দৈনিক ১-২ বার ভিটামিন ‘বি কমপ্লেক্স’ ট্যাবলেট সেবন করুন।
৫। রিফাইন করা চিনি, মিষ্টি কিংবা প্রক্রিয়াজাতকৃত খাবার গ্রহন থেকে বিরত থাকুন।
৬। পর্যাপ্ত পরিমান ফল, শাক-সবজী এবং উচ্চমান সম্পন্ন প্রোটিনযুক্ত খাবার খান।
৭। পর্যাপ্ত এবং সাউন্ড স্লিপ বা ভাল ঘুমের চেষ্টা করুন।
৮। পর্যাপ্ত শারীরিক পরিশ্রম, যোগ ব্যায়াম, অবসর বিনোদনমূলক কাজ করার চেষ্টা করুন। এতে মানসিক চাপ কমবে। প্রয়োজনে কাউন্সেলিং এর সহায়তা নিন।

