ডার্মাটোলজস্টরা বলেন, ৭ থেকে ১২ বছর বয়সি শিশু-কিশোর যারা বয়ঃসন্ধিকাল কিংবা বয়ঃসন্ধিকাল-পূর্ব অবস্থায় উপনীত, তাদের ক্ষেত্রে ব্রণের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এসময়ে ব্রণ সমস্যা সমাধানে
তাদের বাবা-মা-অভিভাবকদের গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করা উচিত।
যেমনঃ
১। পরিস্কার –পরিচ্ছন্নতার ব্যাপারে ঐ বয়সি বাচ্চাদের বেশি বেশি উৎসাহিত করা উচিত। দিনে অন্ততঃ দু’বার যাতে তারা ভাল মানের ক্লিনজার দিয়ে মুখ ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তোলে।
২। সাধারণ সমসা দেখা দিলে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী বেনজয়েল-পার-অক্সাইড প্রোডাক্ট ব্যবহার করাতে হবে।
৩। সমস্যা বেশি কিংবা গুরুতর হলে একজন দক্ষ ও অভিজ্ঞ ডার্মাটোলজিস্টের তত্ত্বাবধানে থেরাপি দেওয়ানো যেতে পারে।
৪ আপনার বাচ্চার চিকিৎসায় সার্বক্ষনিক নজর রাখুন। কারন এসময় হয়তো আপনার গাইড তার খুবই প্রয়োজন। বিশেষ করে যদি টপিক্যাল মেডিসিনের ব্যবহার কিংবা এন্টি-বায়োটিক খাওয়ার ক্ষেত্রে।

