home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

শিশুর জিহ্বা পরিষ্কার
০৬ অগাস্ট, ১৩
  Viewed#:   229

শিশুর জিহ্বা পরিষ্কার করা কোন সহজ কাজ নয়। বেশির ভাগ শিশুই মুখের ভিতরে আঙুল দেয়ার আগেই প্রচণ্ড

নড়াচড়া শুরুকরে। জিহ্বা পরিষ্কারের সময় শিশুকে জোর করে চেপে ধরলে শিশুঘাবড়ে গিয়ে আরও জোরে কান্না

করতে পারে এবং ভয়ে আরও নড়াচড়া করে ব্যথা পেটে পারে।। শিশুর সাথে আপনাকেও খেলার চলে এই কাজটি করতে

হবে। তাছাড়া শিশুর দাঁত উঠলে সে আপনার আঙুল ও কামড়ে দিতে পারে।

প্রথমত এক্সপার্টরা টুথপেস্টের পিছন সাইড দিয়ে জিহ্বা পরিষ্কার করার পরামর্শ দেন না। কারণ, এই পদ্ধতিতে

শিশুর জিহ্বা ভালমত পরিষ্কার হয় না এবং শিশুর বমিবমি ভাব হয়।

শিশুর জিহ্বা পরিষ্কারের সঠিক উপায়

একটি নরম সুতি কাপড় বা গজ নিন। সামান্য কুসুম গরম পানিতে কাপড়টি ভিজান। এই পানি কখনোই সহ্যের

অতিরিক্ত গরম হওয়া চলবে না। পানি বেশি গরম হলে শিশুর জিহ্বা পুড়ে যাবে।

এবার শিশুর মুখ হা করান। শিশুর মুখ খোলার সবথেকে ভাল উপায় হল শিশুর নিচের ঠোঁট আস্তে করে নিচের দিকে

নামান।

এবার কুসুম গরম পানিতে ভেজানো কাপড়টি আপনার তর্জনীতে পেঁচিয়ে নিন।

এবার আঙুল দিয়ে জিহ্বা পরিষ্কার করুন। জিহ্বা আস্তে আস্তে বৃত্তাকার গতিতে পরিষ্কার করুন। খেয়াল রাখুন

শিশুযেন ব্যথা না পায়। এই পদ্ধতিতে জিহবার সব অবাঞ্ছিত ময়লা পরিষ্কার করে আনুন।

অনেক সময় দেখবেন শিশুর জিহবায় অনেক ময়লা জমে আছে। সেক্ষেত্রে বার বার একই কাপড় দিয়ে জোরে জোরে

ঘষবেন না। প্রয়োজন হলে আঙুল একবার বের করে এনে কাপড়ের পরিষ্কার অংশ গরম পানিতে ভিজিয়ে আবার মুখে

আঙুল দিয়ে জিহ্বা পরিষ্কার করুন।

শিশুর জিহ্বা পরিষ্কারের সময় সতর্কতা

বড় শিশুদের মুখ পরিষ্কারের পর শিশুর মুখের ভেতর ভাল করে পর্যবেক্ষণ করুন। দেখুন কোন টুথপেস্ট রয়ে গেছে

কিনা। ভাল করে শিশুর মুখের ভেতর পানি দিয়ে পরিষ্কার করুন। বেশির ভাগ শিশুই টুথপেস্টের মিষ্টি স্বাদ পছন্দ করে

এবং গিলে ফেলে। তাই শিশুর মুখ টুথপেস্ট দিয়ে পরিষ্কারের সময় প্রয়োজন সতর্কতার।

বড় শিশুদের জিহ্বা পরিষ্কারের জন্য শিশুদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি নরম ব্রাশ ব্যবহার করতে পারেন।

সবসময় শিশুর জিহ্বা পরিষ্কারের সময় যথাযথ সতর্কতা বজায় রাখুন। শিশুযেন ব্যথা না পায়।

শিশুদের জিহ্বা পরিষ্কারের সময় শিশুকে  প্রথমে কোন খেলা বা কোন খেলনা দিয়ে ব্যস্ত রাখুন। শিশুএকটুবড় হলে

তাকে কোন কিছুদেখিয়ে মুখ হা করাতে পারেন। শিশুর নতুন নতুন দাঁত উঠলে শিশুআপনার আঙুল কামড়াবে। সেভাবেই

তৈরি থাকুন।

Source - babycare.onlymyhealth.com

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: ঈদের আগে চুলের যত্ন
Previous Health Tips: ঈদে বলুন দই কই?

আরও স্বাস্থ্য টিপ

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... আরও দেখুন

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... আরও দেখুন

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... আরও দেখুন

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... আরও দেখুন

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... আরও দেখুন

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')