home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

আপনি আগে, না আবেগ আগে
২০ জুলাই, ১৩
  Viewed#:   181

পেশাদারিত্বের দুনিয়ায় আবেগ একটা মস্ত বড় এক্স ফ্যাক্টর৷ আবেগ আপনাকে নিয়ন্ত্রণ করার আগে,



আপনি আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করুন৷



চাকরির মহাক্ষেত্র৷ সেখানে অনবরত চলেছে ঘটনার ঘনঘটা৷ কোনোটা আপনার কাছে ভালো, আবার



কোনোটায় মাথায় বাজ ভেঙে পড়ার সামিল৷ এই ধরুন না, দুই সপ্তাহ ধরে একটা প্রোজেক্টের পিছনে



হাড় ভাঙা খাটুনি যাচ্ছে৷ হঠা  সকালবেলা বস জানালেন পুরো প্রোজেক্টটাই বাতিল হয়ে গেছে৷ তখন?



ছয় মাস ধরে অ্যাকাউন্টস সেকশনের একজনকে মনে ধরেছে, বলি বলি করেও বলে উঠতে পারেননি৷ কাল



জানতে পেরেছেন আপনার পাশের কেবিনের কলিগটির সঙ্গে 'তার' সম্পর্ক তৈরি হয়ে গিয়েছে আপনার



অজান্তেই৷এবার? কাজেরভারে গলা অবধি ডুবে, সাঁতরেও কুলকিনারা পাচ্ছেন না৷ হাঁসফাস করে কাজ



করছেন, বস ডেকে একগাল মুচকি হেসে আরো একগাদা কাজের দায়িত্ব দিয়ে দিলেন৷ তারপর?



তার আর পর৷ এ যদি অফিস না হয়ে ব্যক্তিগত জীবন হতো, তাহলে অতো ভাবারই ছিল না কিছু৷ হাত পা



ছুঁড়ে, চেঁচামেচি করে বাড়ি মাথায় নেয়া যেত৷নিজেকে ঘরের এককোণায় লুকিয়ে দিনের পর দিন বসে দুঃখ



করা যেত৷নাওয়া খাওয়া ছেড়ে কষ্ট ভোগ করা চলত৷কিন্তু কাজের ক্ষেত্রে এর কোনোটাই চলবে না৷



কারণ সেখানে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ যদি কিছু থাকে, তা হলো আপনার পেশাগত ব্যক্তিত্ব৷



কোনোভাবেই আপনার কোনো সমস্যার ছায়া আপনার কাজে, বা কাজের ফলে না পড়াটাই



বাঞ্ছনীয়৷চাকরির ক্ষেত্রে নানা দিক থেকে চাপ আসবেই৷টাকা থেকে শুরু করে হঠা  করে ডিপার্টমেন্ট



বদল সবটাতেই আপনার পক্ষে আপনারআবেগ সামলে নিয়ে কাজ করা সম্ভব নয়৷ কিন্তু যতই কঠিন



হোক, সেটাই আপনাকে করতে হবে৷ যদি চাপের মুখে নিজের আবেগ সামলে নিয়ে চলতেপারেন তাহলে



আপনার উ পাদন ক্ষমতার সাথে সাথে প্রতিটা সিচুয়েশনেই আস্তে আস্তে আপনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ



করতেও শিখে যাবেন৷ আমরা মূলত নেগেটিভ আবেগগুলো নিয়ে কথা বলব৷কারণ পজিটিভ ভাবনা চিন্তার



জন্য আপনাকে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে এমনটা হওয়া প্রায় অসম্ভব৷ বরং তাতে তো আপনার সঙ্গে সঙ্গে



বাকিদেরও ভালো প্রতিক্রিয়া হবে৷ কিন্তু যারা কাজের ক্ষেত্রে আপনার প্রধান সমস্যার কারণ হয়ে



দাঁড়াচ্ছে তারা হলো আপনার আয়ত্তের বাইরে চলে যাওয়া মনের ভিতরের খারাপ আবেগগুলো৷ তার মধ্যে



কর্মক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি এমপ্লয়িদের প্রভাবিত করে ব্যর্থতা, রাগ, নিরাশা, দুঃশ্চিন্তা, হতাশা,



নার্ভাস হয়ে পড়া, বিভিন্ন কিছু অপছন্দ করা, কোনো কিছুতেই খুশি না হওয়া, তার থেকে



অবনতি৷চাকরির মহামারির বাজারে টিকে থাকতে গেলে এই সমস্ত আবেগকে প্রফেশনাল জীবন থেকে



কিন্ত্ত মালপত্র সমেত বিদায় জানাতে হবে৷ না হলে নিজের আবেগের মাশুল আপনাকেই পরে গুনতে হবে৷



নিরাশা বা বিরক্তি



ফ্রাস্ট্রেশন৷ বস অনেকক্ষণ ধরে লাইনটা হোল্ডে রেখে আপনাকে অপেক্ষা করাচ্ছেন, এদিকে ক্লায়েন্ট



আপনার জীবন অতিষ্ট করে তুলছেন৷ বা আপনার কলিগ আপনার প্রাপ্য কাজটা আগে ভাগে হাতিয়ে



নিয়েছে৷ ব্যাস !  আর এটা এমনই একটা আবেগ যাতে নিজের পিঠ দেওয়ালে ঠেকে গেছে বলে মনে হয়৷



সামনের দিকে এগোনোর সব চেষ্টাই ব্যর্থ মনে হয়৷ তবে যেটাই হোক আপনার ফ্রাস্ট্রেশন বা নিরাশা,



বিরক্তি কিন্তু নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে৷কোনোভাবেই এই আবেগ যেন আপনার মাথায় না চেপে বসে৷



দাঁড়ান৷ একটু ভাবুন৷ যেকোনো সিচুয়েশনে আগেই বিরক্ত হয়ে গিয়ে সবটা ভন্ডুল করে বসবেন না৷ নিজে



ভেবে দেখুন যে কেন আপনার বিরক্তি হচ্ছে বাকি কারণে নিরাশ বোধ করছেন৷ খুঁজে দেখুন তো পুরো



ব্যাপারটার মধ্যে কোনো ভালো দিকই কি পাওয়া যাচ্ছে না! যেমন মমিটিং-এর জন্য বস দেরি করলে



এইযে আপনি সেই বাহানায় প্রেজেন্টশনের জন্য আরোও কিছু সময় হাতে পেয়ে যাচ্ছেন, এটাই তো একটা



ভালো দিক৷ তাই ভালো দিকগুলো খুঁজুন, অল্পেতেই হাল ছাড়বেন না৷



প্রথম বার কিছু নিয়ে নিরাশ হয়ে পড়েছেন এমনটা তো নয়৷ আগেও নিশ্চয়ই কখনও না কখনও এরকম



কিছু হয়েছিল৷ মনে করার চেষ্টা করুন সেইবার কিভাবে সমাধানটা পাওয়া গিয়েছিল৷ কিছু একটা সমাধান তো



হয়েছিল সেইবার৷ সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগান৷ মাথায় যতটুকু যা আসছে সেটাই কাজে লাগান৷ বিশ্বাস



করুন হোঁচট খাবেন না৷ ঠিক বেড়িয়ে আসবেন সমস্যাটার মধ্যে থেকে৷



দুঃশ্চিন্তা আর নার্ভাসনেস



রিশেসনের লেজুড় ধরে থাকা কর্মচারী ছাঁটাইয়ের ভূত সবসময় ভয় দেখিয়েই চলেছে৷ তাই চাকরি নিয়ে



দুঃশ্চিন্তা লেগে থাকাটাই স্বাভাবিক৷ কিন্তু সেটা যদি ঠিকমত নিয়ন্ত্রণে না রাখতে পারেন, তবে সেদিন



দেরি নেই যেদিন কাজের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় রিস্কটাও আপনি নিতে ভয় পাচ্ছেন৷ ফলে কাজও ভালো



হবে না, আর আপনি মানসিকভাবেও ভেঙে পড়বেন৷



ব্রেকের সময় সবাই মিলে ছাঁটাই নিয়ে আলোচনা করতে বসবেন না৷ কারণ যত বেশি এ বিষয়ে চিন্তা



করবেন, চিন্তা তো কমবে নাই বরং দিনে দিনে আরোও বেড়ে যেতে থাকবে৷ তাই অন্য অনেক যেসব



ইন্টারেসটিং বিষয় আছে পৃথিবীতে তা নিয়ে আলোচনা করুন৷ এ পথ না মারানোই  বুদ্ধিমানের কাজ৷



কাজের ক্ষেত্রে যা যা সমস্যা একটু লিখে রাখুন৷ অবসর সময়ে সেগুলো দেখে মাথা ঠান্ডা করে ভাবুন যে



সিচুয়েশনটা কিভাবে হাল্কা করা যায়৷ যেখানে যেখানে কাজের যেমন যেমন অভিজ্ঞতা আছে, সেগুলো থেকে



সমাধানের রাস্তা ভাবুন৷ আর এইপুরো প্রক্রিয়াটার আগে এই চিন্তাগুলো মাথা থেকে সরিয়ে রেখে কাজ



করুন৷কাজের সময় শান্তি না থাকলে কোনো কাজই হওয়া সম্ভব নয়৷



শুধু বসে বসে 'চাকরি চলে যাবে' জাতীয় ভাবনা চিন্তা করতে থাকলে কাজটা কখন করবেন মশাই? তাই



সেসব না ভেবে বরং আরো ভালো করে কিভাবে কাজ করবেন তাই ভাবুন৷প্রয়োজনে মাথা ঠান্ডা রাখতে



নিয়মিত যোগ ব্যায়াম করুন৷



মাথা গরম



ব্যক্তিগত জীবনেই বদখত রাগের জন্য বিশাল সর্বনাশ হয়ে যেতে পারে৷ সুতরাং চাকরিতে তো বলাই



বাহুল্য৷ আর এটিকেই সামলানো সব থেকে কঠিন কাজ৷ চাকরিটি যদি ভালোবাসেন, তাহলে রাগের মাথায়



বরফ ঢালা ছাড়া অন্য উপায় নেই৷ নয়তো, প্রিয় চাকরিটিকে এখন থেকেই বিদায় জানানোর জন্য প্রস্তুত



হোন৷



হঠ করেই রাগ হয়ে গেল, এমনটা তো হয় না৷ একটু একটু করে রাগের কারণ তৈরি হয়, মাথা গরম হতে শুরু



করে৷ এই যখন থেকে মাথা গরম হতে শুরু করছে, সেই সময়টাকে বুঝে নেওয়ার চেষ্টা করুন৷রেগে যেতে



পারেন যখন বুঝতে পারছেন, তখন থেকেই সেটাকে আটকাতে চেষ্টা করুন৷ সিচুয়েশন বুঝে প্রতিক্রিয়া



দেওয়ার স্বাধীনতা আপনার আছে৷ আপনার প্রথম প্রতিক্রিয়ায় যদি রাগ হয়, তার মানে কিন্তু এটা



দাঁড়ায় না যে সেটাকেই আপনি প্রাধান্য দেবেন৷ রাগ সত্যিই মানুষকে অন্ধ করে দেয়৷ চাকরির ক্ষেত্রে



সেটা কতটা খারাপ বুঝে দেখুন৷



কিছু মজার উপায় বাতলানো যাক৷ রাগ মাথায় চেপে বসছে বুঝতে পারলেই ১০০ থেকে উল্টো দিকে গুনতে



শুরু করুন৷ লম্বা লম্বা নিঃশ্বাস নিন৷ এতে চিন্তাটা অন্যদিকে ঘুড়ে যাবে৷ বা আরো ভালো হয়, যদি চোখ



বন্ধ করে এটা একবার ভেবে নিতে পারেন যে রেগে গেলে আপনাকে ঠিক কেমন লাগবে৷চোখ মুখ লাল হয়ে



যাবে, না কারোর উপর তার স্বরেচিত্কার করবেন৷ভাবুন তো এমন কারোর সাথে কি আপনি নিজে কাজ



করতে চাইবেন৷তাহলে আপনাকে বাকিরা কেন চাইবে?



কাউকে একদম পছন্দ করেন না, অথচ তার সাথেই কাজ করতে হচ্ছে, এবং সে কিছুতেই ঠিক করে কাজ



করতে পারছে না৷ চড়চড়িয়ে রাগ মাথায় উঠে গেল তো! নামিয়ে ফেলুন৷আপনি যদি কিছু জানেন, আপনার তো



উচিত অন্যকে সেটা শিখিয়ে দেওয়া৷ রাগ আর অহমিকা বোধকে দূরে সরিয়ে তাই ভালো ব্যবহারের



মাধ্যমে কাজটা সারুন৷



আচ্ছা, এটা তো সেই ছোট বয়স থেকে জানেন যে জীবনের গাড়িটি সব সময় সোজা রাস্তায় চলবে না৷



এবড়ো-খেবড়ো, উঁচু-নিচু সবটাই থাকবে৷ তাই সবসময় আপনার সঙ্গে সবকিছু ভালোই হবে এমন ভাবনা



নিয়ে বসে থাকলে তো খুবই মুশকিল৷ আর চলার রাস্তায় একটা দুটো স্পিড ব্রেকার না থাকলে জীবনের



মজাটাই বা কোথায়!  যদি প্ল্যানিং মত কাজ না হয়ে থাকে তাহলে তা নিয়ে ভেবে ভেবে সময় না কাটিয়ে



নতুন করে সবটা ভাবুন৷ যা যা ভুল হয়েছিল সেগুলো শুধরে নতুন চিন্তায় এগোন৷আর হাসতে ভুলবেন না৷



যখন আর কোনো কিছুই কাজে আসবে না৷ মন খুলে হাসার জোগাড় করুন৷ হাসি কিন্তু সত্যি মনকে অনেক



জোড় দেয়৷



একজন গোমড়া মুখো সর্বক্ষণ চিন্তা করতে থাকা মানুষের সঙ্গে কাজ করতে কারই বা ভালো লাগে!



তাই কাজের সময় নিজের সমস্ত আবেগকে তালা চাবি মেরে তুলে রেখে মাঠে নামুন৷একমাত্র তাতেই সবকটা



দিক সামলে চলতে পারবেন, নচে  ..



সূত্র - natunbarta.com

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: আকুপাংচার ও মক্রিবাশ্চান
Previous Health Tips: বাড়ছে বয়স, অসুখী কি তাই!

আরও স্বাস্থ্য টিপ

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... আরও দেখুন

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... আরও দেখুন

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... আরও দেখুন

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... আরও দেখুন

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... আরও দেখুন

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')