১) প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট সময় শুধুমাত্র নিজের জন্য বরাদ্দ রাখুন।
২) নিজের ক্লান্তির মাপকাঠি তৈরি করুন। সবসময় মাথায় রাখুন কি পরিমাণ কাজ করার পর ক্লান্ত হয়ে পড়েনএবং কতক্ষন কাজ করার পর বিশ্রাম নেয়া উচিৎ।
৩) চাকরিক্ষেত্রে অন্যকে নিয়ন্ত্রণ না করে নিজেই নিজের সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করুন।
৪) নিয়মিত ব্যয়াম করুন।ব্যয়ামে শরীরের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায় ফলে অনেক কাজ করার পরও শরীর ক্লান্ত হয় না।
৫) প্রচুর পরিমানে তাজা ফল, সবজি এবং রুটি খান। তাছাড়া ক্লান্তিকে দূরে রাখতে প্রতিদিন প্রচুর পরিমানে পানি পান করুন।
৬) নিজের ভেতরে রাগ পুষে না রেখে অন্যকে ক্ষমা করার মানসিকতা গড়ে তুলুন। এতে আপনার শরীর এবং মন দুটোই শান্ত থাকবে।
৭) নিজের দৃষ্টিকোণ থেকে প্রাত্যহিক কাজগুলিকে মূল্যায়ন করুন। যখন যেই কাজ করা দরকার তখন সেই কাজকে অগ্রাধিকার দিন।
৮) কখনোই নিজের অনুভূতি চেপে রাখবেন না। সবসময় নিজের অনুভূতি অন্যের সাথে শেয়ার করুন। প্রিয় মানুষদের সাথে হাসলে, তাদের আলিঙ্গন করলে ক্লান্তি এবং অবসাদ অনেকাংশেই কমে আসে।
৯) ক্লান্তির কারণগুলিকে খুঁজে বের করুন এবং ভবিষ্যতে কিভাবে এদের দূর করা যায় তার জন্য পরিকল্পনা করুন।
১০) কখনই এমন কোন লক্ষ্য স্থির করবেন না যা আপনার নাগালের বাইরে।
১১) সবসময় নিজের মনোভাব এবং দৃষ্টিভঙ্গিতে নিরপেক্ষতা বজায় রাখুন। অন্যরা আপনার সাথে কেমন আচরণ করবে তার অনেকটাই নির্ভর করে আপনার দৃষ্টিভঙ্গি এবং মনোভাবের উপর।
১২) অ্যালকোহল, ওষুধ, মাদক এবং নেশাজাতীয় দ্রব্য যথাসম্ভব বর্জন করে চলুন। এসব বস্তু আপনার আচার-আচরণের উপর গভীরভাবে প্রভাব ফেলে।
১৩) পর্যাপ্ত অর্থ আয় করুন। প্রয়োজনে অন্যের পরামর্শ নিন। আয়ের অন্তত ১০% সঞ্চয় করুন।
১৪) "না" কথাটি যথাস্থানে ব্যবহার করুন। নিজের প্রয়োজনে কাউকে না বলে একদমই অপরাধবোধে ভুগবেন না।
১৫) বন্ধু বান্ধব এবং পরিবারের মানুষের সাথে ঘরের বাইরে নানা আনন্দদায়ক কাজে নিজেকে ব্যস্ত রাখুন।
১৬) টেলিভিশনের সামনে বসে না থেকে নিজের প্রিয় কোন গান শুনুন।
১৭) ধূমপান ত্যাগ করুণ। অতিরিক্ত ধূমপানের ফলে শরীর অল্পতেই ক্লান্ত হয়ে পড়ে।
১৮) পারস্পরিক সম্পর্ককে পুনরুজ্জীবিত করুন এবং উপভোগ করুন। নিজের মতামত দেয়ার থেকে অন্যের কথা আগে শোনার প্রতি গুরুত্তারোপ করুন।
১৯) প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমানে ঘুমান। ঘুমানোর সময় শক্ত গদিতে ঘুমানোর অভ্যাস করুন। শোবার ঘরে পর্যাপ্ত আলো বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখুন।
২০) সপ্তাহে অন্তত একটি দিন নিজের আনন্দ এবং উপভোগের জন্য বরাদ্দ রাখুন। ক্লান্তি দূর করতে ম্যাসাজ নিন, সিনেমা দেখতে যান অথবা ডিনার করতে যান।
২১) মাঝে মাঝে পরিস্থিতিকে অন্যের দৃষ্টিতে বিচার করুন।
২২) কোন বিষয়ে কথা বলার আগে অথবা অন্যকে যাচাই করার আগে সবরকম তথ্যের সত্যতা যাচাই করুন।
২৩) দুশ্চিন্তা এড়িয়ে চলুন। কাজ তাড়াতাড়ি অথবা ভালভাবে সম্পাদন করতে দুশ্চিন্তা কখনোই সাহায্য করে না বরং দুশ্চিন্তায় ক্লান্তি আরও বেড়ে যায়।
২৪) বছরের একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ছুটি এবং বাজেট প্ল্যান করে রাখুন।
২৫) চলতি বছরের জন্য একটি লক্ষ্য স্থির করুন এবং সেই লক্ষ্য অর্জনের জন্য নিজেকে সঠিকভাবে পরিচালনা করুন।
২৬) প্রতিটি দিনকেই একটি উপহার হিসেবে গ্রহণ করুন এবং সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ দিন।

