home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

ত্বক নষ্ট হওয়ার পেছনে প্রতিদিনের কিছু বদঅভ্যাস
০৯ মে, ১৪
Tagged In:  skin care  skin problem  
  Viewed#:   487

skin-problemসুন্দর, মসৃণ আর দাগহীন ত্বকের জন্যে আপনি কতটুকু যত্নবান? দামি সব কসমেটিকস, ফেসওয়াশসহ কতো কিছু ব্যবহার করছেন। কিন্তু প্রতিদিন আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে মুখের ব্রণ বা খসখসে ত্বকের দিকে তাকিয়ে মন ভার করে চিন্তা করেন, আর কী করা যায়? আপনি কি জানেন, অনেক যত্ন-আত্তির পরও প্রতিদিনের কিছু বদঅভ্যাসের কারণে প্রাণ হারায় আপনার ত্বক।

সতেজ ত্বকের জন্য এই বদঅভ্যাসগুলো পরিহার করুন। মুখে ব্রণ ওঠা বা উজ্জলতা হারানোর জন্য এগুলোই মূল কারণ। এগুলো ছেলেমেয়ে উভয়ের জন্যই প্রযোজ্য।

ধূমপান : ত্বকের স্বাভাবিকতা হারানোর জন্য এই একটি বদঅভ্যাসই যথেষ্ট যা ছেলেমেয়ে উভয়ের জন্য প্রযোজ্য। ধূমপানে চামড়ায় রক্ত চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়। তা ছাড়া নিকোটিনের মতো ভয়াবহ একটি বিষ সরাসরি আপনার রক্তে ছড়িয়ে যাচ্ছে। রক্ত চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়ে ব্রণ ওঠে। আবার নিকোটিনের কারণে ত্বকের ঔজ্জ্বল্য হারিয়ে যায়।

গরম পানিতে গোসল করা : দীর্ঘক্ষণ গরম পানিতে গোসল করার পর সব ক্লান্তি দূর হয়ে গেলেও আপনার চামড়ার সজীবতা কিন্তু নষ্ট হয়ে যায়। বিশেষ করে গরম পানির তাপে মুখের ত্বকের সূক্ষ্ম নালীগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সেইসঙ্গে চামড়ায় লালাভ ভাব চলে আসে।

মদ্যপান : এটা মারাত্মক একটি কারণ। গবেষণায় দেখা গেছে, অ্যালকোহল গ্রহণের মাত্রার সাথে সাথে মেয়েদের স্তন ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি ৬ শতাংশ হারে বেড়ে যায়। প্রতিবছর এ কারণে ছয় হাজার নারীর মৃত্যু ঘটে মদ্যপানে। তা ছাড়া এর প্রভাবে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায় এবং চামড়ার প্রাকৃতিক তেলতেলে ভাব নষ্ট হয়ে যায়। সূক্ষ্ম নালীগুলো বন্ধ হয়ে যেতে পারে যা স্থায়ী ক্ষতির সম্ভাবনা সৃষ্টি করে।

মেকআপের কাজে নোংরা ব্রাশ ব্যবহার করা :
মেয়েদের জন্য এ বিষয়টিতে খেয়াল রাখা উচিত। মেকআপের সময় ব্রাশে ময়লা থাকলে তা ত্বকে লোমকূপের গোড়া বন্ধ করে দেয়। ফলে ব্রণ ওঠে। এখান থেকে ইনফেকশনও হতে পারে।

নখ দিয়ে ব্রণ খুঁটিয়ে তোলা :
ব্রণ বা ত্বকের ফুসকুরি জাতীয় কিছু নখ দিয়ে আঁচড় দেওয়া মানেই সেখানে জীবাণুর সংক্রমণ ঘটানো। এর থেকে বাজে কিছুও হতে পারে।

মোবাইলে অতিরিক্ত কথা বলা :
বিশ্বাস না হলেও সত্যি যে, অতিরিক্ত ফোনে কথা বললে ত্বকের ক্ষতি হয়। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ফোনের ইলেকট্রিক উত্তাপে কারণে বা ময়লার কারণে ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ত্বকে কালো ভাব আসতে পারে। আর ব্রণ তো খুবই স্বাভাবিক ঘটনা।

সূত্র - দৈনিক কালের কণ্ঠ

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: পাটে অর্থ শাকে পুষ্টি
Previous Health Tips: লৌহের ঘাটতি ও প্রতিকার

আরও স্বাস্থ্য টিপ

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... আরও দেখুন

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... আরও দেখুন

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... আরও দেখুন

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... আরও দেখুন

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... আরও দেখুন

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')