home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

শিশুর সামনে বড়র বিতর্ক
১২ ফেব্রুয়ারী, ১৪
Tagged In:  children mentality  good parents do  
  Viewed#:   90   Favorites#:   1

children-front-debate-parentsশিশুর সামনে বড়র বিতর্ক। ছবিটি প্রতীকী।শিশুদের সামনে মা-বাবা বা পরিবারের বড় সদস্যদের তর্ক-বিতর্ক না করাই ভালো—সাধারণত সবাই এমন পরামর্শই দেন। এটাও ঠিক কিছু বিষয় নিয়ে শিশুদের সামনে আলাপ করা বা তর্ক করা অনুচিত। কিন্তু নিত্যনৈমিত্তিক অনেক ঘটনা নিয়ে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বিতর্ক হতেই পারে। আর এসব বিতর্ক থেকে অনেক কিছু শিখতে পারে শিশুরা।

অবশ্য এটাও মাথায় রাখতে হবে যে আমরা বিতর্কের কথা বলছি, ঝগড়াঝাঁটি নয়। বিতর্ক মানুষই করে। বিশেষত যাঁরা পরস্পরকে ভালোবাসেন, যাঁরা একত্রে বসবাস করেন তাঁদের মধ্যে বিতর্ক হতেই পারে। যেমন হয় পরিবারের সদস্যদের মধ্যে। অনেক সময় অত্যন্ত জরুরি বা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে মতপার্থক্য থেকে যেমন এই বিতর্ক হয়, তেমনি অনেক সময় খুবই সাধারণ বিষয় নিয়েও এই বিতর্ক হতে পারে।

তবে শিশুদের সামনে বড়দের বিতর্ক নিয়ে চিন্তিত হয়ে বড়রা যদি এই সিদ্ধান্ত নেন যে তাঁরা কখনোই শিশুদের সামনে কোনো বিতর্কে যাবেন না, তাহলে অবশ্যই শিশুদের কিছু গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করছেন তাঁরা। বড়দের বিতর্ক থেকে শিশুরা যেসব বিষয় শিখতে পারে তেমন কয়েকটি বিষয় এখানে তুলে ধরা হলো।

ভালোবাসার মানুষেরাই বিতর্ক করে
শিশুদের এটা শেখা দরকার যে মতপার্থক্যটা স্বাভাবিক। মতপার্থক্য বা বিতর্কের মানে এই না যে বাবা-মা বা পরিবারের বড় সদস্যরা পরস্পরকে আর ভালোবাসেন না। বিতর্কের মানে এই না যে আপনাদের সম্পর্ক খারাপ হয়ে গেছে। এক ছাদের নিচে বসবাস করলে, অনেক দায়িত্ব ভাগাভাগি করে পালন করলে, সেসব নিয়ে মতপার্থক্য বা বিতর্ক হতে পারে। 

পারস্পরিক সম্মান রেখেই বিতর্ক
কোনো বিষয় নিয়ে বিতর্কের সময় যদি চিত্কার-চেঁচামেচি না করে, পরস্পরকে ব্যঙ্গ করে কথা না বলে, বিতর্কটা এগিয়ে নেওয়া যায়, তাহলে তা এমনিতেই স্বাস্থ্যকর। আর পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ বজায় রেখে পরস্পরের সম্মান রেখে আলাপটা চালিয়ে নিলে তা সমাধানের সম্ভাবনাও বেশি থাকে। আর শিশুদের এ বিষয়টা শেখানোটাও জরুরি।
 
বিতর্কে সমাধান হয়
সাধারণত অনেক দম্পতিই নিজেদের মধ্যে বিতর্ক শুরু হয়ে গেলে শিশুদের ঘরের বাইরে পাঠিয়ে দেন। এমনটা করার কারণ আমরা সহজেই অনুমান করতে পারি। কিন্তু একবার ভাবুন, এতে যা ঘটে তা হলো বিতর্কটা কীভাবে শুরু হলো তা শিশুরা দেখল কিন্তু বিতর্কটা কীভাবে শেষ হচ্ছে, তা ওরা জানতে পারছে না। এ ছাড়া এমন পরিস্থিতিতে শিশুর মানসিক অবস্থা কী হতে পারে, তাও ভাবা দরকার। শিশুর মনে এ সময়ে উদ্বেগ, উত্কণ্ঠা এমনকি ভীতিও কাজ করতে পারে। তাই এমন না করে শিশুকে দেখতে দিন যে বড়রা তাদের সমস্যা সমাধান করতে পারছে।

সূত্র - প্রথম আলো
 

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: ভালবাসি: তুমি বেশি না আমি বেশি
Previous Health Tips: দাঁতের যত্নে লেবু

আরও স্বাস্থ্য টিপ

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... আরও দেখুন

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... আরও দেখুন

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... আরও দেখুন

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... আরও দেখুন

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... আরও দেখুন

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')