শীতে ত্বকের পরিচর্যা একটু বেশিই করতে হয়। কারণ এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা কমে যাওয়ায় ত্বক রুক্ষ হয় বেশি। আর তাই এখন থেকেই শুরু করুন ত্বকের পরিচর্যা। কীভাবে করবেন? সেই পরামর্শ দিয়েছেন রূপবিশেষজ্ঞ শারমিন কচি।
তৈলাক্ত ত্বকের যত্ন
তৈলাক্ত ত্বকের প্রধান সমস্যা ত্বকটা তেল চিটচিটে হয়ে থাকে। এছাড়া তৈলাক্ত ত্বক ব্রণ প্রবণও। তবে তৈলাক্ত ত্বকের সুবিধাও আছে। ত্বকের তেলভাবটা কন্ট্রোল করতে পারলে জেল্লাটা ফুটে ওঠে। এ ধরনের ত্বকে ক্লিনজিংয়ের পাশাপাশি টোনিং এবং ময়েশ্চারাইজিংও জরুরি। এক্ষেত্রে প্রোডাক্টগুলো অবশ্যই অয়েল ফ্রি হতে হবে। এছাড়া সপ্তাহে দুদিন অন্তত স্ক্রাবার দিয়ে ত্বক স্ক্রাব করুন। তবে ত্বকে ব্রণ থাকলে স্ক্রাব করবেন না। আর যদি ঘরোয়া জিনিস দিয়ে পরিচর্যা করতে চান তাহলে ফল হচ্ছে তৈলাক্ত ত্বকের জন্য আদর্শ। পাকা টমেটোর রস তৈলাক্ত ত্বকের জন্য খুব ভালো ময়েশ্চারাইজার। নিয়মিত লাগালে ত্বকের উজ্জ্বলতাও বাড়বে। কারণ এটা ত্বকের প্রাকৃতিক ব্লিচ হিসেবে কাজ করে। ত্বক টোনড করতে মধু লাগান। এছাড়া থেঁতো আপেল, আনারস ও পাকা পেঁপের সঙ্গে মধু মিশিয়ে ত্বকে লাগান। চন্দনের প্যাকও তৈলাক্ত ত্বকের জন্য উপকারী। গোলাপ জলের সঙ্গে চন্দন গুঁড়া মিশিয়ে লাগান।
শুষ্ক ত্বকের যত্ন
শুষ্ক ত্বক খুব সহজে আর্দ্রতা হারায় বলে এর জেল্লাভাবটা চলে যায়। ফলে ত্বকটা খুব ম্যারম্যারে ও নিষ্প্রাণ হয়ে যায়। এই ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখাটাই প্রথম চেষ্টা। শুষ্ক ত্বকের জন্য রোজ ক্লেনজার উপকারী। আর ঘরের জিনিস দিয়ে ক্লিনজিং করতে অলিভ অয়েলের সঙ্গে ডিমের কুসুম ও কয়েক ফোটা লেবুর রস মিশিয়ে ত্বকে ম্যাসাজ করে কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন। অরেঞ্জ জুসের সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়েও ত্বক পরিষ্কার করা যায়। এ ধরনের ত্বকে ডিমের কুসুমের সঙ্গে আধা চা চামচ অলিভ অয়েল, আধা চা চামচ মধু, আধা চা চামচ গোলাপ জল মিশিয়ে প্যাক হিসেবে সপ্তাহে এক দিন ব্যবহার করুন।

