ইদানীং অনেক অভিভাবক সুস্থ শিশুকে নিয়েও আতঙ্কে ভোগেন, তাঁর সন্তান কি অটিস্টিক? অটিজমে আক্রান্ত শিশুর সমস্যা বা লক্ষণগুলো বুঝতে তাই অভিভাবকদের হতে হবে অনেক সচেতন।
· অটিস্টিক শিশুরা সামাজিক সম্পর্ক তৈরি করতে এবং সঠিক আচরণ করতে ব্যর্থ হয়। তাকে নির্দিষ্ট সামাজিক পরিস্থিতিতে প্রত্যাশিত আচরণের শিক্ষা দিতে হবে নিয়মিত। খেলার মাঝে সঙ্গীকে পড়ে যেতে দেখে শিশু হেসে উঠলে তার মানে এই নয় যে সে এটাকে মজার বিষয় বলে মনে করছে। হতে পারে, সে জানেই না এই সময়ে তার কী ধরনের আচরণ করা উচিত।
· অটিস্টিক শিশুর সংবেদী ক্ষমতা অনেক সময় ভালো থাকে না। উ ৎ সবে বা বাজারে যেখানে শত শত মানুষ একসঙ্গে কথা বলছে, লাউডস্পিকার বাজছে জোর শব্দে—তার কাছে নরকতুল্য অভিজ্ঞতা হতে পারে, কেননা সে হয়তো অতি শ্রবণসংবেদী।
· অনেক সময় কথার আক্ষরিক অর্থটাই বোঝে। অন্য অর্থ থাকলেও তা ধরতে পারে না। অটিস্টিক শিশুদের সঙ্গে বাগধারা, প্রবচন, প্রহসন, দ্ব্যর্থবোধক শব্দ ব্যবহার না করে সরাসরি সহজ ভাষায় কথা বলাই ভালো।
· অন্যের কথা বোঝা ও নিজের মনের ভাব প্রকাশ করা—দুটোই অটিস্টিক শিশুর জন্য কঠিন। সে কথা শুনতে পায়, কিন্তু সরাসরি যদি তাকে না বলা হয় অথবা পুরোটা না বলা হয়, তাহলে তার অন্তর্নিহিত অর্থ বুঝতে অনেক সময় সমস্যা হয়।
· অন্যের সঙ্গে তুলনা করেই আপনার শিশুটি অটিস্টিক ভেবে বিভ্রান্ত হবেন না। প্রয়োজনে মনোরোগবিদ বা শিশুবিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট।
সূত্র-প্রথম আলো

