কীভাবে জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে লড়াই করে টিকে থাকতে হয়, সেই শিক্ষা বাংলাদেশের কাছ থেকে নেবে বিশ্ববাসী। বাংলাদেশের মানুষের শক্তিকে আরও ভালোভাবে জানাতে কাজ করবে ক্লাইমেট চেঞ্জ রেজিলিয়েন্স একাডেমি।
গতকাল শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে ওই রেজিলিয়েন্স একাডেমির কার্যক্রম শুরু হওয়ার বিষয়টি জানান দিতে এক সেমিনারের আয়োজন করা হয়। প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তুলেছেন ইনডিপেনডেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (আইক্যাড), জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয় ও মিউনিখ রি ফাউন্ডেশন।
সেমিনারে আলাস্কা থেকে আফগানিস্তান, হন্ডুরাস থেকে মোজাম্বিকের মানুষ কীভাবে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা করে টিকে আছে, তার চিত্র তুলে ধরেন ওই দেশগুলো থেকে আসা গবেষকেরা। সেমিনারে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আইনুন নিশাত বলেন, ‘বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের যে প্রভাব শুরু হয়েছে, তা খুব সামান্যই। সামনের দিনে এই পরিবর্তন আরও খারাপভাবে টের পাওয়া যাবে।’ বাংলাদেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগের পরীক্ষাগার হিসেবে বর্ণনা করেন আইনুন নিশাত। স্বাগত বক্তব্যে আইক্যাডের পরিচালক সালেমুল হক বলেন, বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে অনেক ধরনের গবেষণা হয়েছে। কিন্তু এর বেশির ভাগই মানসম্পন্ন নয়।
আয়োজকেরা জানান, মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতাকে দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিশ্বের জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কাজ করা নীতিনির্ধারকদের কাছে পৌঁছে দেওয়াই হবে এই একাডেমির কাজ। প্রতিষ্ঠানটির সামনের দিনের কার্যক্রম পর্যালোচনা করতে বাংলাদেশে এসেছিলেন বিশ্বের জলবায়ুবিষয়ক ৪৩ জন গবেষক।
বাংলাদেশ সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড স্টাডিজের (বিসিএএস) নির্বাহী পরিচালক আতিক রহমানের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয়ের জলবায়ু পরিবর্তন বিভাগের প্রধান কোকো ওয়ার্নার, মিউনিখ রি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান থমাস লস্টার।
এই একাডেমির পরবর্তী সভা হবে জার্মানির মিউনিখ শহরে।
সূত্র - প্রথম আলো

