দেশে ওষুধের পাইকারি বিক্রি কমেছে, খুচরা বিক্রি বেড়েছে। তবে ওষুধ কোম্পানিগুলো নীতি-নৈতিকতা না মেনে ওষুধ বিপণন করছে। শনিবার 'স্বাস্থ্যসেবা ও ওষুধশিল্পের বর্তমান অবস্থা এবং ভবিষ্যৎ করণীয়' শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এ কথা বলেন। বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটি গতকাল ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এই বৈঠকের আয়োজন করে।
সোসাইটির সভাপতি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক আ ব ম ফারুক মূল উপস্থাপনায় বলেন, গত ৪ বছরে ওষুধের বাজারে খুচরা দোকানের মাধ্যমে ওষুধের বিক্রি বেড়েছে, পাইকারি দোকানের মাধ্যমে বিক্রি কমেছে। সাধারণত নকল-ভেজাল-নিম্নমানের ওষুধ পাইকারি বাজারের মাধ্যমে বেশির ভাগ বিক্রি হয়। ওষুধ কোম্পানির ওষুধের অনৈতিক বিপণনকে উৎসাহিত করার জন্য পাইকারি বাজার উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে। পাইকারি বিক্রি কমে যাওয়ার খবর তাই ভোক্তার জন্য সুখবর।
আলোচনায় অংশ নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সহ-উপাচার্য অধ্যাপক রশীদ-ই-মাহবুব বলেন, কিছু ওষুধ কোম্পানি বিপণনের নীতি-নৈতিকতা মানছে না। এ ক্ষেত্রে ওষুধশিল্প সমিতি ভূমিকা নিতে পারে।
ফার্মেসি গ্র্যাজুয়েটস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইশতিয়াক আহমেদ বলেন, আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে ওষুধনীতি আলোর মুখ দেখছে না।
বৈঠকে আরো বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যাবিষয়ক সম্পাদক বদিউজ্জামান ভূঁইয়া, ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক জহুরুল হক, ইব্রাহিম মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক এম আবু সাইদ এবং হোমিওপ্যাথি বোর্ডের সভাপতি দিলীপ কুমার রায়।
সূত্র - যায়যায়দিন

