home top banner

খবর

কোমরে ব্যথা
২৩ জুন, ১৩
 Posted By:   Healthprior21
  Viewed#:   95

আগে মানুষের ধারণা ছিল কোমর ব্যথা শুধু বয়স্কদের হয়, কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে কোমর ব্যথা যেকোন বয়সেই হতে পারে। মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধি, কর্পোরেট পেশা, নগরায়ণ, শরীর চর্চার অভাব, চলাফেরা-শোয়া-বসায় ভুল অবস্থান, শারীরিক দুর্ঘটনা প্রভৃতি কারণে কোমর ব্যথার রোগী দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
 
কোমর ব্যথার কারণ:
 
কোমর ব্যথার অনেক কারণ রয়েছে। এর মধ্যে ৯০ ভাগই ‘মেকানিক্যাল সমস্যা’। মেকানিক্যাল সমস্যা বলতে মেরুদন্ডের মাংশপেশি, লিগামেন্ট মচকানো, আংশিক ছিঁড়ে যাওয়া, দুই কশেরুকার মধ্যবর্তী ডিস্ক সমস্যা, কশেরুকার অবস্থানের পরিবর্তন ও মেরুদন্ডের নির্দিষ্ট বক্রতার পরিবর্তনকে বোঝায়। চলাফেরা, জীবিকার ধরণ, খুব বেশী ভার বা ওজন বহন, মেরুদন্ডের অতিরিক্ত নড়াচড়া, একটানা বসে বা দাঁড়িয়ে কোনো কাজ করা, মেরুদন্ডে আঘাত পাওয়া সর্বোপরি কোমরের অবস্থানগত ভুলের জন্য হয়ে থাকে। অন্যান্য কারণের মধ্যে হতে পারে বয়সজনিত মেরুদন্ডের ক্ষয় বা বৃদ্ধি, অষ্টিওঅ্যাথ্রাইটিস বা গেঁটে বাত, অষ্টিওপোরোসিস, এনকাইলজিং স্পনডাইলোসিস, মেরুদন্ডের স্নায়বিক সমস্যা, টিউমার, ক্যান্সার, বোন টিবি, কোমরের মাংসপেশির সমস্যা, পেটের বিভিন্ন ভিসেরার রোগ বা ইনফেকশন, বিভিন্ন স্ত্রীরোগজনিত সমস্যা, মেরদিন্ডের রক্তবাহী নালির সমস্যা, অপুষ্টিজনিত সমস্যা, মেদ বা ভুঁড়ি, অতিরিক্ত ওজন।
 
উপসর্গ :
 
কোমরের ব্যথা আস্তে আস্তে বাড়তে পারে বা হঠাৎ প্রচন্ড ব্যথা হতে পারে। নড়াচড়া বা কাজকর্মে ব্যথা তীব্র থেকে তীব্রতর হতে পারে। ব্যথা কোমরে থাকতে পারে বা কোমর থেকে পায়ের দিকে নামতে পারে অথবা পা থেকে কোমর পর্যন্ত উঠতে পারে। আবার মেরুদন্ডের পেছনে দিকে দিয়ে মাথা পর্যন্ত উঠতে পারে। রোগী অনেকক্ষণ বসতে বা দাঁড়িয়ে থাকতে পারে না। ব্যথার সঙ্গে পায়ে শিন শিন বা ঝিন ঝিন জাতীয় ব্যথা নামতে বা উঠতে পারে। হাঁটতে গেলে পা খিঁচে আসে বা আটকে যেতে পারে, ব্যথা দুই পায়ে বা যেকোন এক পায়ে নামতে পারে। অনেক সময় বিছানায় শুয়ে থাকলে ব্যথা কিছুটা কমে আসে। এভাবে দীর্ঘদিন চলতে থাকলে রোগীর কোমর ও পায়ের মাংসপেশির ক্ষমতা কমে আসে এবং শুকিয়ে যেতে পারে, সর্বোপরি রোগী চলাফেরার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে।
 
প্রতিকার :
 
* ফার্মাকোথেরাপি : চিকিৎকরা রোগীকে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সাধারণত ব্যথানাশক ঔষুধ, মাসল রিলাক্সজেন ও সেডেটিভজ জাতীয় ঔষুধ প্রয়োগ করে থাকেন। যেহেতু ঔষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বা নির্দিষ্ট মাত্রা রয়েছে সে জন্য অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শমতো ঔষুধ সেবন করা আবশ্যক।
 
* ফিজিওথেরাপি : কোমর ব্যথাজনিত সমস্যার অত্যাধুনিক চিকিৎসা হচ্ছে ফিজিওথেরাপি। গবেষনায় দেখা গেছে বেশির ভাগ কোমর ব্যথা রোগী অপারেশন না করে ম্যানুয়াল থেরাপি, ইন্টারফেরেনশিয়াল থেরাপি, ম্যানুপুলেশন থেরাপি, অটো ট্রাকশন উইথ ডিকম্প্রেশন থেরাপি নিয়ে সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন। তা ছাড়া চিকিৎসা চলা অবস্থায় বিভিন্ন ব্যায়াম, কোমরে নির্দিষ্ট অর্থোসিস বা ব্রেস প্রয়োগ করে থাকেন। এতে করে অপারেশনের জটিলতা থেকে মুক্ত থাকা যায়।
 
ডিস্ক প্রলাপ্স হলে ৪-৬ সপ্তাহ ফিজিওথেরাপি হাসপাতালে র্ভতি থেকে প্রত্যহ ৩/৪ বার ফিজিওথেরাপি নিলে রোগী সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠে। পরর্বতিতে রোগীকে চিকিৎসকের র্নিদেশমত ব্যয়াম ৩-৬ মাস চালিয়ে যেতে হয়।
 
* সার্জারি : যদি দীর্ঘদিন ফার্মাকোথেরাপি ও ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা চালানোর পরও রোগীর অবস্থার পরিবর্তন না হয় রোগীকে অবস্থা অনুযায়ী কোমর-মেরুদন্ডের অপারেশনের প্রয়োজন হয়।
 
প্রতিরোধ
 
কোমর ব্যথা উপরে উল্লেখিত চিকিৎসা পদ্ধতিতে ভালো হওয়ার পরও আবার দেখা দিতে পারে। যেহেতু কোমর ব্যথা বারবার দেখা দিতে পারে বা যারা এখনো এ জাতীয় সমস্যায় ভোগেননি, তারা নিচের পরামর্শ মেনে চলতে পারেন। তবে ব্যায়াম করার আগে আপনার জন্য কি ব্যায়াম, তার জন্য অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। কারণ ভুল ব্যায়ামের কারণে সমস্যা আরো বেড়ে যেতে পারে। সুনির্দিষ্ট কিছু ব্যায়াম শুরুর আগে কিছু ষ্ট্রেচিং ব্যায়াম করলে অনেক উপকার পাওয়া যায়।
 
যেহেতু আধুনিক এই যুগেও কোমর ব্যথা একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত স্বাস্থ্য সমস্যা তাই এ সমস্যার সমাধানে প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম।
 
* পায়ের মাংসপেশির স্ট্রেচিং
 
দেয়ালের কোণে গিয়ে এক পা সামনে এক পা পেছন দিয়ে দাঁড়ান। পেছনের হাঁটু সোজা রেখে সামনে ঝুঁকি দুই হাত দিয়ে সামনের দুই পাশের দেয়ালের ধাক্কা দিন । এতে পায়ের কাফ মাসল টোন পড়বে।
 
* কোয়াড্রিসেপস বা উরুর সামনের মাংসপেশির স্ট্রেচিং
 
সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে যে কোন এক হাঁটু ভাঁজ করে ওই পায়ের গোড়ালি নিতম্বের সঙ্গে লাগতে চেষ্টা করুন। এতে ঊরুর সামনের মাংসপেশিতে টান পড়বে।
 
* হ্যামষ্ট্রিং বা উরুর পেছনের মাংসপেশি স্ট্রেচিং
 
টুল বা বেঞ্চের ওপর এক পা সোজা করে রেখে পায়ের পাতা এক হাত দিয়ে নিজের দিকে টানতে হবে। এতে ঊরুর পেছনের মাংসপেশিতে টান লাগবে।
 
* নিতম্ব বা হিপের সামেনর মাংসপেশির স্ট্রেচিং
 
ডান হাঁটু ভাঁজ করে বসে বাম পায়ের পাতা সোজা ভাবে ফ্লোরে রাখুন। এরপর সামনে ঝুঁকুন। একইভাবে অন্য পায়ের জন্য করুন। এতে নিতম্বের সামনের মাংসপেশি টান হবে।
 
* ইলিওটিবিয়াল ব্যান্ড স্ট্রেচিং
 
এক পায়েল সামনে অন্য পা ক্রস করে পাচ দিন। এতে ইলিওটিবিয়াল ব্যান্ডে টান পড়বে।
 
অবস্থাগত কোমর ব্যথা সায়টিকা রোগ বা ডিস্ক প্রলেপস রোগের ব্যায়াম:
 
* প্রথমে সতর্কতার সঙ্গে উপুড় হয়ে শুয়ে পড়ুন। এবার কনুইয়ের ওপর ভর করে বুক ও মাথা খুব ধীরে ধীরে উপরে ওঠান। পাঁচ সেকেন্ড থেকে ৩০ সেকেন্ড এ অবস্তানে থাকুন। প্রতিবেলায় ছয় বার করুন।
 
* উপুড় হয়ে শুয়ে পড়–ন। এ অবস্থা থেকে দুই হাতের তালুর ওপর ভর দিয়ে মাথা ও বুক তুলুন, যেন তলপেট বিছানায় লাগানো থাকে। পাঁচ সেকেন্ড এভাবে থাকুন। ব্যায়ামটি ১০ বার করুন।
 
* উপুড় হয়ে শুয়ে পড়ুন। হাত দুটি কোমরের পেছনে রাখুন। এ অবস্থায় নিচের দিকে তাকিয়ে ধীরে ধীরে মাথা ও বুক ওপরের দিকে ওঠান। পাঁচ সেকেন্ড রাখুন। আস্তে আস্তে নামান। দিনে দুই বেলা পাঁচ থেকে ১০ বার করুন।
 
* উপুড় হয়ে শুয়ে পড়ুন। বুক ও মাথা মেঝের সঙ্গে লাগিয়ে রাখুন। এবার দুই হাত একসঙ্গে দু-তিন ইঞ্চি উঠিয়ে কয়েক সেকেন্ড রাখুন। এবার ডান হাত ও বাম পা একসঙ্গে উঠিয়ে কয়েক সেকেন্ড রাখুন, এবার নামিয়ে ফেলুন। একইভাবে বাম হাত ও ডান পা উঠিয়ে নামিয়ে ফেলুন।
 
স্পন্ডাইলসিস, মাংসপেশি বা লিগামেন্টজনিত সমস্যা, স্নায়বিক সমস্যাজনিত ব্যায়ামঃ
 
* চিৎ হয়ে শুয়ে হাত দুটো ভাঁজ করে বুকের ওপর রাখুন, হাঁটু দুটি ভাঁজ করুন। এবার আস্তে আস্তে মাথা, কাঁধ ও পিঠ ফ্লোর বা বিছানা থেকে ওপরে তুলন, বেশি ওপরে তুলবেন না (যাদের ঘাড়ে ব্যথা আছে তারা এ ব্যায়ামটি করার সময় মাথার পেছনে হাত রাখুন)
 
* চিৎ হয়ে শুয়ে পড়–ন। এবার ডান পা ভাঁজ করে বুকের কাছে নিয়ে আসুন, পা সোজা করে আস্তে আস্তে নামিয়ে ফেলুন। একই ভাবে অন্য পায়ের জন্য করুন।
 
* তৃতীয় ব্যায়মটি আগের ব্যায়ামের মতো একটি ব্যায়াম। সোজা হয়ে দাঁড়ান। এবার কোমরে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে ধীরে ধীরে পেছনে ঝুঁকুন। এবার ধীরে ধীরে সোজা হন।
 
অ্যারোবিক ব্যয়াম
 
* ষ্টেচিং ব্যায়াম ও নির্দিষ্ট ব্যয়াম ছাড়াও মেরুদন্ডের সুস্থতা ও কোমর ব্যথার জন্য প্রয়োজন অ্যারোবিক ব্যায়াম। যেমন-
 
* সাঁতার কাটা।
 
* নিয়মিত হাঁটা।
 
* আস্তে আস্তে দৌড়ানো।
 
দৈনন্দিন কাজে সর্তকর্তা নিচ থেকে কিছু তোলার সময় ঃ
 
* কোমর ভাঁজ করে কিংবা ঝুঁকে তুলবেন না। হাঁটু ভাঁজ করে তুলন।
 
* ঘাড়ের ওপর কিছু তুলবেন না।
 
* ভারী জিনিস শরীরের কাছাকাছি রাখুন।
 
* পিঠের ওপর ভারী কিছু বহন করার সময় সামনের দিকে ঝুঁকে বহন করুন।
 
দাঁড়িয়ে থাকার সময়
 
* ১০ মিনিটের বেশি দাঁড়িয়ে থাকবেন না।
 
* হাঁটু না ভেঙ্গে সামনের দিকে ঝুঁকবেন না।
 
* দীর্ঘক্ষন হাঁটুতে বা দাঁড়াতে হলে উঁচু হিল পরবেন না।
 
* অনেকক্ষন দাঁড়াতে হলে কিছুক্ষণ পর পর শরীরের ভর এক পা থেকে অন্য পায়ে নিন।
 
* দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে হলে ছোট ফুট রেস্ট ব্যবহার করুন।
 
যানবাহনে চড়ার সময়
 
* গাড়ি চালানের সময় ষ্টিয়ারিং হুইল থেকে দুরে সরে বসবেন না। সোজা হয়ে বসুন।
 
* ভ্রমনে ব্যথার সময় লাম্বার করসেট ব্যবহার করুন।
 
বসে থাকার সময়
 
* আপনার চেয়ারটি টেবিল থেকে বেশি দূরে নেবেন না।
 
* সামনে ঝুঁকে কাজ করবেন না।
 
* মেরুদন্ড বাকিয়ে হেল বসবেন না।
 
* কোমরের পেছনে সার্পোট দিন।
 
* এমনভাবে বসুন যাতে উরু মাটির সমান্তরালে থাকে।
 
* নরম গদি বা স্প্রিংযুক্ত সোফা বা চেয়ারে বসবেন না।
 
শোয়ার সময়
 
* উপুড় হয়ে শোবেন না। ভাঙ্গা খাট, ফোম বা স্প্রিংয়ের খাটে শোবেন না।
 
* সমান তোশক ব্যবহার করুন।
 
* বিছানা শক্ত, চওয়া ও সমান হতে হবে। শক্ত বিছানা বলতে সমান কিছুর ওপর পাতলা তোশক বিছানাকে বোঝায়।
 
মেয়েরা যেসব নিয়মকানুন মেনে চলবেন
 
* অল্প হিলের জুতো বা স্যান্ডেল পরুন, বিভিন্ন জুতোর হিলের উচ্চতা বিভিন্ন না হওয়াই উচিত।
 
* তরকারি কাটা, মসলা পেষা, কাপড় কাচা ও ঘর মোছার সময় মেরুদন্ড সাধারণ অবস্থায় এবং কোমর সোজা রাখুন।
 
* কোমর ঝুঁকে বাচ্চাকে কোলে নেবেন না। ঝাড়ু দেওয়া, টিউবওয়েল চাপার সময় কোমর সোজা রাখবেন।
 
* পানি ভরা কলস বা বালতি, ভারী আসবাবপত্র তুলতে প্রথমে হাঁটু ভাঁজ করে বসবেন এবং কোমর সোজা রাখবেন।
 
* মার্কেটিং বা শপিংয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হলে ১০ থেকে ১৫ মিনিট দাঁড়ানো বা হাঁটার পরে বিশ্রামের জন্য একটু বসবেন।
 
* বিছানা গোছানোর সময় কোমর ভাঁজ না করে বরং হাঁটু ভেঙে বসা উচিত।
 
কোমর ব্যথা বেশি হলে বিছানা থেকে শোয়া ও ওঠার নিয়ম
 
* চিৎ হয়ে শুয়ে এক হাঁটু ভাজ করুন।
 
* এবার অন্য হাঁটটিু ভাঁজ করুন। হাত দুটি বিছানায় রাখুন।
 
* এবার ধীরে ধীরে এক পাশে কাত হোন।
 
* পা দুটি বিছানা থেকে ঝুঁলিয়ে দিন, এবার শরীরের যে দিক কাত হয়ে আছে সেদিকের হাতের কনুই এবং অপর হাতের তালুর ওপর ভর দিয়ে ধীরে ধীরে উঠে বসুন।
 
* দুই হাতের ওপর ভর দিয়ে বসুন এবং মেঝেতে পা রাখুন।
 
* এবার দুই হাতের ওপর ভর দিয়ে সামনে ঝুঁকে দাঁড়ান।
 
 
Source - Poriborton.com

Please Login to comment and favorite this News
Next Health News: ওষুধ কোম্পানিগুলো বিপণনের নীতি মানছে না
Previous Health News: ‘হিটস্ট্রোক’ এড়াতে ৬টি উপায়

আরও খবর

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় অ্যান্টিবায়োটিক!

সম্প্রতি এক গবেষণায় জানা গেছে, কম বয়সে অ্যান্টিবায়োটিক খেলে পরবর্তী ক্ষেত্রে মানব শরীর বিভিন্ন ধরনের রোগ প্রতিরোধ করতে সক্ষম থাকে৷ কলোম্বিয়ার ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যায়লের এ গবেষণা অনুযায়ী, অন্ত্রে বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া বিরাজ করে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা স্বাস্থ্যকর রাখে৷ কিন্তু... আরও দেখুন

ঢাবিতে মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন উদ্বোধন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগ ও বাংলাদেশ ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে  ‘Mental Health Gap in Bangladesh: Resources and Response’ শীর্ষক চার দিনের চতুর্থ মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধন  হয়েছে। বুধবার ঢাকা... আরও দেখুন

৯টি ভয়ংকর সত্যি, যা আপনাকে ডাক্তাররা জানান না!

অনেক সময় কোনো ওষুধ একটি রোগ সারিয়ে তুললে, সেই ওষুধই অন্য একটি অসুখকে আমন্ত্রণ জানিয়ে রাখে। এমনকি এক্স রে রশ্মিও আমাদের শরীরে ক্যান্সারের মতো মারণ রোগের জন্ম দেয়। ওষুধের প্রভাবে কী কী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে ১. ওষুধে ডায়াবিটিস বাড়তে পারে: সাধারণত ইনসুলিনের অভাবে ডায়াবিটিস হয়।... আরও দেখুন

প্রাকৃতিক ভায়াগ্রা হর্নি গোটউইড

চীনের একটি গাছের নাম হর্নি গোটউইড। এই গাছ থেকেই অদূর ভবিষ্যতে সস্তায় মিলবে ভায়াগ্রার বিকল্প ওষুধ। পুরুষাঙ্গকে দৃঢ়তা প্রদানের জন্য যে যৌগটি দরকার, সেই আইকারিন প্রচুর পরিমাণে রয়েছে হর্নি গোটউইডে। এই উপদানটিকে প্রকৃতিক ভায়াগ্রা হিসেবে শনাক্ত করেছেন ইউনিভার্সিটি অফ মিলানের গবেষক ডা. মারিও ডেল... আরও দেখুন

ব্রেন ক্যানসার থেকে মুক্তি দেবে ‘সোনা’

ব্রেন ক্যানসার চিকিৎসায় এবার ব্যবহৃত হবে সোনা৷ কারণ সোনা নাকি ব্রেন ক্যানসার থেকে মুক্তি  দিতে পারে৷ বিজ্ঞান পত্রিকা ন্যানোস্কেল অনুযায়ী, ব্রেন ক্যানসারের  চিকিৎসার সোনার একটি অতি সুক্ষ টুকরো সাহায্যকারী প্রমাণিত হতে পারে৷ বৈজ্ঞানিকরা একটি সোনার টুকরোকে গোলাকৃতি করে... আরও দেখুন

যৌবন ধরে রাখতে অশ্বগন্ধা

বাতের ব্যথা, অনিদ্রা থেকে বার্ধক্যজনিত সমস্যা। এ সবের নিরাময়ে অশ্বগন্ধার বিকল্প নেই। তেমনটাই তো বলেন বিশেষজ্ঞরা। এমনকি যৌবন ধরে রাখতেও অশ্বগন্ধার উপকারিতা অনস্বীকার্য। ত্বকের সমস্যাতেও দারুণ কাজ দেয় অশ্বগন্ধার ভেষজ গুণ। বিদেশেও এর চাহিদা ব্যাপক। সে কারণেই অশ্বগন্ধা চাষ অত্যন্ত লাভজনক।... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')