home top banner

খবর

সত্য-মিথ্যা নির্ণয়ে মনের কথা শুনুন
৩০ মার্চ, ১৪
Tagged In:  psychology  human psychology   Posted By:   Healthprior21
  Viewed#:   22

কেউ সত্য না মিথ্যা বলছে, তা নির্ণয়ে অচেতন মনের ভেতর থেকে আসা প্রথম প্রতিক্রিয়াটাকেই গুরুত্ব দিন। মনোবিজ্ঞানের গবেষকেরা বলছেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সত্য-মিথ্যা নির্ণয়ে আমাদের মৌল প্রবৃত্তি আমাদের বিচারবুদ্ধির চেয়ে বেশি সঠিক। তবে অচেতন মনের কথা শোনার চর্চা বাড়াতে পারলে এসব বিষয়ে মানুষের সক্ষমতা বাড়তে থাকে। ‘সাইকোলজিকাল সায়েন্স’ সাময়িকীতে প্রকাশিত এক গবেষণার বরাত দিয়ে বিবিসি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার লেয়ান টেন ব্রিংকে এবং তাঁর সহযোগী মনোবিজ্ঞানীরা এ গবেষণা পরিচালনা করেছেন। এতে দেখা গেছে, সচেতন চিন্তাভাবনার মধ্য দিয়ে বেশির ভাগ সময়ই সত্য-মিথ্যা নির্ণয়ে ব্যর্থ হয়েছেন পরীক্ষণে অংশ নেওয়া স্বেচ্ছাসেবকেরা। কিন্তু যখন বিষয়টা নিয়ে চিন্তাভাবনা না করে প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় নিজের অচেতন মনে যা এসেছে, তাকেই সঠিক বলে ধরে নিয়েছেন, তখন দেখা গেছে তাঁরা মিথ্যা শনাক্তকরণে বেশি সফল হচ্ছেন।

গবেষকেরা এ ঘটনায় অবাক হয়েছেন জানিয়ে লেয়ান টেন ব্রিংকে বলেন, ‘যদি মিথ্যা নির্ণয়ে আমাদের সক্ষমতা সচেতন মনের মধ্যে না থাকে, তাহলে আমরা তা নিয়ে বেশি চিন্তাভাবনা করে তা কখনোই বের করতে পারব না। তাই আমরা ভাবছি যে অচেতন মনে এ ঘটনার একটা ব্যাখ্যা হতে পারে।’

কেউ সত্য না মিথ্যা বলছে, তা বোঝার জন্য অনেক ক্ষেত্রেই বেশির ভাগ মানুষ বক্তার মুখের ভঙ্গি, বক্তার চেহারায় দুর্বলতার ছাপ আছে কি না বা তিনি অপ্রতিভ হয়ে যাচ্ছেন কি না ইত্যাদি সূত্র ধরে সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু এ প্রক্রিয়ায় ভালো ফল পাওয়া যায় না বলে তাঁরা পরীক্ষণে দেখতে পেয়েছেন।

একই সঙ্গে গবেষকেরা লক্ষ করেছেন, শিম্পাঞ্জির মতো স্তন্যপায়ী প্রাণীরা ‘প্রতারণা’ বা ‘মিথ্যা’র বিষয়টি দ্রুতই বুঝতে পারে এবং এ বিষয়ে সক্ষমতার বিষয়টিকে বিবর্তন বা টিকে থাকার লড়াইয়ে তাদের সাফল্যের একটা বড় কারণ বলে মনে করা হয়।

বিষয়টা পরীক্ষার জন্য গবেষকেরা স্বেচ্ছাসেবকদের একটা চুরির ঘটনার (সাজানো) ভিডিও দেখতে বলেন। ওই ঘটনায় একটা বইয়ের তাক থেকে ১০০ ডলার চুরি হয় এবং সন্দেহভাজন বেশ কিছু মানুষের চলাফেরা ও কর্মকাণ্ড দেখানো হয়। সবাইই বলেন যে তাঁদের কেউই টাকাটা চুরি করেননি। পাত্র-পাত্রীদের মধ্যে কে মিথ্যা বলছেন, সে বিষয়ে চিন্তাভাবনা করে মাত্র ৪৩ ভাগ ক্ষেত্রে মিথ্যাবাদীদের এবং ৪৮ ভাগ ক্ষেত্রে সত্যবাদীদের চিহ্নিত করতে পেরেছেন স্বেচ্ছাসেবকেরা।

পরবর্তী আরেকটি পরীক্ষায় ওই চুরির ঘটনায় সন্দেহভাজনদের এই ছবি দেখানো হয় স্বেচ্ছাসেবকদের। ছবির সঙ্গে ‘সত্ বা অসত্’, ‘সত্যবাদী বা মিথ্যাবাদী’ এমন কিছু শব্দও বলা হয়। আর ছবি ও শব্দ দেখে তাত্ক্ষণিকভাবে প্রতিক্রিয়া জানাতে বলা হয় স্বেচ্ছাসেবকদের। দেখা যায়, দ্বিতীয় ক্ষেত্রে তাত্ক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় জবাব দেওয়ার সময় আগের পরীক্ষার চেয়ে ভালো করেছেন অংশগ্রহণকারীরা।

সূত্র - প্রথম আলো

Please Login to comment and favorite this News
Next Health News: মাদকে নয়, প্রিসলির মৃত্যু হৃদরোগে!
Previous Health News: রোদে পুড়ে শিশুদের পাঠ গ্রহণ

আরও খবর

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় অ্যান্টিবায়োটিক!

সম্প্রতি এক গবেষণায় জানা গেছে, কম বয়সে অ্যান্টিবায়োটিক খেলে পরবর্তী ক্ষেত্রে মানব শরীর বিভিন্ন ধরনের রোগ প্রতিরোধ করতে সক্ষম থাকে৷ কলোম্বিয়ার ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যায়লের এ গবেষণা অনুযায়ী, অন্ত্রে বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া বিরাজ করে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা স্বাস্থ্যকর রাখে৷ কিন্তু... আরও দেখুন

ঢাবিতে মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন উদ্বোধন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগ ও বাংলাদেশ ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে  ‘Mental Health Gap in Bangladesh: Resources and Response’ শীর্ষক চার দিনের চতুর্থ মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধন  হয়েছে। বুধবার ঢাকা... আরও দেখুন

৯টি ভয়ংকর সত্যি, যা আপনাকে ডাক্তাররা জানান না!

অনেক সময় কোনো ওষুধ একটি রোগ সারিয়ে তুললে, সেই ওষুধই অন্য একটি অসুখকে আমন্ত্রণ জানিয়ে রাখে। এমনকি এক্স রে রশ্মিও আমাদের শরীরে ক্যান্সারের মতো মারণ রোগের জন্ম দেয়। ওষুধের প্রভাবে কী কী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে ১. ওষুধে ডায়াবিটিস বাড়তে পারে: সাধারণত ইনসুলিনের অভাবে ডায়াবিটিস হয়।... আরও দেখুন

প্রাকৃতিক ভায়াগ্রা হর্নি গোটউইড

চীনের একটি গাছের নাম হর্নি গোটউইড। এই গাছ থেকেই অদূর ভবিষ্যতে সস্তায় মিলবে ভায়াগ্রার বিকল্প ওষুধ। পুরুষাঙ্গকে দৃঢ়তা প্রদানের জন্য যে যৌগটি দরকার, সেই আইকারিন প্রচুর পরিমাণে রয়েছে হর্নি গোটউইডে। এই উপদানটিকে প্রকৃতিক ভায়াগ্রা হিসেবে শনাক্ত করেছেন ইউনিভার্সিটি অফ মিলানের গবেষক ডা. মারিও ডেল... আরও দেখুন

ব্রেন ক্যানসার থেকে মুক্তি দেবে ‘সোনা’

ব্রেন ক্যানসার চিকিৎসায় এবার ব্যবহৃত হবে সোনা৷ কারণ সোনা নাকি ব্রেন ক্যানসার থেকে মুক্তি  দিতে পারে৷ বিজ্ঞান পত্রিকা ন্যানোস্কেল অনুযায়ী, ব্রেন ক্যানসারের  চিকিৎসার সোনার একটি অতি সুক্ষ টুকরো সাহায্যকারী প্রমাণিত হতে পারে৷ বৈজ্ঞানিকরা একটি সোনার টুকরোকে গোলাকৃতি করে... আরও দেখুন

যৌবন ধরে রাখতে অশ্বগন্ধা

বাতের ব্যথা, অনিদ্রা থেকে বার্ধক্যজনিত সমস্যা। এ সবের নিরাময়ে অশ্বগন্ধার বিকল্প নেই। তেমনটাই তো বলেন বিশেষজ্ঞরা। এমনকি যৌবন ধরে রাখতেও অশ্বগন্ধার উপকারিতা অনস্বীকার্য। ত্বকের সমস্যাতেও দারুণ কাজ দেয় অশ্বগন্ধার ভেষজ গুণ। বিদেশেও এর চাহিদা ব্যাপক। সে কারণেই অশ্বগন্ধা চাষ অত্যন্ত লাভজনক।... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')