মানুষের প্রতিদিনকার খাদ্যাভ্যাসে চিনির পরিমাণ অর্ধেকে নামিয়ে আনা উচিত। এমন দিক-নির্দেশনা দিচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন খাবার খাওয়ার মাধ্যমে মোট যে ক্যালোরি মানুষ গ্রহণ করে, তার মধ্যে চিনির পরিমাণ ১০ শতাংশের নিচে থাকা উচিত। তবে, আমাদের টার্গেট নির্ধারণ করতে হবে ৫ শতাংশে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পুষ্টি বিষয়ক পরিচালক ডক্টর ফ্র্যান্সেসকো ব্র্যাঙ্কা বলেছেন, সম্ভব হলে আমাদের লক্ষ্যমাত্রা হওয়া উচিত ৫ শতাংশ। তাতে অতিরিক্ত আরও কিছু সুবিধা পাওয়া যাবে। শরীরকে সুস্থ-সবল ও রোগমুক্ত রাখতে চিনি গ্রহণে নিয়ন্ত্রিত এ সীমারেখাটি অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে। আর সেটা প্রযোজ্য খাবার তৈরিতে যে কোন ধরনের সুগার প্রয়োগের বেলায়। মধু, সিরাপ, ফলের রস ও তরলীকৃত ঘন ফলের রসের বেলাতেও সেটা সমভাবে প্রযোজ্য। কারণ, এগুলোতে প্রাকৃতিকভাবেই চিনি বিদ্যমান। বৃটেনের পরিমিত চিনি খাওয়ার প্রচারণার সঙ্গে সম্পৃক্তরা বলছেন, এটা ভীষণ দুঃখজনক যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে তার পরামর্শ পরিবর্তনের জন্য ১০ বছরেরও বেশি ভাবতে হলো। ২০০২ সালে খাদ্যের সঙ্গে গ্রহণ করা ক্যালোরিতে ১০ শতাংশের বেশি চিনি না থাকার ব্যাপারে পরামর্শ প্রস্তাবটি পাস করা হয়েছিল। বিশেষজ্ঞদের অনেকেই ১০ শতাংশ চিনিকে অনেক বেশি মনে করেন। এর মূল কারণটা বিশ্বজুড়ে স্থূলকায় বা মোটা মানুষদের সংখ্যাটা উদ্বেগজনক হারে বাড়তে থাকা। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি। স্বাস্থ্য-বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বাভাবিক ওজনের একজন মানুষ দিনে খাবারের সঙ্গে প্রায় ৫০ গ্রাম পর্যন্ত চিনি খেতে পারেন।
সূত্র - দৈনিক মানবজমিন

