জন হপকিন্স ইউনিভার্সিটি স্কুল অব মেডিসিনে যেসব পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তি হেলিকোব্যাক্টর পাইলোরিতে সংক্রমিত হয়েছেন তাদের নিয়ে একটি সমীক্ষা পরিচালনা করা হয়। সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিদের দু’মাস ধরে প্রতিদিন আড়াই আউন্স করে ব্রকোলি স্প্রাউট অথবা একই পরিমাণে আলফা আলফা স্প্রাউট খেতে দেওয়া হয়। আট সপ্তাহ পর তাদের মল ও নিঃশ্বাস পরীক্ষা করে দেখা যায় যারা ব্রকোলি স্প্রাউট খেয়েছিলেন তাদের হেলিকোব্যাক্টর পাইলোরির বায়োমার্কার উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে। অন্যদিকে যারা আলফা আলফা স্প্রাউট গ্রহণ করেছিলেন তাদের ক্ষেত্রে কোনো পরিবর্তন ধরা পড়েনি।
চিকিত্সকের দৃষ্টিতে ব্রকোলি স্প্রাউট ব্যবহারে হেলিকোব্যাক্টর পাইলোরির সংক্রমণ কমা নিঃসন্দেহে সুসংবাদ। কারণ এই ব্যাক্টেরিয়া আলসার ও পরিপাকতন্ত্রের ক্যানসার সৃষ্টি করে। ব্রকোলি স্প্রাউট সালফোরাফেন নামক একটি জৈব রাসায়নিকে সমৃদ্ধ। এই জৈব রাসায়নিকটি পরিপাকতন্ত্রের এনজাইম উপাদনে জোরালো ভূমিকা রাখে এবং এটি মারাত্মক ক্যানসার উত্পাদনকারী রাসায়নিক ও প্রদাহের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দেয়। তদুপরি ব্রকোলি স্প্রাউট দেহকে ক্যানসার-উত্পাদনকারী রাসায়নিক বিষমুক্ত করতেও সহায়তা করে। তাই সুস্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য আপনার খাবারে প্রতিদিন আড়াই আউন্স পরিমাণে ব্রকোলি স্প্রাউট যোগ করুন।
সূত্র - shokalerkhabor.com

