দেশের ৮১ শতাংশ পরিবার এখন আয়োডিনযুক্ত ভোজ্য লবণ ব্যবহার করছে। আর দেশে এখন যত লবণ উত্পাদিত হচ্ছে, তার ৫২ শতাংশে আয়োডিন মেশানো হচ্ছে।
বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্প করপোরেশনের (বিসিক) সর্বজনীন আয়োডিনযুক্ত লবণ প্রকল্পের আওতায় দেশে উত্পাদিত ভোজ্য লবণে আয়োডিনের স্থায়িত্ব প্রাক্কলনবিষয়ক এক কর্মশালায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যুরো অব রিসার্চ, ট্রেনিং অ্যান্ড কমিউনিকেশনের উদ্যোগে রাজধানীর বার্ক সম্মেলনকক্ষে গতকাল শনিবার এ কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট ইনিসিয়েটিভ (এমআই) ও কানাডা ফরেন অ্যাফেয়ার্স ট্রেড অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এতে সহায়তা করেছে। বিসিক থেকে আজ রোববার বিকেলে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
কর্মশালায় জানানো হয়, আয়োডিনযুক্ত লবণ উত্পাদন, বিপণন ও ব্যবহার আরও ফলপ্রসূ ও যুগোপযোগী করতে আয়োডিনের অভাবজনিত রোগ প্রতিরোধ আইন ১৯৮৬ সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আইনটির সংশোধন হলে লবণে অভিন্ন মাত্রায় আয়োডিন মেশানোর সুযোগ তৈরি হবে। আবার এর ফলে পটাশিয়াম আয়োডেড আমদানিতে বৈদেশিক মুদ্রার ব্যবহার কমে আসবে।
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি প্রকৌশল ও কারিগরি অনুষদের ডিন মোসলেহউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিসিকের চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর শিকদার, দুই পরিচালক পতিত পাবন বৈদ্য ও আবু তাহের খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র -প্রথম আলো

