
ওজন আর মেদ কমানো নিয়ে আমাদের অনেকেরই দুশ্চিন্তার অন্ত নেই। অথচপ্রতিদিনের খাবারের তালিকায় কিছু খাবার উপাদান রাখলেই ওজন সমস্যা সহজেইসমাধান করতে পারি আমরা। তার জন্য অবশ্য একটু সচেতন হওয়া জরুরি।
নিচের খাদ্য উপাদানগুলো অনুসরণ করলে এতে করে প্রাকৃতিকভাবেই আমরা ওজনসমস্যার সমাধান করতে পারি। নিয়মিত খাবারের তালিকায় এসব উপাদান রাখলে আমাদেরব্যায়ামের মত কঠিন কাজও সবসময় করতে হবে না। এমনকি মেদ কমাতে ওষুধ সেবন বাকোন বিশেষ চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না।
আপেল
প্রতিদিন আপেল খেলে শরীরের মেদ সেল কমতে থাকে। আপেলের খোসা অকল্পনীয়ভাবে শরীরের ওজন কমাতে সাহায্য করে থাকে।
আখরোট
আখরোট এক ধরনের ফল। আখরোট ওমেগা-৩ এর মত কাজ করে। আখরোটলিনোলিনিক এসিডতৈরি করে এবং শরীরের মেদ কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিন একটি করে আখরোট খেলেআপনার স্বাস্থ্য ঠিক রেখে শরীরের অতিরিক্ত মেদ কমিয়ে ফেলবে। এটি দেখতেস্বাস্থ্যবান বাদামের মত।
মটরশুটি
মটরশুটিতে কম মেদ হয় কিন্তু এটি শরীরে অনেক শক্তি ও প্রোটিন যোগায়।নিরামিষভোজীদের জন্য মটরশুটি একটি অত্যন্ত প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার। এটি একটিবিপাকীয় পরিবেশের জন্য উত্তম খাদ্য।
আদা
আদা একটি অকল্পনীয় খাদ্য যার অনেক গুণ। এটি খাদ্য হজমের সমস্যা সমাধানকরে। এটা খাওয়ার পর শরীরে অস্বস্তিকরভাবকমায় ও রক্ত প্রবাহ বৃদ্ধি করে।এসিড সমস্যা সমাধান করে আদা। যদি আপনি ওজন কমাতে চান তাহলে প্রতিদিনেরখাবারে আদা রাখুন এবং ক্যালরি সঞ্চয় করুন এবং মেদ কমান।
জইচুর্ণ
জইচুর্ণ প্রতিদিন কাজে বের হওয়ার আগে বা সাধারণ সকালের হাটার পর খেতেহবে। এটা হজমের সাথে আস্তে আস্তে কাজ করে রক্তে চিনির পরিমান ধরে রাখে এবংইনসুলিনের পরিমান ঠিক রাখতে সাহায্য করে।
গ্রীন টি
এটি এন্টি-অক্সিডেন্ট তৈরি করে শরীরের পরিবেশকে ঠিক রাখে। এটা ক্যান্সারপ্রতিরোধী কাজ করে থাকে এবং কলেস্টেরলের পরিমান ঠিক রাখতে সাহায্য করে।
গরম মরিচ
গরম মরিচ খুব দ্রুত মেদ কাটে এবং ক্যালরি তৈরি করে। এটা শরীরের চাপ কমাতে সাহায্য করে। এটা শরীরের বিপাকে সাহায্য করে থাকে।
পানি
যদিও এটা কোন খাদ্য নয় তবু্ও যথেষ্ট পরিমান পানি পান করা প্রয়োজন। এটাএকটা গুরুত্বপূর্ন উপাদান আমাদের শরীরের জন্য। যদি আপনি পরিমানমত পানি পাননা করেন তাহলে কিছুক্ষণেরমধ্যে শুষ্কতা অনুভব করবেন। বেশি বেশি পানি খেলেআপনা-আপনি মেদ কমে যায়।
ডিম
মেদ কমানোর অন্যতম একটি খাদ্য ডিম। ডিমের কুসুমের পাশের সাদা অংশ মেদ ওক্যালরি কমানোর একটি অন্যতম উপাদান। খাদ্যে বিদ্যমান কলেস্টেরল ব্যাপকপ্রভাব ফেলে শরীরের রক্তের কলেস্টেরলে। ডিমের সাদা অংশ অনেক বেশি ফ্যাটিএসিড এবং প্রোপটন সমৃদ্ধ যা সমন্বয় করে শরীরের মেদ কমায়।
ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার
আপনি অবশ্যই শুনেছেন যে ক্যালসিয়াম হাড় ও দাঁতকে মজবুত করতে সাহায্যকরে। কিন্তু এটাও সত্যি যে ক্যালসিয়াম ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।দুধের তৈরি ক্যালসিয়াম জাতীয় খাবার এবং অন্যান্য ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবারশরীরের মেদকে কমিয়ে দেয় এবং ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করে।
সূত্র - প্রথম আলো

