মলদ্বারের বাইরে বা ভেতরে চারদিকের শিরাগুলো যদি কোনো কারণ বশত ফুলে উঠে এবং প্রসারিত হয় এবং মটর দানার মতো হয় তবে এই লক্ষণকে অর্শ বলে। অর্শ রোগের একাধিক কারণ রয়েছে, যার মধ্যে অর্শের প্রধান কারণ এবং মলদ্বারের শিরাগুলো বহুবিধ আকার বৈশিষ্ট্য ও গঠন বৈচিত্র্য। কোষ্ঠকাঠিন্য দোষ এবং কুন্থন স্বভাব। মলদ্বারের শিরাগুলোর ওপর সঞ্চিত কঠিন মলের ক্রমবর্ধমান চাপ। উত্তেজক জাতীয় ওষুধ বা বিরোচক সেবন, সব সময় বসে কাজ করা, নরম গদিতে বসে থাকা, বেশি মসলা যুক্ত খাবার তেল, ঘি-মিশ্রিত খাদ্য গ্রহণ, পুরনো আমাশয় রোগ উদরাময় বা বংশগত কারণ ইত্যাদি।
লক্ষণ : মল ত্যাগ কালে খুবই কষ্ট হয়, জ্বালা, দম্পানি হয়, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পায়খানার আগে বা পরে ফোঁটা ফোঁটা অথবা পিচকারির মতো তেজে রক্ত বের হয়, সেই সঙ্গে কোমর ব্যথা, তলপেট ব্যথা এবং অস্তিত্ব বোধ হয় এই রক্ত ক্ষরণের ফলে শীঘ্রই রক্ত স্বল্পতা দেখা দেয়। রোগী অতিশয় দুর্বল হয়ে পড়ে অর্শ রোগীর প্রায় সব সময়ই কোষ্ঠবদ্ধতা থাকে।
পরামর্শ : অতিরিক্ত তেল, ঘি ও মরিচ বাটা দিয়ে প্রস্তুতকৃত তরকারি ও সব ধরনের গুরুপাক দ্রব্য আহার ত্যাগ করতে হবে, অনেক রাত পর্যন্ত জাগা অনুচিত। প্রচুর পানি পান করা, লেবু, শসা, পেঁপে, আম, কমলা, কলা, শাকসবজি প্রভৃতি খাওয়া ভালো। তবে একটা কথা অবশ্যই মনে রাখতে হবে। প্রাথমিক অবস্থা থেকেই যথাযথ চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে। অন্যথায় এ রোগের জটিলতা আরও বাড়তে পারে।
সূত্র - বাংলাদেশ প্রতিদিন

