অনেক সময় গাত্রে বা জরায়ু গহ্বরে নানা ধরনের টিউমার সৃষ্টি হতে পারে। এর আকার মটরকলই থেকে আধা কেজি পর্যন্ত এবং এক হাতে ৮-১০টি পর্যন্ত হতে পারে। কোনোকোনো টিউমার থেকে পুঁজ রক্ত বের হতে পারে আবার কোনো কোনো টিউমার থেকে এজাতীয় স্রাব নাও হতে পারে। এই জাতীয় আব বা অর্বুদকে Fibroma Myoma বলে।
কারণ : সঠিক কারণ জানা যায়নি তবে নিম্নের কারণ গুলো অনেক ক্ষেত্রেই এর সৃষ্টির জন্য দায়ী। যেমন- ১. যে কোনো বয়সেই হতে পারে, তবে ৩০-৪৫ এর মধ্যে বেশি হয়।২. বন্ধ্যা, এক সন্তান বিশিষ্টদের বেশি হয়। ৩. জরায়ু পেশির ওপর অনবরত চাপপড়া, জোর পড়া। ৪. বংশগত কারণ। ৫. হাইপার আসট্রিনিজম।
লক্ষণ : ১.বহুদিন স্থায়ী ঋতু, পেট কেটে ফেলার ন্যায় বেদনা, কাটা বর্ণের প্রদর স্রাব।অতি দুর্গন্ধযুক্ত প্রদর হয়। ২. শীর্ণতা, তৎসহ যথেষ্ট ক্ষুধা ও পিপাসা। ৩.জরায়ুতে জারাকর বেদনা, পেট ফাঁপা, মূত্ররোধ। ৪. প্রচুর পরিমাণে বহু দিনস্থায়ী ঋতু স্রাব ৫. ফুসকুড়ির মতো টিউমার, সঙ্গমকালে বেদনা। ৬. অত্যধিকশিরা স্ফীত, ঋতুস্রাবের পরপ্রচুর ঘাম। ৭. ঋতুর আগে ও পরে প্রচুরকালো দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব। ৮. জরায়ুর মধ্যস্থ সৌত্রিক টিউমার হতে রক্তস্রাব তৎসহ পিটে বেদনা। প্রাথমিক অবস্থা থেকেই লক্ষণ দেখে চিকিৎসা নিলে এসমস্যা থেকে আরোগ্য লাভ করা যায়।
সূত্র - বাংলাদেশ প্রতিদিন

