এই ঈদে নতুন পোশাক তো সবাই কিনবেন না। পুরোনো পোশাকই ধুয়ে, শুকিয়েইস্ত্রি করে পরতে পারেন। আবার পর্দা, বিছানার চাদর এসবও ধুয়ে রাখা চাই। এসবকাজে হাতে রাখা চাই অন্তত একটি দিন। ঝামেলা তো আর কম নয়। এই ধরুন, কোনোকাপড়ের প্রয়োজন হবে ড্রাইওয়াশের, আবার কোনোটা ধুয়ে নিতে পারবেন সাবানে, ডিটারজেন্ট অথবা শ্যাম্পুতে। বেছে বেছে পাঠাতে হতে পারে লন্ড্রিতেও। সেক্ষেত্রে যে কাপড় ঘরে ধুতে পারেন, তার কিছু নিয়ম আপনাকে বলে দিচ্ছেন টপক্লিন বাংলাদেশ লিমিটেডের বিপণন ব্যবস্থাপক এ কে দাশ।
কাপড় ধোয়া
রং অনুযায়ী কাপড়গুলো ভাগ করে নিন।
lহালকা গরম পানিতে ভেজাতে পারেন সুতি কাপড়। রাখতে পারেন তিন-দশ মিনিট। অন্যসব কাপড় ঠান্ডা পানিতে ডিটারজেন্টে ভিজিয়ে সঙ্গে সঙ্গে ধুয়ে ফেলুন। যদিসম্ভব হয় জর্জেট, উলেন, শিফন, সিল্ক বা এ-জাতীয় যেকোনো পোশাক ড্রাইওয়াশকরিয়ে নিন। অথবা শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
কাপড় শুকানো
সুতি কাপড় ধোয়ার পর চিপে পানি ঝরিয়ে নিন। অন্যান্য কাপড়ের পানি ঝরাতে ঝুলিয়ে মেলে দিন বাতাসে।
যেকোনো কাপড় বাতাসে শুকানো হলে ভালো। এ ক্ষেত্রে ঘরের ভেতর ফ্যানের বাতাসেও শুকাতে পারেন। এতে কাপড় নরম থাকবে।
কাপড় ইস্ত্রি করা
কাপড় ইস্ত্রি করার সময় তার নিচে পাতলা কোনো চাদর বা কাঁথা এবং ওপরে হালকা ভেজা কোনো কাপড় দিয়ে নিন। এতে কাপড়ের ঔজ্জ্বল্য বাড়বে।
কাপড় তুলে রাখবেন যেভাবে
কোনো অবস্থাতেই হালকা ভেজাকাপড়ও তুলে রাখা যাবে না। এতে তিলা পড়ে পোশাক নষ্ট হয়ে যাবে। কাপড়ের ভাঁজেনিমপাতা, ন্যাপথলিন অথবা কালোজিরা দিয়ে রাখতে পারেন। পলিথিনে জড়িয়ে রাখলেওভালো থাকবে কাপড়। বললেন গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজের গৃহায়ণ ওগৃহব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক রীনাত ফওজিয়া। এই ঈদে অনেকেই ঈদকরতে যাবেন গ্রামের বাড়িতে। এতে ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ রাখতে হবে কয়েক দিন।পুরোনো চাদর দিয়ে বিছানা, সোফাসহ ঘরের আসবাব ঢেকে রেখে যেতে পারেন। আরজানালার পর্দা খুলে রেখে দিতে পারেন ভাঁজ করে।
সূত্র - প্রথম আলো

