home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

ঘরের ধুলো থেকে অ্যালার্জি
০৭ অক্টোবর, ১৩
Tagged In:  dust allergy  
  Viewed#:   137

বছরব্যাপী মানুষ ভোগে নাক থেকে পানি ঝরায়, চোখ চুলকানি, চোখ থেকে পানি ঝরায়। তার মূল কারণ ঘরের ধুলোর জীবাণু। ধুলোর কারণে অ্যাজমা রোগীদের শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়, নিঃশ্বাসের সাথে সাথে কাশি হয়। ঘরের ধুলো থেকে অ্যালার্জি হয় কেন ঘরের ধুলো প্রকৃতপক্ষে অনেক জিনিসের মিশ্রণ। এর উপাদানগুলো কম-বেশি হতে পারে এক ঘর থেকে আরেক ঘরের ফার্নিচারের প্রকারভেদে, ঘর তৈরির উপাদানের কারণে, পোষা প্রাণীর উপস্থিতির কারণে, আর্দ্রতার কারণে। ধুলোর মধ্যে থাকতে পারে সুতোর আঁশ, মানব দেহের ত্বকের মৃত কোষ, প্রাণীর লোম, আণুবীক্ষণিক জীবাণু, তেলাপোকার প্রত্যঙ্গ, ছত্রাকের জীবাণু, খাদ্যকণা এবং আরো অনেক পরিত্যক্ত ুদ্র জিনিস। এতগুলোর মধ্যে প্রাণীর লোম, তেলাপোকা এবং ধুলোর জীবাণু হচ্ছে প্রধান তিন বিপজ্জনক বস্তু। কোনো ব্যক্তি এগুলোর যেকোনোটির কারণে ভুগতে পারেন এবং সে যখন ধুলোর সংস্পর্শে আসে, তখন অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া ঘটে।

ধুলোর অ্যালার্জি হলে কি বলা চলে যে এটি একটি নোংরা বাড়ি?
না, নোংরা বাড়ির কারণে অ্যালার্জি সমস্যা বেড়ে যেতে পারে যদিও। স্বাভাবিক ঘর পরিষ্কারের প্রক্রিয়া ধুলোর অ্যালার্জি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য যথেষ্ট নয়। কারণ ধুলোর সব উপাদান এভাবে দূর করা সম্ভব নয়। যেমন আপনি ভ্যাকুয়াম কিনার দিয়ে যত চেষ্টাই করান না কেন, কার্পেট, মাদুর ও বালিশ থেকে ধুলোর জীবাণু দূর করতে পারবেন না বরং এতে পরিস্থিতি আরো খারাপ হয়ে পড়তে পারে। ধুলোর জীবাণুগুলো কী কী অতি ুদ্র আণুবীক্ষণিক এই প্রাণীগুলো আটপায়ের অ্যারাকনাইড পরিবারের অন্তর্গত। আঁটুলি পোকা এবং চিগার একই পরিবারভুক্ত। এগুলো শক্ত দেহের অধিকারী। এরা ৭০০ ফারেনহাইট বা তার উচ্চ তাপমাত্রায় ভালোভাবে বাঁচতে পারে। ৭৫-৮০ শতাংশ আর্দ্রতাই এদের পছন্দ। আর্দ্রতা ৪০-৫০ শতাংশের কম হলে এদের বংশবৃদ্ধি হয় না। শুষ্ক আবহাওয়ায় এদের দেখা যায় না। দেখা গেছে, ১০ শতাংশ মানুষ এদের কারণে আক্রান্ত হয়। অ্যাজমা রোগীদের মধ্যে ৯০ জনই এদের সংস্পর্শে এলে অ্যালার্জি প্রতিক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়। এই জীবাণুদের দেহ ও মুখমণ্ডলের সংস্পর্র্শে এলে মানুষের অ্যালার্জি হয়। এদের সবচেয়ে বেশি দেখা যায় বালিশে, মাদুরে, কার্পেটের ভাঁজে এবং আসবাবপত্রের তলায়। ঝাড়–দিলে বা ভ্যাকুয়াম কিনার প্রয়োগ করলে এরা বাতাসে ভাসতে থাকে অথবা হেঁটে হেঁটে অন্যপ্রান্তে সরে যায়। অ্যালার্জি রোগীদের শ্বাসের সাথে শরীরে প্রবেশ করে এবং উপসর্গ বাড়িয়ে দেয়। প্রকৃতপক্ষে যে ব্যক্তি দিনে আট ঘণ্টা ঘুমান তার নাক জীবনের এক তৃতীয়াংশ সময় বালিশে বাসা বেঁধে থাকা জীবাণুগুলোর প্রত্যক্ষ সংস্পর্শে থাকে। এক প্রান্তের ধুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ ১৯ হাজার পর্যন্ত জীবাণু থাকতে পারে। গড়ে এই সংখ্যা প্রতি গ্রামে ১০ হাজার। প্রত্যেক জীবাণু দিনে ১০টি নতুন জীবাণু সৃষ্টি করে। এদের বেঁচে থাকার মেয়াদ ৩০ দিন। এদের খাদ্য মূলত পশুর লোম এবং ত্বকের মৃত কোষ। সুতরাং যেখানে মানুষের বাস, সেখানেই এদের বসবাস। এরা কামড়ায় না, অন্য কোনো রোগ ছড়ায় না এবং মানুষের শরীরে বাসা বাঁধে না। এরা শুধু সেই মানুষগুলোর প্রতিই ক্ষতিকর যাদের এই জীবাণুদের প্রতি অ্যালার্জি রয়েছে। সাধারণত বাড়িতে যেসব জীবাণুরোধক ব্যবহার করা হয়, তা দিয়ে এদের অপসারণ করা যায় না, ফলে ঘরে ধুলোর জীবাণুর পরিমাণ কমানো সম্ভব হয় না।

ঘরের ধুলোতে ছত্রাক থাকে কেন?
ছত্রাক থাকে সাধারণত বাইরের বাতাসে। তবে যেকোনো বাড়িতেই ছত্রাকের কলোনি তৈরি হওয়া সম্ভব। বাড়ির বাসিন্দারা হয়তো দেয়ালে ছত্রাকের কলোনি দেখতে পায় না। কিন্তু সেটি ঠিকই তৈরি হতে থাকে। দু’টি জিনিস ঘরের মধ্যে ছত্রাকের কলোনি গড়তে বিশেষ ভূমিকা রাখে। বেশি আর্দ্রতা শতকরা ৫০ ভাগের বেশি। পানির পাইপে ুদ্র ফুটা বা যেকোনো পানির প্রবাহ এতে ভূমিকা রাখে। দেয়ালে কোনো বোর্ড থাকলে বা স্যাঁতসে্যঁতে আসবাব থাকলে সেখানে ছত্রাক জন্মায়। ছত্রাকের স্পোর কাপড়ের মাধ্যমে ছড়ায়। এই স্পোর থেকে সুনির্দিষ্ট জীবনচক্রের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ ছত্রাক তৈরি হয় অনুকূল পরিবেশে। যেসব রোগীর ছত্রাকে অ্যালার্জি আছে, তারা ছত্রাক অধ্যুষিত বাড়িতে থাকলে নিশ্চিতভাবে ছত্রাকজনিত অ্যালার্জির শিকার হয়। কারণ তারা নিঃশ্বাসের সাথে ছত্রাক গলাধঃকরণ করে।

ঘরের ধুলোতে তেলাপোকা থাকে কি?
তেলাপোকার বিভিন্ন প্রত্যঙ্গ ঘরের ধুলোতে মিশে থাকে। বিশেষ করে পুরোনো বাড়ি ও ফাটবাড়ি যেখানে বিভিন্ন ফাটে বিভিন্ন পরিবার বাস করে, সেখানে তেলাপোকা নির্মূল করা প্রায় অসম্ভব কাজ। অ্যালার্জি আক্রান্ত ব্যক্তি বিশেষ করে অ্যাজমা রোগী এই ধরনের বাড়িতে গেলে তার উপসর্গ বেড়ে যায়। বেঁচে থাকা ও বংশবিস্তার করার জন্য তেলাপোকার দরকার খাদ্য ও আর্দ্রতা। এগুলো থেকে বঞ্চিত করতে তেলাপোকার হাত থেকে কিছুটা রক্ষা পাওয়া যায়।

ঘুরের ধুলোর অ্যালার্জি কি মওসুমি? 
দেখা গেছে, আমেরিকাতে ধুলোর জীবাণুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি হয় জুলাই আগস্ট মাসে। ডিসেম্বর পর্যন্ত এই উচ্চ সংখ্যা বজায় থাকে। বসন্তের শেষের দিকে ধুলোর জীবাণুঘটিত অ্যালার্জির সংখ্যা সবচেয়ে কম থাকে আমেরিকায়, এ ধরনের কিছু রোগী জানিয়েছেন যে, তাদের উপসর্গ সবচেয়ে বেশি হয় শীতকালে। এর কারণ হচ্ছে মৃত জীবাণু এবং জীবিত জীবাণুদের বর্জ্য উভয়ই অ্যালার্জি প্রতিক্রিয়া বাড়িয়ে দেয়। বিভিন্ন মওসুমে ছত্রাকের পরিমাণেও কমবেশি ঘটে। দেখা যায় গ্রীষ্মের সময় তেলাপোকার পরিমাণ বেশি হয়। বাতাসে ধুলোকণার পরিমাণ বেশি হয়। আর গ্রীষ্মকালে মানুষ বাড়িতে সচরাচর বেশি সময় কাটায় বলে এই সময়ে অ্যালার্জির উপসর্গও বৃদ্ধি পায়।

কিভাবে বুঝবেন যে আপনার ধুলোজনিত অ্যালার্জি রয়েছে
এ ক্ষেত্রে আপনাকে অ্যালার্জি বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিতে হবে। তিনি আপনার উপসর্গগুলো লক্ষ করবেন, আপনার গৃহ ও কর্মস্থলের পরিবেশ সম্পর্কে জানতে চাইবেন। প্রশ্ন করবেন আপনার অভ্যাস, পারিবারিক রোগের ইতিহাস, উপসর্গ কমা-বাড়ার প্রবণতা, পোষা প্রাণীর ধরন সম্পর্কে। তারপরে তিনি আপনার শরীরে একটি পরীক্ষা করবেন যার নাম স্কিল-প্রিক টেস্ট। সেই সাথে রক্তপরীক্ষারও প্রয়োজন হতে পারে। এই ধরনের অ্যালার্জির উপসর্গ কমাতে কী করবেন তিনটি মৌলিক চিকিৎসার ধাপ রয়েছে: ধুলোর জীবাণু থেকে দূরে থাকা। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ গ্রহণ ও ইমিউনোথেরাপি।

কিভাবে ধুলোর জীবাণু থেকে দূরে থাকবেন 
পরিবেশ নিয়ন্ত্রণের আগে আপনাকে নিশ্চিত হতে হবে যে ঠিক কোন ধরনের ধুলো উপাদান থেকে আপনি অ্যালার্জিতে আক্রান্ত হচ্ছেন। ধুলোর জীবাণু পরিপূর্ণভাবে অপসারণ করা দুঃসাধ্য ব্যাপার, তবে আপনি কিছু পদ্ধতি গ্রহণ করতে পারেন, যাতে পরিমাণটা অন্তত কম থাকে। অ্যালার্জি বিশেষজ্ঞ এ ব্যাপারে আপনাকে পরামর্শ দিতে পারেন। শোবার ঘরের দিকে বিশেষ নজর দিন গড়পড়তা হিসেবে মানুষ তার জীবনের এক-তৃতীয়াংশ সময় কাটায় বেডরুমে। সমীক্ষায় দেখা গেছে ধুলোর জীবাণুর পরিমাণ বেশি থাকে শোবার ঘরে। এ জন্য ধুলো-অ্যালার্জিতে আক্রান্ত ব্যক্তিকে শোবার ঘরের দিকে বেশি মনোযোগ দিতে হবে।

বেছে নিন এমন শোবার জিনিসপত্র যেগুলো ধুয়ে পরিষ্কার করা যায় এবং যাতে অ্যালার্জির পরিমাণ কম থাকে। বালিশে ফোম বা তুলো ব্যবহার না করে সিনথেটিক জিনিস ব্যবহার করুন। সপ্তাহে অত্যন্ত একবার বিছানাপত্র ধুলে রেখে শুকিয়ে নিন।

সম্ভব হলে বেডরুমে এয়ারকন্ডিশনার ও আর্দ্রতারোধক যন্ত্র ব্যবহার করুন। আর্দ্রতা কম থাকলে জীবাণু ও তেলাপোকার বংশবিস্তার রোধ হবে।

জানালায় সূক্ষ্ম কাপড়ের ফিল্টার ব্যবহার করতে পারেন। এগুলো ঘন ঘন বদলাতে হবে।

কাপড়চোপড় কোজেটে রাখুন। কোজেটের ঢাকনা বন্ধ রাখবেন।

ঘরে কোনো মৃত প্রাণী বা প্রাণীর অংশ থাকলে অবিলম্বে বাইরে ফেলে দিন।

শোবার ঘরে কখনো পোশা প্রাণী ঢুকতে দেবেন না।

মেঝের ধুলো কমানো
নিয়মিত বিরতিতে ঘর পরিষ্কার করুন। মেঝে মোছার সময় স্যাঁতস্যেঁতে ও তৈলাক্ত কাপড় ব্যবহার করবেন না। ঘর পরিষ্কারের সময় মুখে মাস্ক ব্যবহার করুন।

শোবার ঘরে কার্পেট ব্যবহার না করাই উত্তম। ব্যবহার করলেও এমন ধরনের কার্পেট নেবেন যেগুলোর আঁশ সুবিন্যস্ত।

যেসব জিনিস ও আসবাবপত্র নিয়মিত পরিষ্কার করা সম্ভব নয়, সেগুলো বেডরুমে না রেখে অন্যত্র সরিয়ে ফেলুন।

ঘরের বাতাসের ধুলো কমানো 
এমন ধরনের এয়ারকন্ডিশনার ব্যবহার করুন যার দ্বারা ঘরের আর্দ্রতা ৫০ শতাংশের নিচে রাখা সম্ভব।

এসির ফিল্টার নিয়মিত পরিষ্কার করুন। প্রয়োজনে ঘন ঘন ফিল্টার পরিবর্তন করতে হবে। তবে মনে রাখবেন যে, ধুলোর জীবাণু বেশিক্ষণ বাতাসে থাকতে পারে না। তাই মেঝে ও দেয়াল পরিষ্কারের দিকেই আপনাকে বেশি নজর দিতে হবে।

সূত্র - দৈনিক নয়া দিগন্ত

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: ঈদের রান্নাঘর
Previous Health Tips: সদিচ্ছায় ধূমপান এড়ানো সম্ভব

আরও স্বাস্থ্য টিপ

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... আরও দেখুন

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... আরও দেখুন

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... আরও দেখুন

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... আরও দেখুন

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... আরও দেখুন

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')