home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

সুস্থ হার্টের লক্ষ্যে পথ চলা
০৬ অক্টোবর, ১৩
Tagged In:  keep heart healthy  
  Viewed#:   220

বিশ্বেরএক নম্বর হন্তারক রোগ হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে হৃদরোগকে। প্রতি বছর ১৭দশমিক ৩ মিলিয়ন বা প্রায় পৌনে দু্ই কোটি মানুষ মারা যাচ্ছেন এ রোগে। তাইআন্তর্জাতিক হার্ট দিবসে বিশ্বেই এ বিষয়টির প্রচারণার সুযোগ গ্রহণ করেথাকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এমন একটি ধারণা প্রায় মিথ হিসেবেই প্রচলিতরয়েছে যে কার্ডিওভাস্কুলার ডিজিজ (সিভিডি) বা হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের শিকার সাধারণত বয়স্ক এবং মূলত পুরুষ। এটি যে সত্য নয় তা বলাই বাহুল্য।পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, শিশু এবং নারীরাও অধিকতর হৃদরোগের ঝুঁকির ভেতরেঅবস্থান করছে। আর সে কারণেই এবারের বিশ্ব হার্ট দিবসে শিশু ও নারীর ওপর বিশেষ দৃষ্টিদানের কথা বলা হচ্ছে।

এবারের থিম বা প্রতিপাদ্য হলো_ 'টেক দ্যরোড টু এ হেলদি হার্ট' বা 'সুস্থ হার্টের লক্ষ্যে পথ চলা'।মূলত হৃদরোগপ্রতিরোধ এবং নিয়ন্ত্রণের ওপরেই জোর দেওয়া হয়েছে। সময়ের সঙ্গে পাল্লাদিয়ে বদলাচ্ছে হৃদরোগের বিভিন্ন চিকিৎসা পদ্ধতি। এরকম একটি পদ্ধতিহলিস্টিক। এ চিকিৎসা হলো আধুনিক প্রযুক্তি ও প্রাচীন প্রাকৃতিক পদ্ধতিরআশ্চর্য সমন্বয়। এ চিকিৎসার মূল চাবিকাঠি হলো খাদ্যাভ্যাস, যোগব্যায়াম, প্রাণায়াম, মেডিটেশন ও নিউরোবিক। রোগীর বয়স এবং রোগের ধরন এবং তারবর্তমান অবস্থার ওপরই নির্ভর করে তার প্রতিদিনের খাদ্যগ্রহণ। পুষ্টিকর ওপরিমিত আহার তাকে ফিট রাখে। আর ব্যায়ামের ব্যাপারটি বিবিধ। তার আগে মননিয়ন্ত্রণের জন্য চাই সঠিক উপায়ে মেডিটেশন। মানসিক চাপই মানুষের অসুখ ওঅশান্তির মূল কারণ। মানসিক চাপ কমানোর বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।মহাজাগতিক শক্তি থেকে জ্যোতি বা প্রাণরস আহরণের কথাও বলা হয়ে থাকে। এসবঅর্জনের কাজটি কিন্তু অত সহজ নয়। তার জন্য নিয়মিত সময় দিতে হয়, চর্চাকরতে হয় সঠিক নিয়ম মেনে।

মানসিক উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা, আবেগের আগ্রাসন, কাজের বাড়তি চাপ, জীবনযাপনের চাপ প্রভৃতি হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।হলিস্টিক চিকিৎসায় সোল-মাইন্ড-বডি বা আত্দ-মন-দেহ সব কিছুর ওপরেই লক্ষ্যরেখে প্রোগ্রাম দেওয়া হয়। অথচ প্রথাগত পদ্ধতির চিকিৎসা ব্যবস্থায় কেবলদেহ বা শরীরের ওপরেই ফোকাস করে থাকে। এখানেই হলিস্টিক চিকিৎসার অগ্রসরতা।

বিশ্বহার্ট দিবসে আমরা অবশ্যই হৃদয়ের কথা শুনবো। ফিরে তাকাবো আমাদের হার্টেরসুস্থতার দিকে। হার্ট সুস্থ রাখার জন্য যা যা করা দরকার তা করতে সচেষ্ট হব।কিন্তু ইতোমধ্যেই যারা হৃদরোগের শিকার হয়েছেন তাদের সামনে প্রচলিতচিকিৎসার পাশাপাশি এ চিকিৎসার দিকটিও তুলে ধরতে হবে। বর্তমানে এ পদ্ধতিওএকটি আধুনিক ও গ্রহণযোগ্য। তথ্যপ্রযুক্তির যুগে তথ্যভাণ্ডার উন্মুক্ত করেদিতে হবে মানুষের সামনে। হৃদরোগ থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য সচেতনভাবেই সুস্থহার্টের লক্ষ্যে এখনই যোগব্যায়াম, প্রাণায়াম, মেডিটেশন ও নিউরোবিক পথ চলাশুরু করতে হবে। এতে সব শ্রেণী, পেশা ও বয়সের মানুষের হৃদরোগ প্রতিরোধ ওযথাযথ নিয়ন্ত্রণ করা ত্বরান্বিত হবে।

সূত্র - বাংলাদেশ প্রতিদিন
 

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: রিপোর্ট নিয়ে অহেতুক দুশ্চিন্তা
Previous Health Tips: সেক্স সম্বন্ধীয় ১৩ টি অজানা তথ্য

আরও স্বাস্থ্য টিপ

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... আরও দেখুন

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... আরও দেখুন

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... আরও দেখুন

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... আরও দেখুন

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... আরও দেখুন

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')