home top banner

Health Tip

জন্ম বিরতিকরণঃ যা যা বিবেচনা করবেন
01 October,13
Tagged In:  birth control  
  Viewed#:   1993

জন্ম নিয়ন্ত্রন বা বিরতিকরনের উপায় ৩ ধরণের হয়ে থাকে - ওরাল কন্ট্রাসেপশান, ব্যারিয়ার মেথড এবং ন্যাচারাল ফ্যামিলি প্ল্যানিং ।

জন্ম বিরতিকরনের উপায় কি কি?

  • ব্যারিয়ার মেথড- পুরুষ বা মহিলাদের কনডম ব্যবহার করা। অন্যান্য ব্যারিয়ারের নামগুলো হল- ডায়াফ্রাম, সারভিক্যাল ক্যাপ এবং কন্ট্রাসেপটিভ স্পঞ্জ।
  • হরমোনাল মেথড- জন্ম বিরতিকরন বড়ি, কন্ট্রাসেপটিভ ইমপ্ল্যান্ট, কন্ট্রাসেপটিভ ইঞ্জেকশান এবং কন্ট্রাসেপটিভ প্যাচ।
  • ইন্ট্রোটেরাইন ডিভাইস বা Intrauterine devices (IUDs) – কপার IUD এবং হরমোনাল IUD।
  • স্টেরিলাইজেশান – টিউবাল লাইগেশান, মহিলাদের জন্য Essure or Adiana এবং পুরুষদের জন্য ভ্যাসেক্টমি।
  • প্রাকৃতিক উপায়ে জন্ম নিয়ন্ত্রন - rhythm, basal body temperature এবং cervical mucus methods

কিছু আছে ইমারজেন্সি কন্ট্রাসেপশান যেমন – morning-after pill, অরক্ষিত যৌন মিলন হলে জন্ম বিরত করতে ইমারজেন্সি কন্ট্রাসেপশান ব্যবহার করা হয়।

জন্ম বিরতিকরন পদ্ধতি গুলো কিভাবে কাজ করে?

বিভিন্ন পদ্ধতি বিভিন্নভাবে উপায়ে জন্ম বিরতিকরনের কাজ করে – যেমন

  • শুক্রানুকে ডিম্বানুর কাছে পৌছতে দেয় না।
  • নিষ্ক্রিয় শুক্রাণু
  • প্রতি মাসে ডিম্বানু মুক্তি রোধ করা।
  • জরায়ুর লাইনিং-এ পরিবর্তন আনে যেন এর সাথে ডিম্বানু না লেগে থাকে।
  • সারভিক্যাল মিউকাসের ঘনত্ব বাড়িয়ে দেয় যেন শুক্রাণু প্রবেশ করতে না পারে।

কোন পদ্ধতি সবথেকে বেশি কার্যকর?

জন্ম বিরতিকরনের ধারা বজায় রাখতে চাইলে অবশ্যই কোন না কোন পদ্ধতি অবলম্বন করে যেতে হবে।  ইন্ট্রোটেরাইন ডিভাইস বা Intrauterine devices (IUDs), স্টেরিলাইজেশান,কন্ট্রাসেপটিভ ইমপ্ল্যান্ট ইত্যাদি পদ্ধতিতে জন্ম বিরতিকরনের মাত্রা বেশি বা প্রেগন্যান্ট হওয়ার হার সবথেকে কম। তাছাড়া স্বামী স্ত্রী- র নিজেদের প্রচেষ্টারও প্রয়োজন কম। অন্যদিকে monitoring fertility এবং periodic abstinence –এ প্রেগ্ন্যান্সির হার বেশি থাকে। মোট কথা যে পদ্ধতিতে আপনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবেন সেই পদ্ধতিই আপনার জন্য উপযোগী।

পুনরায় কি সন্তান গ্রহন করা সম্ভব?

এটা নির্ভর করে কোন পদ্ধতি আপনি বেছে নিচ্ছেন। যদি শিঘ্রই সন্তান গ্রহনের ইচ্ছা থাকে তাহলে এমন পদ্ধতি অবলম্বন করা উচিত যে পদ্ধতি যেকোনো সময় বন্ধ করা যায় এবং অতি অল্প সময়ে পুনরায় সন্তান গ্রহনের যোগ্যতা ফেরত আসে। ওরাল কন্ট্রাসেপশান এবং ব্যারিয়ার মেথড এক্ষেত্রে সব থেকে বেশি প্রযোজ্য। যদি আপনার অতি শিঘ্র প্রেগন্যান্ট হওয়ার ইচ্ছা না থাকে তাহলে IUD করানো ভালো। IUD – তে খুব দ্রুত ফারটিলিটি আগের অবস্থায় ফেরত আসে। যদি আপনি আর কখনোই সন্তান ধারণ করতে না চান তাহলে স্থায়ী পদ্ধতি গুলোর যেকোনো একটি বেছে নেয়া উচিত যেমন – স্টেরিলাইজেশান। অনেক সময় দেখা যায় জীবনের একেক সময়ে একেক পদ্ধতি বেছে নেয়া বেশি সুবিধাজনক।

এই পদ্ধতিগুলো কোন ধর্মীয় বা সামাজিক বিশ্বাসের পরিপন্থি?

কিছু কিছু জন্ম বিরতিকরনের উপায় কোন কোন ধর্মের আদর্শের পরিপন্থি। এক্ষেত্রে ধর্মের নির্দেশের সাথে মিল রেখে যেই পদ্ধতি সবথেকে বেশি কার্যকর সেই পদ্ধতি বেছে নিন।


মায়োক্লিনিকের অবলম্বনে হেলথপ্রায়র২১ ডট কম

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: অর্শ রোগে টোটকা নয়
Previous Health Tips: ত্বকের বন্ধু ডাবের পানি

More in Health Tip

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... See details

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... See details

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... See details

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... See details

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... See details

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... See details

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')