home top banner

Health Tip

আঙুলে অঙ্গুরি
01 September,13
  Viewed#:   190

এই গরমে এত এত গয়না পরে থাকাটা তো মোটেও কাজের কথা নয়। তবে পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে অনুষঙ্গ তো

পরাই চাই। হাতে বড়একটি আংটি পরে নজর কাড়তে পারেন এই সময়ে।গয়নার দোকান অ্যারাবিয়ানসের ব্যবস্থাপক

সনৎ হাজরা বলেন, ‘সোনার দামটা এখন অনেকের নাগালের বাইরে। তাই বিকল্প হিসেবে বেছে নেওয়া যেতে পারে রুপা

কিংবা ধাতুর ওপর সোনার প্রলেপ দেওয়া আংটি। তবে এটি যেন অবশ্যই আপনার ব্যক্তিত্ব, বয়স ও পরিবেশ-

উপযোগী হয়। পাশাপাশি আংটিটি মানানসই হতে হবে আপনার হাতের গড়ন ও পোশাকের সঙ্গেও।’ফ্যাশন ডিজাইনার

লিপি খন্দকার বলেন, ‘হাতের গড়ন অনুযায়ী আংটি পরলে ভালো দেখায়। হাতের ও আঙুলের গড়ন খাটো হলে স্কয়ার,

গোলাকার অথবা এক ফুলবিশিষ্ট আংটি পরতে পারেন। এ ক্ষেত্রে আংটিগুলোর নকশা কিছুটা সমতল হলে ভালো

হয়। চিকন ও লম্বা গড়নের আঙুলে সব ধরনের আংটিই পরতে পারেন। বড়আংটি একটি আঙুলে একটিই মানায়।’ কোন

আঙুলে কেমন আংটি মানায়, তা জানিয়েছেন লিপি খন্দকার। একসময়অনামিকাতেই আংটি বেশি পরতে দেখা যেত। তবে

আজকাল সব আঙুলে এমনকি বৃদ্ধাঙ্গুলেও আংটি পরতে দেখা যায়। বৃদ্ধা ও কনিষ্ঠা আঙুলের আংটিগুলো কেনার সময়

যথাসম্ভব সমতল নকশার আংটি নির্বাচন করুন। Untitled-22আপনি চাইলে বৃদ্ধাঙ্গুলে জিগজ্যাগ, পেঁচানো নকশার

কিংবা কয়েকটি সাদামাটা আংটি একসঙ্গে করে একটা বড়আংটির মতো করে পরতে পারেন। এর মাঝে একটি ছোট

পাথরের আংটিও যোগ করা যেতে পারে। তর্জনী, মধ্যমা আর অনামিকায়পরতে পারেন যেকোনো নকশার আংটি।

ফুল, তারা, প্রজাপতি—সবকিছুই চলতে পারে এ তিনে। আংটি থেকে ঝালরের মতো ঝুলতে পারে ঝুনঝুনি কিংবা চাবির

গোছার মতো নকশাও। তবে ঝালরের মতো আংটিগুলো তরুণ বয়সীদের জন্যই অধিক মানানসই। ফতুয়া-জিনসের

মতো পাশ্চাত্য পোশাকের সঙ্গে এ আংটিগুলো একেবারে মিলে যাবে। পাশ্চাত্য পোশাকের সঙ্গে নানান রঙের

জিগজ্যাগ আংটিও বেশ মানিয়ে যায়। জমকালো দাওয়াত ও অনুষ্ঠানে সোনার প্রলেপ দেওয়া আংটি পরতে পারেন।

এতে থাকতে পারে কুন্দন ও পাথরের কারুকাজ। শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ উভয়ের সঙ্গেই মানিয়ে যায়এ আংটিগুলো।

রঙিন মিনা করা আংটিও পরতে পারেন। এ সময়ে বেশ চলছে ডায়মন্ড কাটের আংটিগুলো। ফতুয়া, জিনসের সঙ্গে দেশি

ঢঙের রঙিন পুঁতি, নারকেলের মালা, বোতামের একটি বড়আংটি বেশ ভালো লাগবে। শুধুএকটি বড়পাথরের কিংবা

একটি বোতামেরও সাদামাটা সুন্দর ও ছিমছাম হতে পারে আংটি। বড়আংটির সঙ্গে নিশ্চয়ই হাতভর্তি চুড়ি পরলে

ভালো দেখাবে না। হাতটা বরং খালি হলেই সুন্দর দেখাবে।

সুন্দর একটি আংটির জন্য হাতটাকেও রাখতে হবে সুন্দর। মাসে অন্তত একবার হাতের মেনিকিউর করিয়ে নিতে হবে।

পারলারে যাওয়া সম্ভব না হলে ঘরে বসে কুসুম গরম পানিতে শ্যাম্পুমিশিয়ে কিছুক্ষণ হাত ডুবিয়ে রেখে নখগুলো

সুন্দর করে ফাইল করে কেটে নিতে হবে। আঙুলের ভাঁজের কালো দাগ দূর করতে লেবুর খোসা ঘষে নিতে পারেন। এরপর

হাত ধুয়ে ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন। যে আংটিটি পরবেন তার সঙ্গে মিল রেখে নেইলপলিশও লাগিয়ে নিতে পারেন।

কোথায়পাবেন

নগরের বিভিন্ন শপিং মলের গয়নার দোকানে ঢুঁমারলে নিশ্চিত পেয়ে যাবেন আপনার পছন্দের আংটি। আড়ং, যাত্রা,

অঞ্জন’স, বিবিয়ানা, মায়াসির, মাদুলী ও বাংলার মেলায়পাবেন দেশি উপাদানে তৈরি বৈচিত্র্যময়নকশার আংটি।

আড়ংয়ে রুপা ও সোনার প্রলেপ দেওয়া আংটি পাবেন ৫০০ থেকে ৩০০০ টাকায়। পুঁতি ও বিভিন্ন ধাতুর তৈরি

ফ্যাশনেবল আংটি পাবেন ১০০ থেকে ৫০০ টাকায়। অঞ্জন’স-এ পাবেন কুন্দন, মুক্তা ও পাথর বসানো নানান রঙের

রুপা এবং গোল্ড প্লেটেড আংটি ৪৫০ থেকে ২৩৫৭ টাকায়। ডায়মন্ড কাটের বিদেশি আংটিগুলো পাবেন ৫০০-৩০০০

টাকায়। অ্যারাবিয়ানসে পাওয়া যাচ্ছে মিনা করা ও সোনার প্রলেপ দেওয়া আংটি। কুন্দন, রুবি ও পান্না বসানো

আংটিও রয়েছে এখানে। চাইলে ফরমায়েশ দিয়েও বানানোর সুযোগ রয়েছে। রুপার ওপর সোনার প্রলেপ দেওয়া আংটি

পাওয়া যাবে ১০০০-৮০,০০০ টাকায়। ফ্যাশন হাউস যাত্রায়পাবেন রুপা, তামা, পিতল, বিডস, সুতি ও কাঠের তৈরি

আংটি। এ ছাড়া ঢাকার বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সের শেল গ্যালারি ও স্টাইল পার্কে (বিডি) ঘুরে দেখতে পারেন।

মায়াসিরে পাবেন বড়কাঠের ও রুপার আংটি। পিরান ও মাদুলীতে পাবেন ফিউশনধর্মী আংটি। ঢাকার মেট্রো শপিং

মল, জেনেটিক প্লাজা, সীমান্ত স্কয়ার, পিংক সিটি ছাড়াও আর্চিজ ও হলমার্কের দোকানগুলোতে পেয়ে যেতে পারেন

পছন্দের বড়আংটি। দেশীয়ঘরানার আংটি পেতে যেতে পারেন শাহবাগের আজিজ সুপার মার্কেটেও। গয়না ও আংটির

জন্য চাঁদনী চক মার্কেট আর গাউছিয়া সুপার মার্কেট তো সবারই চিরচেনা। এ ছাড়া ফেসবুকের নানা পেজেও কিনতে

পাবেন রকমারি নকশার আংটি।

সূত্র - প্রথম আলো

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: Botox and fillers
Previous Health Tips: একটুখানি যত্নআত্তি

More in Health Tip

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... See details

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... See details

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... See details

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... See details

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... See details

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... See details

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')