home top banner

Health Tip

একটুখানি যত্নআত্তি
01 September,13
  Viewed#:   157

স্বাভাবিক ত্বকের টোনিং করতে দুধ, মধুআর গাজরের রস মিলিয়ে লাগাতে পারেন। দেখবেন, ত্বক আরও

উজ্জ্বল হয়ে উঠছে। শুষ্ক ত্বকে ব্যবহার করুন দুধ বা দুধের সর, মধুআর কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েল।

তৈলাক্ত ত্বকে ওটস বা লাল আটা বা যবের গুঁড়া বা ডিমের সাদা অংশের সঙ্গে টকদই মিশিয়ে টোনিং

করতে পারেন। এসবই ত্বক থেকে অতিরিক্ত তেল শুষে নিতে সাহায্য করবে।মিশ্র ত্বকে শুধুমধুআর

টকদই দিয়েই হয়ে যাবে টোনিং। স্পর্শকাতর ত্বকে টকদই, লাল আটা আর গোলাপজল মিশিয়ে লাগাতে

পারেন। সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিন টোনিং করলেই পাবেন কাঙ্ক্ষিত ত্বক।পোলাও, মাংস, কোরমা

তো খুব খাওয়া হলোই কদিন। আর রমজান মাসে খাওয়ার অভ্যাসে পরিবর্তন তো ছিলই। সব মিলিয়ে

ত্বক আর চুলে এর প্রভাব টের পাচ্ছেন এখন। হয়তো অতিরিক্ত তেলেভাজা খেয়ে দেখা দিচ্ছে ব্রণ।

কিংবা ত্বক হয়ে পড়েছে শুষ্ক, প্রাণহীন। তবে এ অবস্থা তো চলতে পারে না। এই সময়ে কীভাবে নিজের

যত্ন নেবেন তা জানাচ্ছেন আয়ুর্বেদিক রূপবিশেষজ্ঞ রাহিমা সুলতানা।এই সময়ে পানি পানের পরিমাণটা

বাড়ানো উচিত। প্রতিদিন অন্তত একটি ফল খাওয়া ভালো। সেটা আমড়া, পেয়ারা যা-ই হোক না

কেন। আর যেহেতুঈদে অনেক মাংস, কোরমা খাওয়া হলো। এখন না হয়একটুমাছ-ভাতই চলুক। সপ্তাহে

এক দিন খেতে পারেন মাংস আর প্রতিদিন মাছ খেতে পারেন। তবে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায়শাক ও

সবজি রাখাটা জরুরি। সবচেয়ে বড়যে সমাধান হলো নিজেকে ঠিক রাখার, সেটা হলো মানসিকভাবে

নিজেকে উৎফুল্ল রাখা। মানসিক চাপ এড়িয়ে চলা। আর নিজের যত্ন করা।তবে যেহেতুকয়েকটি দিন

দৌড়াদৌড়ি গেল বেশ, তাই এ সময় টোনিংটা করতে পারলে ত্বক আবার তার আগের সৌন্দর্য ফিরে

পাবে। তবে অবশ্যই টোনিং করতে হবে ত্বকের ধরন বুঝে।যেহেতুএখন ঋতুটাও বদলেছে। কখনো রোদ,

আবার কখনো বৃষ্টি। তাই ত্বক পরিষ্কার রাখাটা অনেক জরুরি। কৃত্রিম ফেসওয়াশের বদলে বাড়িতেই

বানিয়ে নিতে পারেন ক্লেনজার। মুলতানি মাটির সঙ্গে গোলাপজল মিশিয়ে যেকোনো ত্বকে ব্যবহার

করতে পারেন। তা ছাড়া ময়দা, দুধ, শসার রস, গাজরের রস, কাঁচা হলুদ, মধু, মসুর ডালের বেসন বা মসুর

ডালবাটা—এসব মিশিয়ে একটি প্যাকও বানাতে পারেন। তবে তৈলাক্ত ত্বকে দুধের বদলে টকদই ব্যবহার

করুন। আর স্পর্শকাতর ত্বকে মধুব্যবহার না করলেই ভালো।

তবে সবকিছুছাড়িয়ে মূল যে কথাটা মেনে চলার চেষ্টা করতে হবে সেটা হলো, নিজেকে ভালোবাসতে হবে।

আমরা নিজেরা যদি ভালো না থাকি, তাহলে আশপাশের কাউকে ভালো রাখতে পারব না। অবহেলায়ফেলে

রাখলে জন্মসূত্রে পাওয়া সৌন্দর্যও ধীরে ধীরে বিলীন হয়ে যায়। আর যদি ভালোবেসে নিজের একটুযত্ন

নিই, তাহলে সাধারণ মুখটিও হয়ে উঠবে আকর্ষণীয়।

সূত্র - প্রথম আলো

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: আঙুলে অঙ্গুরি
Previous Health Tips: যাদের এড়িয়ে চলবেন

More in Health Tip

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... See details

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... See details

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... See details

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... See details

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... See details

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... See details

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')