রোজা রেখে শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো
21 July,13
Viewed#: 485
নবজাতক এবং বাচ্চার জন্য মায়ের বুকের দুধই শ্রেষ্ঠ খাবার। “এক্সক্লুসিভ ব্রেস্টফিডিং “ বলতে
বুঝায় শিশুর জন্ম থেকে ছয় মাস পর্যন্ত শুধুমাত্র বুকের দুধ খাওয়ানো। এরপর থেকে দুধের সাথে
পরিপূরক অন্যান্য খাবার খাওয়ানো শুরু করতে হবে।
অনেকেই মনে করেন, রমজান মাসে মা রোজা রাখলে শিশুপর্যাপ্ত দুধ পায় না। কিন্তু অনেক গবেষণায় দেখা
গেছে, রমজানের মাসের মত অল্প কয়দিন রোজা রাখলে মায়ের বুকে দুধ আসা কমে না। শুধুমাত্র
দুধের মিশ্রণে সামান্য পরিবর্তন আসতে পারে।
রোজা রাখলে বুকের দুধে পুষ্টি উপাদান যেমন জিঙ্ক, পটাশিয়াম সামান্য কমে আসতে পারে। তবে এই উপাদানের
তারতম্যে শিশুর বৃদ্ধিতে কোন প্রভাব ফেলে না। তাই কোন মা চাইলে শারীরিকভাবে সুস্থবোধ করলে রোজা
রাখতে পারেন। এতে তার শিশুকে দুধ খাওয়াতে কোন সমস্যা হবে না। এমনকি শিশুর বয়স যদি ছয় মাসের কম হয়
তাহলেও মা চাইলে রোজা রাখতে পারেন।
কিন্তুযেসকল মায়েদের ডায়াবেটিস অথবা অন্যান্য কোন গুরুতর শারীরিক অসুস্থতা আছে তাদের রোজা
রাখার আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া উচিৎ। বিশেষ করে এক্সক্লুসিভ ব্রেস্টফিডিং-এর সময়
অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।
তবে মুসলিম মহিলারা – গর্ভাবস্থায় এবং বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় রোজা রাখায় যদি মা অথবা শিশুর
শারীরিক কোন সমস্যা হয় তাহলে তারা নিজেদের রোজা রাখা থেকে বিরত রাখতে পারেন। পরবর্তীতে পুনরায়
রোজা রেখে অথবা দান করে ছুটে যাওয়া রোজা পুষিয়ে নিতে পারেন।
তাই যেসব মায়েদের ছোট শিশুরয়েছে তারা বুকের দুধ খাওয়ানো অবস্থায় রোজা রাখতে পারেন যদি না কোন
শারীরিক অসুস্থতা থাকে। রোজা রাখলে বুকের দুধের পুষ্টিতে কোন ক্ষতি হয় না।
Source - The Daily Star
More in Health Tip
মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত...
See details
বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের...
See details
ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷
• শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে...
See details
গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি...
See details
ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব...
See details
ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক...
See details