home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

ঢ্যাঁড়সের পুষ্টিগুণ !!
২০ মে, ১৪
Tagged In:  vegetable quality  ladies finger  
  Viewed#:   412

ladies-fingerগ্রীষ্মকালীন সবজি ঢ্যাঁড়স। জনপ্রিয়তায় অন্যতম। নারীর সুডৌল আঙুলের মতো আকৃতি হওয়ায় ইংরেজ রসিকেরা এর নাম দেন ‘লেডিস ফিঙ্গার’।


ঢ্যাঁড়স সেদ্ধ ও ভাজি দুভাবেই খাওয়া যায়। তরকারি হিসেবে মাছেও ব্যবহার করা হয়। ভবিষ্যতে ব্যবহারের জন্য কচি ঢ্যাঁড়স ভালোভাবে শুকিয়ে সংরক্ষণ করে রাখা যায়। ঢ্যাঁড়সে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, লোহা ও ভিটামিন এ, বি, সি।
 
ঢ্যাঁসড়ের পড বা ফলে রয়েছে ক্যারোটিন, ফলিক এসিড, থায়ামিন, রিবোফ্লাভিন, নিয়াসিন, অক্সালিক এসিড এবং অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড। এর রিবোফ্লাভিনের পরিমাণ বেগুন, মুলা, টমেটো ও শিমের চেয়েও বেশি। প্রতি ১০০ গ্রাম ঢ্যাঁড়সে ৬৬ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ১.৫ মিলিগ্রাম লোহা, ৫২ মিলিগ্রাম ক্যারোটিন, দশমিক শূন্য ৭ মিলিগ্রাম থায়ামিন, দশমিক ১ মিলিগ্রাম রিবোফ্লাভিন, দশমিক ৬ মিলি০গ্রাম নিয়াসিন ও ১৩ মিলিগ্রাম ভিটামিন বিদ্যমান। 
 
ঢ্যাঁড়সের পাকা শুকনা বীজে ভক্ষণযোগ্য তেল রয়েছে ১৬ থেকে ২২ ভাগ। ঔষধি গুণাবলিও রয়েছে ঢ্যাঁড়সের। কোষ্ঠকাঠিন্য হলে দু-তিনটি ঢ্যাঁড়স ৪৫০ গ্রাম পানিতে এমনভাবে সেদ্ধ করতে হবে, যাতে সেদ্ধ পানির পরিমাণ দাঁড়ায় এক কাপ। তারপর পানি ছেঁকে ওই পানি পান করলে প্রস্রাব ও পায়খানা দুই-ই পরিষ্কার হবে। 

ঢ্যাঁড়স প্রোস্টেট গ্লান্ডের ক্ষরণ দূর করতে সহায়তা করে। প্রচুর পরিমাণে পানি পান করেও যখন প্রস্রাব কম হয়, তখন তিন-চারটি কাঁচা ঢ্যাঁড়স আধা লিটার পানিতে সেদ্ধ করে ওই পানি ২৫০ মিলিলিটারে নিয়ে আসতে হবে। সেদ্ধ পানি ছেঁকে পিচ্ছিল তরল পদার্থগুলো পান করলে প্রস্রাবের পরিমাণ বাড়বে। কয়েক দিন এ রকম করে খেলে প্রোস্টেট গ্লান্ডের ক্ষরণের সমস্যা দূর হয়।

খুকখুকানি কাশি দমনের জন্য বীজ ফেলা কয়েকটি কাঁচা ঢ্যাঁড়স রোদে শুকিয়ে গুঁড়ো করে পাঁচ-ছয় গ্রাম নিয়ে চিনির কড়া রসে মুড়ি বানিয়ে চুষে খেলে উপকার পাওয়া যায়। ব্লাড সুগার কমাতেও ঢ্যাঁড়স ভূমিকা রাখে। রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়তে থাকলে কালো জামের বীজ চূর্ণ করে এক গ্রাম পরিমাণ চূর্ণের সঙ্গে তিন-চারটি কচি ঢ্যাঁড়স সেদ্ধ পানির সঙ্গে মিশিয়ে কয়েক দিন খেলে ব্লাড সুগার কমে যায়।

এ ছাড়া ঢ্যাঁড়সের তরকারি গলগণ্ড রোগ ও হূৎপিণ্ডের দুর্বলতা প্রতিরোধ করে।

সূত্র - প্রথম আলো

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: গর্ভবতী মহিলাদের জন্য প্রয়োজনীয় ১০ টি পুষ্টির নাম
Previous Health Tips: যে খেলনাগুলো শিশুদের মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া ফেলে!

আরও স্বাস্থ্য টিপ

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... আরও দেখুন

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... আরও দেখুন

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... আরও দেখুন

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... আরও দেখুন

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... আরও দেখুন

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')