home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

লিভার সুস্থ রাখবে যে ৭ টি অভ্যাস
০৫ মার্চ, ১৪
Tagged In:  liver problems  healthy liver  
  Viewed#:   439

natural foodsআমাদের দেহ সুস্থ রাখতে প্রয়োজন আমাদের দেহের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের সুস্থতা। লিভার আমাদের দেহের সব চাইতে বড় একটি অঙ্গ। দেহের ইমিউন সিস্টেম, হজমশক্তি এবং পুষ্টিধারণ সহ লিভার আমাদের দেহের আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে। তাই লিভারের সুস্থতা আমাদের নিজেদের সুস্থ থাকার জন্য অত্যন্ত জরুরী।

কিন্তু আমরা নিজের অজান্তে আমাদের বাজে খাদ্যাভ্যাস এবং বাজে জীবনযাপনের জন্য প্রতিনিয়ত ক্ষতি করে যাচ্ছি আমাদের সুস্থতার কাজে নিয়োজিত এই অঙ্গটিকে। নানা ধরনের ক্ষতিকর টক্সিন পরিবেশের এবং আমাদের মাধ্যমে প্রবেশ করছে আমাদের দেহে এবং নষ্ট করে দিচ্ছে লিভারের কার্যক্ষমতা। সুতরাং নিজের ভালোর জন্য আমাদের একটু সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। প্রয়োজন লিভারের সুস্থতায় কিছু অভ্যাস গড়ে তোলা। আসুন দেখে নেই সেই সকল ভালো অভ্যাসগুলো যা আমাদের লিভারকে রাখবে সুস্থ।

প্রাকৃতিক খাবার খান
অনেকেই টিনজাত এবং বোতলজাত খাবারের প্রতি আসক্ত থাকেন। সময়ের অভাব এবং সতর্কতার অভাবে দিনে দিনে এই সকল প্রিজারভেটিভ এবং কৃত্রিম ফ্লেভারে ভরপুর এই ক্ষতিকর খাবার গুলো খাওয়ার অভ্যাস করে নিচ্ছি যা একেবারেই উচিৎ নয়। এইসকল প্রিজারভেটিভ এবং কৃত্রিম ফ্লেভার আমাদের লিভারের কার্যক্ষমতা নষ্ট করে দেয়। আমাদের যতটা সম্ভব প্রাকৃতিক খাবার খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। কোন ধরনের কৃত্রিম খাবার খাওয়া চলবে না। এতে লিভার থাকবে সুস্থ।

তৈলাক্ত এবং ফাস্টফুড জাতীয় খাবার কম খাবেন
তেলে ভাজা এবং ফাস্টফুড জাতীয় খাবার খেতে অনেক বেশী সুস্বাদু হলেও আমাদের দেহের জন্য এটি বেশ ক্ষতিকর। বিশেষ করে আমাদের লিভারের জন্য এটি মারাত্মক ক্ষতিকর। এইধরনের খাবারে অনেক ক্ষতিকর ফ্যাট রয়েছে যা লিভারে ফ্যাট জমার জন্য দায়ী। এতে করে মুটিয়ে যাওয়া এবং ফ্যাট লিভারের জন্য দায়ী রোগে আক্রান্তের সম্ভাবনা দেখা দেয়।

লিভারের সুস্থতায় কার্যকর খাবার খান
হজমশক্তি বাড়াতে বেশ কার্যকর যে খাবারগুলো সেধরনের খাবার খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করুন। সালফার সমৃদ্ধ খাবার খান। ব্রকলি, সবুজ শাক, বাঁধাকপি এবং ফুলকপি লিভারের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে কাজ করে। এছাড়া কাঁচা পেঁয়াজ এবং রসুন লিভারের জন্য ক্ষতিকর টক্সিনকে দেহ থেকে দূর করতে সহায়তা করে এবং লিভার ঠিক রাখে।

প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন water for healthy liver
দিনে ৬-৮ গ্লাস পানি পান করুন। পানি আমাদের লিভারের জন্য ক্ষতিকর টক্সিন দূর করে লিভারকে পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। যারা পানি কম খান তারা লিভারের নানা ধরনের রোগে ভুগতে পারেন। পানি কম খাবেন না।

ঔষধ খাওয়ার ব্যাপারে সতর্ক হোন
অনেকেই সামান্য কারণে ঔষধ খেয়ে ফেলেন। অনেকে ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন ছাড়াই ঔষধ খান। কিন্তু এটি লিভারের জন্য অনেক ক্ষতিকর। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোন ধরনের ঔষধ খাবেন না। বিশেষ করে কোন ব্যথানাশক ঔষধ। ব্যথানাশক ঔষধে ব্যবহৃত এনজাইম লিভারের কার্যক্ষমতা নষ্ট করে লিভার ড্যামেজ করে দিতে পারে। সুতরাং ঔষধ খাওয়ার ব্যাপারে সতর্করা অবলম্বন করুন।

নিয়মিত ব্যায়াম করুন
ব্যায়াম দেহে মেদ জমার পাশাপাশি লিভারে মেদ জমতে বাধা দেয়। এতে করে লিভারের মেদ সংক্রান্ত রোগে আক্রান্তের সম্ভাবনা অনেক কমে যায়। গবেষণায় দেখা যায় দিনে মাত্র ২০ মিনিটের ব্যায়াম লিভারের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং আমাদের ইমিউন সিস্টেম উন্নত করতে সাহায্য করে। সুতরাং প্রতিদিন নিয়ম করে ব্যায়াম করুন।

ধূমপান এবং মদ্যপান ত্যাগ করুন
অনেকেই অভ্যাসবশত এবং শখের কারণে ধূমপান এবং মদ্যপান করে থাকেন। কিন্তু সিগারেট এবং মদ লিভার সেল নষ্ট করে দেয়ার জন্য দায়ী। সামান্য পরিমান মদ্যপান এবং ধূমপান হতে পারে হেপাটাইটিস এবং লিভার সিরোসিসের মত মারাত্মক রোগের কারন। সুতরাং ধূমপান এবং মদ্যপানের অভ্যাস ত্যাগ করুন।

সূত্র - প্রিয়.কম 

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: যে কাজগুলো নষ্ট করে দিচ্ছে আপনার ঘুম
Previous Health Tips: আপনার স্ত্রী যেন আবারও আপনার প্রেমে পরে তার ২০ টি উপায়

আরও স্বাস্থ্য টিপ

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... আরও দেখুন

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... আরও দেখুন

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... আরও দেখুন

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... আরও দেখুন

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... আরও দেখুন

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')