home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

শরীরচর্চা না করে কিভাবে ওজন কমাবেন
২৭ জানুয়ারী, ১৪
Tagged In:  reduce weight  weight loss  
  Viewed#:   1077

reduce weightজিমে গিয়ে অযথা টাকা খরচ করা ওজন কমানোর একমাত্র উপায় নয়। আপনি কি খাচ্ছেন তা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু আপনি কিভাবে খাচ্ছেন তার মাধ্যমেও আপনি কাঙ্খিত ওজন অর্জনে সাহায্য পেতে পারেন। আসুন পুষ্টি সংক্রান্ত কিছু টিপস বেছে নেই যা আপনার বিপাক প্রক্রিয়া বাড়াতে সাহায্য করবে। এগুলি অনুসরণ করার মাধ্যমে আপনি নিজে নিজেই শরীর থেকে ঘাম না ঝরিয়ে ১০ পাউন্ড ওজন কমাতে পারেন।

আপনার বিপাক ক্রিয়া যা দিয়ে বাড়াতে পারেন. . . . . .

স্বাস্থ্যকর ফ্যাট
গবেষণাতে দেখা গেছে যে সকালের নাস্তায় ফ্যাটযুক্ত খাবার গ্রহণে আপনার দেহের মেদ কমা শুরু হবে এবং তা আপনার দেহকে সারাদিন ব্যাপী আরও বেশী ক্যালরি ব্যবহারে সাহায্য করবে।
 
সকালের নাস্তায় নিম্নলিখিত খাবার খেয়ে দেখতে পারেনঃ
১ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল বা ক্যানোলা অয়েল দিয়ে রান্না করা ২ টি ডিম
হোল-হুইট টোষ্টের সাথে ২ টেবিল চামচ পিনাট বাটার
ইংলিশ মাফিনের উপর ১ ফালি অ্যাভোকাডো এবং সাথে ১ ফালি পনির
 
ঠাণ্ডা পানি
একটি গবেষণাতে দেখা গেছে প্রতি গ্লাসে ৮ আউন্স করে দুই গ্লাস পানি পানে আপনার বিপাক ক্রিয়া ৩০% বেড়ে যায় এবং পানি ঠাণ্ডা হলে তা আরও একটু বেশী বেড়ে যায়।
 
প্রতিবার খাবার গ্রহণের সময় এক গ্লাস পানিতে (বা চিনি বিহীন আইস টি যা আপনাকে এক বিন্দু ক্যাফিনও দিবে) চুমুক দিন। এর সাথে সুগন্ধ এবং ভিটামিন সি যোগ করার জন্য এক পাত্র পানিতে লেবুর টুকরা দিয়ে তা পান করার আগে সারারাত ফ্রিজে রেখে দিন।
 
দানা শস্য
গবেষণাতে দেখা গেছে যে প্রক্রিয়াজাত খাবারের চেয়ে দানা শস্য জাতীয় তাজা খাবার হজমে আপনার শরীরে আরও বেশী ক্যালরি খরচের প্রয়োজন হয়।
 
“অর্ধেক” পদ্ধতি অনুসরণ করে দানা শস্যকে রুপান্তরিত করে নিন। পাস্তা জাতীয় খাবার তৈরিতে অর্ধেক পরিমাণে দানা শস্য এবং অর্ধেক পরিমাণে এর প্রক্রিয়াজাতকৃত অংশ ব্যবহার করা শুরু করুন। আপনার নিয়মিত নাস্তায় শস্যজাত খাবারের (cereal) সাথে এর আধা কাপ উচ্চ আঁশ সমৃদ্ধ রকমের অংশ মিশিয়ে নিন (প্রতিবারের খাবারে অন্তত ৩ গ্রাম করে)।
 
মশলা
আদা এবং দারুচিনি আপনার শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়, সুতরাং তাপমাত্রা নামিয়ে আনতে আপনার বিপাক ক্রিয়া একটু বেড়ে যায়।
 
১ টেবিল চামচ আদা বাটা ওটমিল এবং smoothies এবং lemon-lime seltzer এর উপর ছড়িয়ে দিন। এক চিমটি দারুচিনি এক বোল বাটার নাট স্কোয়াশ স্যুপের সাথে মিশিয়ে নিন।    
 
 
 

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: সকাল বেলা শারীরিক সম্পর্কের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত সময় হওয়ার কারণ
Previous Health Tips: এ সময়ে গলাব্যথা?

আরও স্বাস্থ্য টিপ

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... আরও দেখুন

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... আরও দেখুন

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... আরও দেখুন

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... আরও দেখুন

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... আরও দেখুন

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')