home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

মস্তিস্কের কর্মক্ষমতা কমে যাওয়ার প্রধান ১০ টি কারণ
০৭ ডিসেম্বর, ১৩
Tagged In:  human brain  brain performance  
  Viewed#:   646

performance-of-the-brain১. উদ্দীপনা মূলক চিন্তা ভাবনার অভাব
উদ্দীপিত না হলে মস্তিক সংকুচিত হয়ে যেতে পারে। চিন্তা ভাবনা করা মস্তিস্ককে খাটানোর সবচেয়ে ভাল উপায়, সুতরাং বেশী বেশী চিন্তা করুন, বেশী বেশী লিখুন, বেশী বেশী অনুসন্ধান করুন, এর সব কয়টিই আপনার মস্তিস্ককে সতেজ রাখতে সাহায্য করবে।

২. সকালের নাস্তা উপেক্ষা করা বা একেবারেই না করা
যে সব লোকেরা সকালের নাস্তা খায় না তাদের রক্তের শর্করার মাত্রা কমে যায়, যার জন্য মস্তিস্ক পর্যাপ্ত পরিমাণে পুষ্টি উপাদানের যোগান না পাওয়ার ফলে মস্তিস্কের কর্মক্ষমতা সংকুচিত হয়ে যায়।
 
৩. বেশী খাওয়া
অনেক সময় আমরা মজাদার খাবার পেলে তা শরীরের প্রয়োজনের তুলনায় মাত্রাতিরিক্ত পরিমাণে খেয়ে ফেলি, যে কারণে মস্তিস্কের ধমনী সমুহ শক্ত হয়ে যেতে পারে, ফলশ্রুতিতে মানসিক শক্তি কমে যেতে পারে।
 
৪. ধূমপান
ধূমপান কেবল মাত্র ফুসফুসের ক্ষতিই করে না তা মস্তিস্কেরও বেশ ক্ষতি করে। সিগারেটে যে নিকোটিন থাকে তা মস্তিস্কের অনেক কোষকে সংকুচিত করে ফেলে, যার পরিনতিতে আলঝেইমার্স ডিজিজ হতে পারে।
 
৫. অতিরিক্ত মাত্রায় শর্করা গ্রহণ
খাবারে অতিমাত্রায় শর্করা প্রোটিন এবং অনান্য পুষ্টি উপাদান শোষণে বাধা দেয়, যার কারণে অপুষ্টির শিকার হতে হয় এবং মস্তিস্কের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয়।
 
৬. নিদ্রাহীনতা
দীর্ঘ মেয়াদে নিদ্রাহীন অবস্থায় থাকলে মস্তিস্কের কোষ সমুহের দ্রুত মৃত্যু ঘটে। যত বেশী কোষ মারা যাবে তত বেশী স্মৃতি হারাতে হবে।
 
৭. মাথা ঢেকে ঘুমানো
মাথা ঢেকে ঘুমালে কার্বন ডাই অক্সাইডের ঘনত্ব বেড়ে যায় এবং অক্সিজেনের ঘনত্ব কমে যায়, যা মস্তিস্কের কর্মক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে। এ অভ্যাসের কারণে ৭০ বছর বয়সের মধ্যে প্রাথমিক পর্যায়, মধ্য পর্যায় বা চূড়ান্ত পর্যায়ের মস্তিস্ক বিকৃতির ৯২.৮% সম্ভাবনা থাকে।
 
৮. একেবারে কম কথা বলা
বুদ্ধিদীপ্ত কথাবার্তা মস্তিস্কের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।
 
৯. অসুস্থতার সময় বেশী মাথা খাটানো
বিশ্রাম নিন, অসুস্থতার সময় বেশী পরিশ্রম বা পড়াশোনা মস্তিস্কের কার্যকারিতা কমিয়ে দেয় এবং সাথে সাথে একে ক্ষতিগ্রস্থ করে।
 
১০. বায়ু দূষণ
আপনি হয়ত এটা জানেন যে আপনার দেহের মধ্যে মস্তিষ্কই সবচেয়ে বেশী পরিমাণে অক্সিজেন ব্যবহার করে থাকে। সুতরাং এ অঙ্গটিই বাতাস থেকে সবচেয়ে বেশী দূষিত পদার্থ গ্রহণ করে থাকে। দূষিত বায়ু নিঃশ্বাসের সাথে গ্রহণ করলে মস্তিস্কে অক্সিজেনের সরবরাহ কমে যায়, ফলে মস্তিস্কের কার্যক্ষমতাও কমে যায়।

 

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: শুষ্ক মৌসুমে যত্ন
Previous Health Tips: রাতে ত্বকের যত্ন

আরও স্বাস্থ্য টিপ

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... আরও দেখুন

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... আরও দেখুন

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... আরও দেখুন

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... আরও দেখুন

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... আরও দেখুন

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')