মস্তিস্কের কর্মক্ষমতা কমে যাওয়ার প্রধান ১০ টি কারণ
07 December,13
Viewed#: 648
১. উদ্দীপনা মূলক চিন্তা ভাবনার অভাব
উদ্দীপিত না হলে মস্তিক সংকুচিত হয়ে যেতে পারে। চিন্তা ভাবনা করা মস্তিস্ককে খাটানোর সবচেয়ে ভাল উপায়, সুতরাং বেশী বেশী চিন্তা করুন, বেশী বেশী লিখুন, বেশী বেশী অনুসন্ধান করুন, এর সব কয়টিই আপনার মস্তিস্ককে সতেজ রাখতে সাহায্য করবে।
২. সকালের নাস্তা উপেক্ষা করা বা একেবারেই না করা
যে সব লোকেরা সকালের নাস্তা খায় না তাদের রক্তের শর্করার মাত্রা কমে যায়, যার জন্য মস্তিস্ক পর্যাপ্ত পরিমাণে পুষ্টি উপাদানের যোগান না পাওয়ার ফলে মস্তিস্কের কর্মক্ষমতা সংকুচিত হয়ে যায়।
৩. বেশী খাওয়া
অনেক সময় আমরা মজাদার খাবার পেলে তা শরীরের প্রয়োজনের তুলনায় মাত্রাতিরিক্ত পরিমাণে খেয়ে ফেলি, যে কারণে মস্তিস্কের ধমনী সমুহ শক্ত হয়ে যেতে পারে, ফলশ্রুতিতে মানসিক শক্তি কমে যেতে পারে।
৪. ধূমপান
ধূমপান কেবল মাত্র ফুসফুসের ক্ষতিই করে না তা মস্তিস্কেরও বেশ ক্ষতি করে। সিগারেটে যে নিকোটিন থাকে তা মস্তিস্কের অনেক কোষকে সংকুচিত করে ফেলে, যার পরিনতিতে আলঝেইমার্স ডিজিজ হতে পারে।
৫. অতিরিক্ত মাত্রায় শর্করা গ্রহণ
খাবারে অতিমাত্রায় শর্করা প্রোটিন এবং অনান্য পুষ্টি উপাদান শোষণে বাধা দেয়, যার কারণে অপুষ্টির শিকার হতে হয় এবং মস্তিস্কের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয়।
৬. নিদ্রাহীনতা
দীর্ঘ মেয়াদে নিদ্রাহীন অবস্থায় থাকলে মস্তিস্কের কোষ সমুহের দ্রুত মৃত্যু ঘটে। যত বেশী কোষ মারা যাবে তত বেশী স্মৃতি হারাতে হবে।
৭. মাথা ঢেকে ঘুমানো
মাথা ঢেকে ঘুমালে কার্বন ডাই অক্সাইডের ঘনত্ব বেড়ে যায় এবং অক্সিজেনের ঘনত্ব কমে যায়, যা মস্তিস্কের কর্মক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে। এ অভ্যাসের কারণে ৭০ বছর বয়সের মধ্যে প্রাথমিক পর্যায়, মধ্য পর্যায় বা চূড়ান্ত পর্যায়ের মস্তিস্ক বিকৃতির ৯২.৮% সম্ভাবনা থাকে।
৮. একেবারে কম কথা বলা
বুদ্ধিদীপ্ত কথাবার্তা মস্তিস্কের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।
৯. অসুস্থতার সময় বেশী মাথা খাটানো
বিশ্রাম নিন, অসুস্থতার সময় বেশী পরিশ্রম বা পড়াশোনা মস্তিস্কের কার্যকারিতা কমিয়ে দেয় এবং সাথে সাথে একে ক্ষতিগ্রস্থ করে।
১০. বায়ু দূষণ
আপনি হয়ত এটা জানেন যে আপনার দেহের মধ্যে মস্তিষ্কই সবচেয়ে বেশী পরিমাণে অক্সিজেন ব্যবহার করে থাকে। সুতরাং এ অঙ্গটিই বাতাস থেকে সবচেয়ে বেশী দূষিত পদার্থ গ্রহণ করে থাকে। দূষিত বায়ু নিঃশ্বাসের সাথে গ্রহণ করলে মস্তিস্কে অক্সিজেনের সরবরাহ কমে যায়, ফলে মস্তিস্কের কার্যক্ষমতাও কমে যায়।