এনআইসি চার বছর পর পর এই প্রতিবেদন প্রকাশ করে। পরিষদের পক্ষ থেকে বলা হয় ‘গ্লোবাল ট্রেন্ডস ২০১২’ শীর্ষক এই প্রতিবেদনে কৌশলগত চিন্তাভাবনার কথা তুলে ধরা হয়। বড় ধরনের পরিবর্তনের মাধ্যমে বিশ্ব কোন দিকে যাচ্ছে, সেই ভবিষ্যত্ পরিস্থিতি সম্পর্কে এতে আভাস দেওয়া হয়।
উন্নত বিশ্বের দেশগুলোতে প্রবৃদ্ধির মন্থরতা, জীবনযাত্রার মানের অবনমন ও প্রবীণ জনগোষ্ঠীর শক্তি হ্রাসের অন্যতম কারণ বলে সতর্ক করা হয়েছে ওই প্রতিবেদনে। জনসংখ্যার আয়তন, মোট দেশজ উত্পাদন (জিডিপি), সামরিক ব্যয় ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ব্যয়—এসব ছিল এই প্রতিবেদনের বিচার্য বিষয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০৩০ সালের আগেই চীন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের সম্মিলিত অর্থনৈতিক শক্তি ছাড়িয়ে একক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, অর্থনৈতিক দিক থেকে যুক্তরাষ্টেকে টপকে গেলেও দুই দশকে চীন যে ‘সুপার পাওয়ার’ অর্জন করতে পারবে, তা নয়। এখানে সুপার পাওয়ার বলতে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ে প্রভাব খাটানোর ক্ষমতা বোঝানো হয়েছে। যা এখন যুক্তরাষ্ট্রের রয়েছে।
এনআইসির উপদেষ্টা ম্যাথিও বারোস এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘অর্থনৈতিক দিক দিয়ে শক্তিশালী হওয়া একটা বড় ব্যাপার। তবে বৃহত্ অর্থনৈতিক শক্তি হলেই যে সবচেয়ে পরাক্রমশালী দেশে পরিণত হওয়া যায়, তা নয়।’

