অগ্ন্যাশয় থেকে যথেষ্ট ইনসুলিন তৈরি না হলে অথবা শরীর তা ব্যবহারে ব্যর্থ হলে ডায়াবেটিস হয়। রক্তে চিনি বা শর্করায় অসামঞ্জস্য দেখা দেয়। রক্ত থেকে গ্লুকোজ নিয়ে তা শক্তির জন্য ব্যবহার করে ইনসুলিন। ইনসুলিন উৎপাদন বা কাজ করার ক্ষমতার যেকোনো একটি বা দুটোই যদি না থাকে, তাহলে রক্তে বাড়ে গ্লুকোজ।
১. পাকস্থলীতে খাদ্যের গ্লুকোজে রূপান্তর
২. রক্তে গ্লুকোজের প্রবেশ
৩. অগ্ন্যাশয় থেকে খুব সামান্য বা বেশি ইনসুলিন তৈরি হলেও কার্যকর হয় না
৪. রক্তপ্রবাহে ইনসুলিন কমে যায় বা একেবারে বন্ধ হয়ে যায়। আবার শরীরে গ্লুকোজের প্রবেশ ব্যাহত হয়
৫. গ্লুকোজের মাত্রা বৃদ্ধি
২৫ : কোটি রোগী এই মুহূর্তে বিশ্বে। ২০২৫ সালের মধ্যে এটি ৪০ কোটি হবে।
৮৫ : লাখ রোগী বর্তমানে বাংলাদেশে। ২০৩০ সালে এই সংখ্যা দ্বিগুণ হবে।
৮ : সেকেন্ডে বিশ্বে ডায়াবেটিসজনিত জটিলতায় মারা যাচ্ছে একজন।
করণীয়
জীবনধারায় পরিবর্তন এনেই কমিয়ে ফেলা যায় এই রোগের ঝুঁকি। বয়স, ওজনাধিক্য, মন্দ খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক শ্রমহীনতা, পারিবারিক ইতিহাস ইত্যাদি ডায়াবেটিসের ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত।
n সুস্থ থাকতে বাড়তি ওজন কমান।
n স্বাস্থ্যকর ও সুষম খাদ্য গ্রহণ করুন।
n প্রতিদিন কায়িক পরিশ্রম করুন বা আধা ঘণ্টা হাঁটুন।
n বছরে অন্তত একবার রক্তের শর্করা পরীক্ষা করুন।
প্রতিবেদন: ডা. তানজিনা হোসেন
সূত্র : প্রথম আলো
http://www.prothom-alo.com/detail/date/2013-02-28/news/332770

