আজ ১৪ মার্চ বিশ্ব কিডনি দিবস। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য আকস্মিক কিডনি বিকল রোধ করুন। বয়স্ক ব্যক্তি, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের রোগী এবং আগে থেকে কিডনি-জটিলতা আছে এমন মানুষের এই ঝুঁকি বেশি। এ বিষয়ে লিখেছেন ডা. মেহরুবা আলম।
১৩% : মানুষ দেশে কোনো না কোনো ধরনের কিডনি জটিলতায় ভুগছেন।
৪০ : হাজার মানুষ দেশে কিডনি বিকলের কারণে বছরে মারা যাচ্ছেন ।
৫% : রোগী আমাদের দেশে কিডনি-জটিলতার চিকিৎসা নিতে পারেন। এই চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল
১৫ : থেকে ৪০ শতাংশ রোগী আকস্মিক কিডনি বিকলজনিত কারণে ভর্তি হয়ে থাকেন।
উপসর্গ
হঠাৎ করে দেহে পানি জমা, বিশেষ করে মুখ, চোখের নিচ বা পায়ে। প্রস্রাবের পরিমাণ খুবই কমে যাওয়া (২৪ ঘণ্টায় আধা লিটারের কম), বন্ধ হয়ে যাওয়া, রং গাঢ় খয়েরি, লালচে বা সরষের তেলের মতো হওয়া।
চিকিৎসা
অন্তর্নিহিত কারণের চিকিৎসা করাটাই প্রধান। কখনো বর্জ্য ও লবণ নিষ্কাশনের জন্য সাময়িকভাবে ডায়ালাইসিস করতে হতে পারে। চার থেকে ছয় সপ্তাহের মধ্যে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে কিডনি কার্যক্ষমতা ফিরে পায়। তা না হলে কিডনি চিরতরে বিকল হয়েছে বলে ধরে নিতে হবে।
আকস্মিক কিডনি বিকল কী?
কয়েক দিন বা কয়েক সপ্তাহের মধ্যে কোনো কারণে কিডনির অকার্যকারিতা
ভালো থাকার উপায়
ডায়রিয়া, বমি, রক্তক্ষরণ, পোড়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে পানিশূন্যতা যাতে না হয়, তার জন্য দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতীত কোনো ওষুধ, বিশেষ করে ব্যথানাশক ও অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করবেন না। বাজারে প্রচলিত এনার্জি ড্রিংক, আয়ুর্বেদি, ইউনানি ও কবিরাজি ওষুধ, কৃত্রিম রং ও প্রিজারভেটিভসমৃদ্ধ খাবার, কামরাঙা ইত্যাদি কিডনির জন্য ক্ষতিকর। ডায়াবেটিস ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
সূত্র : প্রথম আলো
http://www.prothom-alo.com/detail/date/2013-03-14/news/336298

