নারায়ণগঞ্জ শহরের একটি নকল এনার্জি ড্রিংস তৈরির কারখানা সিলগালা করে দিয়েছে ৠাব সদস্যরা। এসময় কারখানা থেকে আটক করা হয় দু’জন কর্মচারীকে।
সোমবার দুপুরে অভিযান চালিয়ে কারখানা থেকে উদ্ধার করা হয় ৪৩ কার্টন নকল এনার্জি ড্রিংকস, ৪টি ড্রাম ভর্তি নকল পানীয়, নকল এনার্জি ড্রিংকস তৈরির সরঞ্জাম, স্টিকার ও খালি বোতল।
নারায়ণগঞ্জ শহরের পুরানো কোর্ট এলাকায় অবস্থিত ৠাব-১১ এর ক্রাইম প্রিভেনশনাল স্পেশাল কোম্পানির কমান্ডার এম এম রানা বাংলানিউজকে জানান, শহরের নিতাইগঞ্জ ঋষিপাড়া এলাকায় মজিবর রহমানের মালিকানাধীন ৬ তলা বিশিষ্ট গাউছিয়া মঞ্জিলের নিচতলার একটি কক্ষ ভাড়া নেন রানা, ফারুক ও রাজন নামের তিন ব্যক্তি।
তারা ওই কক্ষটিতে জিনসিং, ডাবল হর্স মাশরুম ফিলিংস, নিউ লাইফ পাওয়ার প্লাস, একটিভ এনার্জি ড্রিংক, হর্স পাওয়ার ফ্রুট ড্রিংকস, বাজ হারবাল ফিলিংস ফ্রুট ড্রিংস, হর্স ফিলিংস মিক্সড ফ্রুট ড্রিংকসসহ বিভিন্ন নামে নকল এনার্জি ড্রিংকস তৈরি করে বাজারজাত করে আসছিল।
তবে ওই ভবনের মালিক মজিবর রহমান নকল এনার্জি ড্রিংকস তৈরির কারখানার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সোমবার দুপুরে ৠাবের একটি টিম ওই কারখানাটিতে অভিযান চালানোর সময় প্রথমে তালাবদ্ধ দেখতে পায়। পরে তালা ভেঙে ভেতরে দুই শ্রমিককে আটক করেন তারা। এসময় জব্দ করা হয় প্রায় দুই হাজার বোতল নকল এনার্জি ড্রিংকস, ৫টি ড্রামে ভর্তি পানীয় ও বিভিন্ন সরঞ্জামাদি।
ৠাব সদস্যরা জানান, প্রতিষ্ঠানটির মালিকপক্ষ শ্রমিকদের ভেতরে প্রবেশ করিয়ে তালাবদ্ধ করে চলে যেত। দুই শ্রমিক মুকুল ও তারা মিয়া ভেতরে বসে খালি বোতলে এনার্জি ড্রিংকস ভরে তাতে লেভেল লাগানোর কাজ করতো। ভেতরে নকল এনার্জি ড্রিংকস তৈরির মেশিন ও গ্যাসের চুলার মাধ্যমে পানীয়কে ঘন করা হতো।
সূত্র - বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

