ঘাতক ব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশে প্রতিবছর দেড় লাখ মানুষ মারা যায় বলে জানিয়েছেন সিঙ্গাপুর ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হসপিটালের সিনিয়র কনসালটেন্ট রিজোয়ান ফারুক।
সিঙ্গাপুরেও এ ব্যাধি প্রথম সারিতে রয়েছে বলে জানান তিনি।
শুক্রবার বিকেলে নগরীর আগ্রাবাদে চেম্বার মিলনায়তনে আয়োজিত এক সেমিনারে এসব তথ্য জানান তিনি।
সিঙ্গাপুর ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হসপিটাল ও চট্টগ্রাম চেম্বার যৌথভাবে এ সেমিনার ও কন্সালটেশন প্রোগ্রামের আয়োজন করে।
সেমিনারে হসপিটালের চিকিৎসা সংক্রান্ত সুযোগ সুবিধা ও বিভিন্ন দিক তুলে ধরে তথ্য চিত্র প্রদর্শন করেন হাসপাতালের ম্যানেজার জাংফেং।
মেরুদন্ডের সমস্যা নিয়ে কথা বলেন হাসপাতালের অর্থোপেডিক ট্রমা বিভাগের প্রধান থাম্বিয়া জোসেফ। এছাড়া মরণব্যাধি ক্যান্সার নিয়ে কথা বলেন ডিপার্টম্যান্ট অব অর্থোপেডিক সার্জারি ও কোলোরেক্টাল সার্জারি বিভাগের কন্সালটেন্ট ডা.রিজোয়ান ফারুক।
হাসপাতালের ম্যানেজার জাংফেং জানান, জয়েন্ট কমিশন ইন্টারন্যাশনাল (জেসিআই) অনুমোদিত প্রথম হাসপাতাল সিঙ্গাপুর ন্যাশনাল হাসপাতাল।
এখানে ৩৭টি ওয়ার্ড রয়েছে। এরমধ্যে ২৮টি জেনারেল ওয়ার্ড। এছাড়া ২৬টি অপারেশন থিয়েটার ৮টি ডেলিভারি রুম রয়েছে।
সামাজিক দায়বদ্ধতার দিক থেকে চেম্বার এ ধরণের কর্মসূচির আয়োজন করেছে বলে জানান চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম।
তিনি বলেন,‘সিঙ্গাপুর চিকিৎসা সেবায় বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। তাই এ হসপিটালের অত্যাধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর চিকিৎসা সেবা গ্রহণের মাধ্যমে এ অঞ্চলের রোগীরা বিশেষভাবে উপকৃত হতে পারে।’
এছাড়া ভবিষ্যতে হৃদরোগসহ বিভিন্ন রোগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা এ ধরণের আয়োজনের মাধ্যমে রোগীদের বিনামূল্যে ব্যবস্থাপত্র ও পরামর্শ দেয়ার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।
সেমিনারে আলোচনায় অংশ নেন চেম্বার পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ, মো.সিরাজুল ইসলাম ও স্কেপ বাংলাদেশ বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহি ডব্লিউআরআই রাসেল।
এছাড়া চেম্বার পরিচালক কামাল মোস্তফা চৌধুরী, মো.অহীদ সিরাজ চৌধুরী, মো.জাহাঙ্গীর, সাবেক পরিচালক মোহাম্মদ শাহিন আলম, আফসার হাসান চৌধুরী, স্কেপ’র এমডি শহীদুল্লাহ, ডায়াবেটিক হাসপাতারের পরিচালক ডা.নওশাদ আহমেদ খান এবং অর্থোপেডিক সার্জন ডা.সেলিম উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র - বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

