home top banner

খবর

'ধুক ধুক' ছাড়া চলবে হৃদপিণ্ড!
১৪ অগাস্ট, ১৩
 Posted By:   Healthprior21
  Viewed#:   32

হৃদপিণ্ড সচল তো জীবন সচল। থেমে গেল তো জীবনের ইতি। হৃদপিণ্ডের স্বভাব 'ধুক ধুক' করে চলা। কিন্তু এই ধুক ধুক করা ছাড়াই এখন হৃদপিণ্ড চলবে। কৃত্রিম হৃদপিণ্ড নিয়ে বাঁচবার সম্ভাবনার দিগন্ত দেখিয়েছেন দুইজন ডাক্তার। সেই হৃদপিণ্ডের ধুকধুকানি নেই। এই দুই বিজ্ঞানীর নাম বিলি কোহেন ও বাড ফ্রেইজার। বন্ধ হয়ে যাওয়া হৃদস্পন্দনের গল্প থেকে স্বপ্ন এই দুই ডাক্তারের। মানুষের স্বল্প জীবন মেয়াদ ও কৃত্রিম হৃদয়ের নানা সমস্যা নিয়ে তারা অনেকদিন ধরেই ভাবছিলেন। স্বপ্ন দেখছিলেন, কিছু একটা করবার। এই তাগাদা থেকে দুইটি সেট্রিফিউগাল পাম্পসম্পর্ণ একটি যন্ত্র আবিষ্কার করেছেন তারা। যন্ত্রটির নতুনত্ব হলো এটি অন্যান্য কৃত্রিম হৃদয়ের মতো বিট বা 'ধুকধুক' করে না। 

বাছুরের হৃদয় সরিয়ে করে সেখানে পরীক্ষামূলকভাবে এই যন্ত্র প্রতিস্থাপন করে প্রাথমিক সাফল্য পেয়েছেন তারা। 
এরপর তারা পরীক্ষামূলকভাবে মানুষের শরীরে এটি প্রতিস্থাপনের চিন্তাভাবনা শুরু করেন। 

এই দুই ডাক্তারের প্রথম রোগী হতে আগ্রহ দেখান ক্রেইগ লুইস(৫৫)।

আসলে লুইসের হাতে অন্যকোন উপায়ও ছিল না। 

লুইসের রোগটা ছিল বেশ জটিল। 'অ্যামিলোডোইসিস' নামে এই রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুপ্রহর গুণছিলেন তিনি। তার হার্টের অবস্থা ছিল চুড়ান্ত পর্যায়ের ক্ষতিগ্রস্থ, আর মাত্র ১২ ঘণ্টা বাঁচবেন বলে জানিয়েছিলে তার চিকিৎসকরা। 

২০১১ সালের মার্চে এই দুই ক্ষেপাটে ডাক্তার ঝুঁকি মাথায় নিয়েই লুইসের হার্টটি তাদের আবিষ্কৃত যন্ত্রের দ্বারা প্রতিস্থাপন করে বসেন। 

হার্টবিট বা হৃদয়ের ধুকধুক ছাড়াও মানুষ বেঁচে থাকতে পারে বলে কোহেন-ফ্রেইজার দাবি করছিলেন। 

যদিও লুইস তার জটিল রোগ নিয়ে এই যন্ত্রের মাধ্যমে এপ্রিল পর্যন্ত বেঁচেছিলেন। 

এই ঘটনার পর তেমন কিছুই বদলায়নি। তবে প্রথমবারের মতো সংশ্লিষ্টরা উপলব্ধি করতে শুরু করেন যে হৃদয় ধুকধুক মানে যেমন বেঁচে থাকার লক্ষণ, ঠিক তেমনই আরেকটা সম্ভাবনা বিজ্ঞানীদের হাতে রয়েছে। 

সম্ভাবনাটা হলো, ভবিষ্যতে হয়তো এমন কৃত্রিম হৃদয় আবিষ্কৃত হতে যাচ্ছে যা বিট না করলেও মানুষকে বাঁচিয়ে রাখবে।

সূত্র - poriborton.com

Please Login to comment and favorite this News
Next Health News: মৌমাছির বিষেই কি এইচআইভি বিনাশ
Previous Health News: বাংলাদেশি বিজ্ঞানীর উদ্ভাবনে মুগ্ধ ওবামা

আরও খবর

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় অ্যান্টিবায়োটিক!

সম্প্রতি এক গবেষণায় জানা গেছে, কম বয়সে অ্যান্টিবায়োটিক খেলে পরবর্তী ক্ষেত্রে মানব শরীর বিভিন্ন ধরনের রোগ প্রতিরোধ করতে সক্ষম থাকে৷ কলোম্বিয়ার ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যায়লের এ গবেষণা অনুযায়ী, অন্ত্রে বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া বিরাজ করে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা স্বাস্থ্যকর রাখে৷ কিন্তু... আরও দেখুন

ঢাবিতে মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন উদ্বোধন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগ ও বাংলাদেশ ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে  ‘Mental Health Gap in Bangladesh: Resources and Response’ শীর্ষক চার দিনের চতুর্থ মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধন  হয়েছে। বুধবার ঢাকা... আরও দেখুন

৯টি ভয়ংকর সত্যি, যা আপনাকে ডাক্তাররা জানান না!

অনেক সময় কোনো ওষুধ একটি রোগ সারিয়ে তুললে, সেই ওষুধই অন্য একটি অসুখকে আমন্ত্রণ জানিয়ে রাখে। এমনকি এক্স রে রশ্মিও আমাদের শরীরে ক্যান্সারের মতো মারণ রোগের জন্ম দেয়। ওষুধের প্রভাবে কী কী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে ১. ওষুধে ডায়াবিটিস বাড়তে পারে: সাধারণত ইনসুলিনের অভাবে ডায়াবিটিস হয়।... আরও দেখুন

প্রাকৃতিক ভায়াগ্রা হর্নি গোটউইড

চীনের একটি গাছের নাম হর্নি গোটউইড। এই গাছ থেকেই অদূর ভবিষ্যতে সস্তায় মিলবে ভায়াগ্রার বিকল্প ওষুধ। পুরুষাঙ্গকে দৃঢ়তা প্রদানের জন্য যে যৌগটি দরকার, সেই আইকারিন প্রচুর পরিমাণে রয়েছে হর্নি গোটউইডে। এই উপদানটিকে প্রকৃতিক ভায়াগ্রা হিসেবে শনাক্ত করেছেন ইউনিভার্সিটি অফ মিলানের গবেষক ডা. মারিও ডেল... আরও দেখুন

ব্রেন ক্যানসার থেকে মুক্তি দেবে ‘সোনা’

ব্রেন ক্যানসার চিকিৎসায় এবার ব্যবহৃত হবে সোনা৷ কারণ সোনা নাকি ব্রেন ক্যানসার থেকে মুক্তি  দিতে পারে৷ বিজ্ঞান পত্রিকা ন্যানোস্কেল অনুযায়ী, ব্রেন ক্যানসারের  চিকিৎসার সোনার একটি অতি সুক্ষ টুকরো সাহায্যকারী প্রমাণিত হতে পারে৷ বৈজ্ঞানিকরা একটি সোনার টুকরোকে গোলাকৃতি করে... আরও দেখুন

যৌবন ধরে রাখতে অশ্বগন্ধা

বাতের ব্যথা, অনিদ্রা থেকে বার্ধক্যজনিত সমস্যা। এ সবের নিরাময়ে অশ্বগন্ধার বিকল্প নেই। তেমনটাই তো বলেন বিশেষজ্ঞরা। এমনকি যৌবন ধরে রাখতেও অশ্বগন্ধার উপকারিতা অনস্বীকার্য। ত্বকের সমস্যাতেও দারুণ কাজ দেয় অশ্বগন্ধার ভেষজ গুণ। বিদেশেও এর চাহিদা ব্যাপক। সে কারণেই অশ্বগন্ধা চাষ অত্যন্ত লাভজনক।... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')