খাদ্যমন্ত্রী আবদুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, বাংলাদেশ এখন আর তলাবিহীন ঝুড়ি নয়। খাদ্য নিরাপত্তা এবং খাদ্য উৎপাদনে আমরা ¯^য়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছি। নির্দিষ্ট সময়ের দুই বছর আগেই এমডিজি গোল অর্জন করতে পেরেছি। ভিশন ২১ অর্জনের লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছি। এই সময়ের মধ্যে দারিদ্র্যের হার শতকরা ১৫ ভাগ হতে শূন্য ভাগে কমিয়ে আনতে সক্ষম হবো।”
রোববার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ‘বাংলাদেশে খাবারের পুষ্টিমানের তালিকা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানের উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, “অতীতে দেশে খাদ্যের ঘাটতি থাকলেও বর্তমান সরকার তা কমিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে। স্বাধীনতার পর থেকে আমরা খাদ্য উৎপাদন তিন গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি করতে পেরেছি। খাদ্য উৎপাদনে দেশ বিস্ময়কর সাফল্য অর্জন করেছে, বিশেষ করে চাল উৎপাদনে আমরা অনেক এগিয়ে গেছি।”
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, “খাদ্যের নিশ্চয়তা পাওয়া মানুষের সাংবিধানিক স্বীকৃত অধিকার। মানুষের জন্য নিরাপদ এবং সঠিক পুষ্টিমান সমৃদ্ধ খাদ্য পৌঁছে দেয়া সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। খাদ্যের পুষ্টিমান সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করে তুলবে।”
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি (শিক্ষা) অধ্যাপক নাসরীন আহমাদের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য দেন খাদ্য সচিব মুশফেকা ইকফাত, জাতিসংঘের খাদ্য এবং কৃষি বিষয়ক সংস্থা(এফএও) এর বাংলাদেশী প্রতিনিধি জনাব মাইক রবসন, ইইউ এর খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা মনজুরুল আলম, ইউএসএআইডির পরিচালক থমাস ক্রিশ।
উল্লেখ্য, ন্যাশনাল ফুড পলিসি ক্যাপাসিটি স্ট্রেইনদেনিং প্রোগ্রামের আওতায় সরকারের খাদ্য মন্ত্রণালয়,বিশ্ব খাদ্য সংস্থা ইউএসএইড ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহযোগিতায় এই গবেষণা সম্পন্ন হয়েছে। গবেষকদের মধ্যে ছিলেন অধ্যাপক নাজমা শাহীন, অধ্যাপক আবু তোরাব এম এ রহিম, অধ্যাপক মো. মহিদুজ্জামান, কাজী পারভীন বানু, মো. লতিফুল বারী, অবন্তী বসাক, এম এ মান্নান, লতিতা ভট্টাচার্য, বারবারা স্টেডলমায়ার।
সূত্র - নতুন বার্তা ডট কম

