গতকাল শনিবার ঢাকা মেডিকেল কলেজের ন্যাশনাল ফরেনসিক ডিএনএ প্রোফাইলিং ল্যাবরেটরির পরামর্শক শরিফ আখতারুজ্জামান ‘বৃহৎ দুর্যোগের শিকার ব্যক্তিদের শনাক্তকরণে ডিএনএর ব্যবহার’ শীর্ষক উপস্থাপনায় এ তথ্য দেন। বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি এ উপস্থাপনার আয়োজন করে।
শরিফ আখতারুজ্জামান বলেন, রানা প্লাজা দুর্ঘটনায় মৃত অজ্ঞাতপরিচয় ৩২১ জনের দাঁত বা হাড়ের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। অন্যদিকে ওই সব মৃত ব্যক্তির আত্মীয় দাবি করে ৫৫৩ জন রক্তের নমুনা পরীক্ষার জন্য দিয়ে যান। তিনি জানান, এর মধ্যে মৃত ১৪০ জনের ও তাঁদের আত্মীয়দের ৪৩২ জনের ডিএনএ বিশ্লেষণ শেষ হয়েছে।
শরিফ আখতারুজ্জামান বলেন, এত বিপুলসংখ্যক নমুনার ডিএনএ বিশ্লেষণ শেষে তথ্য মেলানোর জন্য বিশেষ সফটওয়্যার দরকার। সফটওয়্যারের ব্যাপারে সহযোগিতার জন্য মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (এফবিআই) একটি প্রতিনিধিদল আগামী মাসের শেষের দিকে বাংলাদেশ সফর করবে। সফটওয়্যারটি পাওয়া গেলে আগামী অক্টোবরের মধ্যে মৃত ব্যক্তিদের পরিচয় জানা যাবে।
শরিফ আখতারুজ্জামান আরও বলেন, ‘ডিএনএ এভিডেন্স অ্যাক্ট’ পাস না হওয়ায় বিচারিক ক্ষেত্রে ডিএনএ ফলাফল ব্যবহারের দিক থেকে বাংলাদেশ পিছিয়ে আছে। অনুষ্ঠানে সোসাইটির প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আহমেদ এ জামাল প্রমুখ বক্তব্য দেন।
সূত্র - প্রথম আলো

