সংক্রমণের পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ‘এইচআইভি’ ভাইরাস শনাক্ত করা জরুরী। যত তাড়াতাড়ি থেরাপি শুরু হয়, আধুনিক ঔষধতত দ্রুত কার্যকর হয়৷ আর আজকাল তো দিনে মাত্র একটি ট্যাবলেট খেলেও চলে৷
অনেক বছর ধরে এইডস নিয়ে গবেষনারত বার্লিনের ডাক্তার কেইকাভুস আরাস্টে ৷ তিনি বলেন, ‘‘আমরা দ্রুত সাফল্যের আশায় কাজ করছি৷ দুঃখের বিষয়, টিকা তৈরির প্রচেষ্টা এখনো সফল হয় নি৷ তবে ওষুধ দিয়ে ভাইরসাকে কাবু করারক্ষেত্রে আমরা অনেকটা অগ্রসর হয়েছি৷ ফলে যে সব রোগী স্বাস্থ্য পরিষেবারসুযোগ পায়, এই চিকিৎসা কাজে লাগলে তারা প্রায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা চালিয়েযেতে পারেন।”
এটা সত্যি একটা বড় সাফল্য। এইডস এজেন্ট ভালো করে পরীক্ষা করা হয়। এবারগবেষকরা সেটিকে পুরোপুরি অকেজো করে তুলতে চান। কিন্তু ভাইরাস ক্রমাগত বদলেচলায় টিকা তৈরির সম্ভাবনা বেশ কম। ড.আরাস্টে বলেন, ‘‘আমার মনে হয় না যে এইবিস্ময়কর সাফল্য দেখে যেতে পারবো। আসলে এইচআইভি অত্যন্ত গোলমেলে বিষয়।”
এদিকে বিজ্ঞানীরা হাল ছাড়ছেন না। যুক্তরাষ্ট্রের একদল গবেষক এইচআইভিবহনকারী এক ব্যক্তির শরীরে এমন অ্যান্টিবডি খুঁজে পেয়েছেন, যা ভাইরাসেরক্রমাগত পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিজেকেও বদলে ফেলে এবং তাদের খতম করে৷
যে সব জিন ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে, সেগুলি এইচআইভি-সংক্রমিতরোগীর মধ্যে স্থাপন করার প্রচেষ্টাও চলছে৷ তবে এই পরীক্ষার ফল পেতে আরওকয়েক বছর সময় লাগবে৷
‘ভাইরাস বহন করাসত্ত্বেও মানুষ কীভাবে ওষুধপত্র ছাড়াই বাঁচতে পারে?’ এমন প্রশ্নের উত্তরে কেইকাভুস আরাস্ট বলেন, ‘‘যে সব বানর এইচআইভিবহন করছে, তারা কীভাবে বেঁচে থাকে? আসলে তাদের শরীরে ভাইরাল লোড খুব বেশি৷ইমিউন সিস্টেম তার পরোয়া করে না৷ বানররা তাদের ভাইরাস নিয়ে দিব্যি বেঁচেথাকতে পারে৷''
এক পরীক্ষায় দেখা গেছে, এইচআইভি বহন করা সত্ত্বেও কোনো বানরই অসুস্থ হয়নি৷এটা কীভাবে সম্ভব? এর পেছনে কারণ কী? গবেষকরা সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন, যাতে ভবিষ্যতে এইডস রোগ পালাবার পথ না পায়৷
সূত্র - poriborton.com

