উদ্যোক্তা, সঙ্গীতশিল্পী, সৃজনশীল প্রকাশক ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উদ্ভাবকদের মেধাস্বত্ত সংরক্ষণে কাজ করবে আইপি প্লাস ল’ ক্লিনিক। বাংলাদেশে প্রথম এধরণের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ কপিরাইট অ্যান্ড আইপি ফোরাম।এ উপলক্ষ্যে ৬ জুলাই সকাল ১১টায় রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
এ আয়োজনে কপিরাইট অফিস, বাংলাদেশের সাবেক রেজিস্ট্রার ও কপিরাইট বিশেষজ্ঞ মনজুরুর রহমান, বাংলাদেশ কপিরাইট অ্যান্ড আইপি ফোরামের চেয়ারম্যান কাজী জাহিন হাসান, প্রধান নির্বাহী ব্যারিস্টার এবিএম হামিদুল মিজবাহ, সঙ্গীতশিল্পী মাকসুদুল হক উপস্থিত ছিলেন।
সাংবাদিক সম্মেলনে কপিরাইট ফোরাম ও আইপি প্লাস ল’ ক্লিনিকের প্রধান নির্বাহী ব্যারিস্টার এবিএম হামিদুল মিজবাহ বলেন, ‘আমাদের তরুণরা তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে নানা রকম অ্যাপ্লিকেশন, সফটওয়ার তৈরি করছেন। কিন্তু কপিরাইট না থাকার কারণে তারা নানা ভাবে প্রতারিত হচ্ছেন। নতুন উদ্যোক্তারা সরকারি বিধিবিধান না জেনে ব্যবসা শুরু করে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।আইপি ক্লিনিকের মাধ্যমে তাদের বিনামূল্যে কপিরাইট ও আইনি পরামর্শ দেয়া হবে।’
কপিরাইট অফিসের সাবেক রেজিস্ট্রার ও কপিরাইট বিশেষজ্ঞ মনজুরুর রহমান বলেন, ‘কপিরাইট নিয়ে আমাদের উদ্ভাবকদের কোন ধারণা নেই। এটিই আমাদের প্রধান সমস্যা।তারা যদি কপিরাইট নিয়ে উদ্যোগী হয়ে তবেই এদেশে পাইরেসি কমবে।’
বাংলাদেশ কপিরাইট অ্যান্ড আইপি ফোরামের চেয়ারম্যান কাজী জাহিন হাসান বলেন, ‘আইপি প্লাস ল’ ক্লিনিকের আওতায় উদ্ভাবক, আবিস্কারক ও মেধাস্বত্ত সম্পৃক্তদের কপিরাইট, পেটেন্ট ও ট্রেডমার্ক বিষয়ে আইনগত পরামর্শ প্রদান করা হবে। একই সঙ্গে আমরা টেকনলজি ট্রান্সফার, কম্পানি অথবা নতুন ব্যবসা নিবন্ধন, মেধাস্বত্ত লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে লিগ্যাল নোটিশ ইস্যু ও মেধাস্বত্ত সম্পর্কিত বিরোধ নিষ্পত্তিতে কাজ করবো।’
সঙ্গীতশিল্পী মাকসুদুল হক বলেন, ‘একটি গানের সিডি প্রকাশ হওয়ার ৩০ মিনিটের মধ্যেই তা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ছে। যে কেউ ঘরে বসে সহজেই তা ডাউনলোড করে নিচ্ছে। এর মাধ্যমে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে সঙ্গীত সংশ্লিষ্টরা। কিন্তু তারা আইনের আশ্রয় নিচ্ছেন না। এজন্য দিন দিন পাইরেসির প্রবণতা আরও বাড়ছে।’
সবশেষে প্রশ্নোত্তর পর্বে কপিরাইট বিশেষজ্ঞরা সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। আইপি প্লাস ল’ ক্লিনিক সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন www.bcipf.org/ipplus।
সূত্র - বাংলা নিউজ ২৪

