home top banner

খবর

খুঁড়িয়ে চলছে স্বাস্থ্যসেবা
২০ জুন, ১৩
 Posted By:   Healthprior21
  Viewed#:   32

১৭ জুন তিন বছর পার হয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনের। সিটি মেয়র মোহাম্মদ মন্জুর আলম দায়িত্ব নেন এক মাস পর ২০ জুলাই। এ তিন বছরে নাগরিক সেবার মান কি বেড়েছে, নাকি আগের অবস্থান থেকে সূচক নিম্নগামী? এ নিয়ে আজকের আয়োজন

খুঁড়িয়ে চলছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) স্বাস্থ্যসেবা। জনবল সংকটে চসিকের নিজস্ব অর্থায়নে চালু চারটি মাতৃসদন ও একটি হাসপাতালের সেবার মান নিম্নমুখী। এর মধ্যে বন্দরটিলা, দক্ষিণ বাকলিয়া ও পূর্ব বাকলিয়া মাতৃসদন ও হাসপাতালে রোগী ভর্তি বন্ধ রয়েছে।
অন্যদিকে এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) সহায়তায় পরিচালিত ৩৬টি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও দুইটি মাতৃসদনের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। গত ডিসেম্বরে এই প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়েছে। তাই এখন চাকরি হারানোর শঙ্কায় পড়েছেন এখানকার ৫১৬ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী।
স্বাস্থ্যসেবা সম্পর্কে জানতে চাইলে সিটি মেয়র মোহাম্মদ মন্জুর আলম বলেন, ‘আমরা সাধ্যমতো স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে যাচ্ছি। এডিবির প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও কর্মচারীদের বেতন ভাতা দেওয়া হচ্ছে। প্রকল্পটি আবার আমাদের কাছে রাখতে চাচ্ছি। এ ছাড়া আমাদের মেমন মাতৃসদনসহ বিভিন্ন হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবা চলছে।’
জানা গেছে, এডিবি প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ালেও তা এককভাবে চসিকের নাও থাকতে পারে এমন কথা আগেই বলা হয়েছে। ইতিমধ্যে দরপত্রও হয়ে গেছে। তাতে চসিকও অংশ নিয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত তারা পাবে কি না সংশয় রয়েছে।
জানতে চাইলে প্রকল্পের দায়িত্বরত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘দরপত্রে সিটি করপোরেশন অন্যদের মতো অংশগ্রহণ করেছে। এখন দেখা যাক কী হয়। এ নিয়ে দেন-দরবার চলছে। আমরা চেষ্টা করছি নিজেদের কাছে পরিচালনার দায়িত্ব রাখতে।’
বর্তমানে এসব স্বাস্থ্যকেন্দ্রে কর্মরতদের তিন মাসের বেতনও বকেয়া রয়েছে। তাঁরা গত ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বেতন পেয়েছেন বলে জানা গেছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, এসব স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও মাতৃসদনগুলোতে এখন চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম নেই বললে চলে। কর্মরত চিকিৎসক ও কর্মচারীরা কেবল তাঁদের চাকরি নিয়ে আলোচনায় ব্যস্ত।
এদিকে, সিটি করপোরেশন পরিচালিত চারটি মাতৃসদন ও শিশু হাসপাতালে সেবার মান নিচে নেমেছে। এসব সেবাকেন্দ্রে রোগীর ভিড় নেই এখন। একসময় ১০০ শয্যার মেমন হাসপাতালের প্রসূতি সেবার জন্য খ্যাতি ছিল। কিন্তু এখন প্রতিদিন গড়ে সেখানে রোগী থাকে অর্ধেক। সরেজমিনে গিয়ে এ চিত্র দেখা গেছে।
রোগীদের অভিযোগ, কাগজে-কলমে ২০ জন চিকিৎসক থাকলেও সে অনুযায়ী সেবাবঞ্চিত রোগীরা। সেবার মান দিন দিন কমছে। চিকিৎসক ও সেবিকার চাকরি স্থায়ী নয়। তাই তারা ভালো সুযোগের অপেক্ষায় থাকেন সব সময়।
চসিক সূত্র জানায়, বন্দরটিলা, দক্ষিণ বাকলিয়া ও পূর্ব বাকলিয়ার অবশিষ্ট তিনটি মাতৃসদন ৫০ শয্যাবিশিষ্ট। কিন্তু লোকবল-সংকটের কারণে এই তিনটিতে কোনো রোগী ভর্তি করা হয় না। তারা শুধু বহির্বিভাগের সেবা দিয়ে থাকে। বন্দরটিলা মাতৃসদনে শয্যা থাকলেও তা খালি পড়ে আছে। ২০০৭ সাল থেকে চিকিৎসক-সংকটের কারণে অভ্যন্তরীণ বিভাগে রোগী রাখা হয় না বলে জানা গেছে।
দক্ষিণ বাকলিয়া নুরুল ইসলাম বিএসসি মাতৃসদন হাসপাতাল ও পূর্ব বাকলিয়া হাজী ওয়াইজ খাতুন মাতৃসদন হাসপাতালে একজন করে চিকিৎসক রয়েছেন। অভ্যন্তরীণ বিভাগ তো দূরের কথা বহির্বিভাগেও সেবা দেওয়া সম্ভব হয় না এখানে।

 

সূত্র - প্রথম আলো

 
 

Please Login to comment and favorite this News
Next Health News: Clapping spreads like an ‘infection’
Previous Health News: দুধ চায়ের চেয়ে রং চা ভালো?

আরও খবর

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় অ্যান্টিবায়োটিক!

সম্প্রতি এক গবেষণায় জানা গেছে, কম বয়সে অ্যান্টিবায়োটিক খেলে পরবর্তী ক্ষেত্রে মানব শরীর বিভিন্ন ধরনের রোগ প্রতিরোধ করতে সক্ষম থাকে৷ কলোম্বিয়ার ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যায়লের এ গবেষণা অনুযায়ী, অন্ত্রে বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া বিরাজ করে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা স্বাস্থ্যকর রাখে৷ কিন্তু... আরও দেখুন

ঢাবিতে মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন উদ্বোধন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগ ও বাংলাদেশ ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে  ‘Mental Health Gap in Bangladesh: Resources and Response’ শীর্ষক চার দিনের চতুর্থ মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধন  হয়েছে। বুধবার ঢাকা... আরও দেখুন

৯টি ভয়ংকর সত্যি, যা আপনাকে ডাক্তাররা জানান না!

অনেক সময় কোনো ওষুধ একটি রোগ সারিয়ে তুললে, সেই ওষুধই অন্য একটি অসুখকে আমন্ত্রণ জানিয়ে রাখে। এমনকি এক্স রে রশ্মিও আমাদের শরীরে ক্যান্সারের মতো মারণ রোগের জন্ম দেয়। ওষুধের প্রভাবে কী কী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে ১. ওষুধে ডায়াবিটিস বাড়তে পারে: সাধারণত ইনসুলিনের অভাবে ডায়াবিটিস হয়।... আরও দেখুন

প্রাকৃতিক ভায়াগ্রা হর্নি গোটউইড

চীনের একটি গাছের নাম হর্নি গোটউইড। এই গাছ থেকেই অদূর ভবিষ্যতে সস্তায় মিলবে ভায়াগ্রার বিকল্প ওষুধ। পুরুষাঙ্গকে দৃঢ়তা প্রদানের জন্য যে যৌগটি দরকার, সেই আইকারিন প্রচুর পরিমাণে রয়েছে হর্নি গোটউইডে। এই উপদানটিকে প্রকৃতিক ভায়াগ্রা হিসেবে শনাক্ত করেছেন ইউনিভার্সিটি অফ মিলানের গবেষক ডা. মারিও ডেল... আরও দেখুন

ব্রেন ক্যানসার থেকে মুক্তি দেবে ‘সোনা’

ব্রেন ক্যানসার চিকিৎসায় এবার ব্যবহৃত হবে সোনা৷ কারণ সোনা নাকি ব্রেন ক্যানসার থেকে মুক্তি  দিতে পারে৷ বিজ্ঞান পত্রিকা ন্যানোস্কেল অনুযায়ী, ব্রেন ক্যানসারের  চিকিৎসার সোনার একটি অতি সুক্ষ টুকরো সাহায্যকারী প্রমাণিত হতে পারে৷ বৈজ্ঞানিকরা একটি সোনার টুকরোকে গোলাকৃতি করে... আরও দেখুন

যৌবন ধরে রাখতে অশ্বগন্ধা

বাতের ব্যথা, অনিদ্রা থেকে বার্ধক্যজনিত সমস্যা। এ সবের নিরাময়ে অশ্বগন্ধার বিকল্প নেই। তেমনটাই তো বলেন বিশেষজ্ঞরা। এমনকি যৌবন ধরে রাখতেও অশ্বগন্ধার উপকারিতা অনস্বীকার্য। ত্বকের সমস্যাতেও দারুণ কাজ দেয় অশ্বগন্ধার ভেষজ গুণ। বিদেশেও এর চাহিদা ব্যাপক। সে কারণেই অশ্বগন্ধা চাষ অত্যন্ত লাভজনক।... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')