home top banner

Health Tip

পড়ে গিয়ে হাঁড় ভাঙ্গা রোধে ১০টি রক্ষাকবচ
02 June,13
View in English

আপনার হাঁড় কেমন শক্ত? হয়তো এ সম্পর্কে আপনার ধারনা নেই – যতক্ষন না আপনি কোথাও থেকে পড়ে না যান বা কোন কিছু আপনার উপর ভেঙ্গে না পড়ে। অথবা আচমকা কোন দঁড়ি ছিঁড়ে ভারী কোন কিছু হুড়মুড় করে আপনার উপর পড়ে কিংবা উপুড় হয়ে কোন কিছু তুলতে গিয়ে চিঁড় ধরে। আর তখনই আপনি বুঝতে পারবেন আপনার হাঁড় কতটা ভঙ্গুর। তবে ততক্ষনে ক্ষতি যা হবার তা’ হয়ে যাবে।

হাঁড় পাতলাজনিত অস্টিওপোরোসিস নিয়ন্ত্রনের অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে হাঁড়ের ভাঙ্গন রোধ করা। আর এই অস্টিওপোরোসিস - যা কি না আপনার স্বাধীনভাবে চলাফেরা হরন করতে পারে, মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করতে পারে, বরণ করাতে পারে পঙ্গুত্ব এমনকি ঘটাতে পারে মৃত্যু। তাই আসুন জেনে নেই হাঁড়ের সুরক্ষায় ১০টি রক্ষাকবচঃ

১। আপনার মেঝেতে বা ঘরে এলোমেলো করে রাখা ভারী জিনিসপত্র গুঁছিয়ে রাখুন। আর আলগা করে রাখা বা ঝুঁলিয়ে রাখা তার কিংবা দড়ি সরিয়ে ফেলুন, ছুঁড়ে ফেলা বা উলটানো কম্বল বা গালিচা যথাস্থানে বিছিয়ে রাখুন।

২। সিঁড়ি, বারান্দা, পায়ে চলা পথ বা হাঁটাচলার পথ পরিস্কার রাখুন। আপনার শোবার ঘর, বাথরুমে অবশ্যই রাতের বাল্ব জ্বালানোর ব্যবস্থা করুন।

৩। উলটে পড়া বা থাকা বা কাত হয়ে পড়ে থাকা কোন ভারী বস্তু কিংবা আসবাবপত্র সোজা করে যথাস্থানে রাখুন অথবা সরিয়ে ফেলুন।

৪। মেঝেতে হাঁটার সময় রাবারের তৈরী তলি লাগানো জুতা ব্যবহার করুন।

৫। কোন কিছু নামানোর জন্য, পাড়ার জন্য উপরের দিকে বেয়ে না উঠে বা হাত বাড়িয়ে না নামিয়ে প্রয়োজনীয় জিনিসটি হাতের নাগালের মধ্যে রয়েছে এমন কেবিনেটে রাখুন।

৬। বড় গোলাকার পাত্র কিংবা বাথটাবে আঁকড়ে ধরার জন্য খিল বা ধরনি লাগিয়ে নিতে পারেন। আর বাথরুমের মেঝেতে নিয়মিত পরিস্কারের পাশাপাশি শ্যাওলা ধরে না এমন ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।

৭। পোষা প্রানী কাছাকাছি থাকলে সাবধান থাকুন কারন আদর করতে গিয়ে কিংবা ধরতে গিয়ে হোঁচট খেয়ে পড়ে যেতে পারেন।

৮। আপনি যদি এমন কোন ওষুধ ব্যবহার করেন যাতে আপনার ঝিঁমুনি আসতে পারে বা ঘুমঘুম ভাব হতে পারে, আপনার ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে কিংবা এমন কোন সাইড ইফেক্ট আছে যা আপনাকে মাথা ঘুরিয়ে ফেলে দিতে পারে, তাহলে আপনার ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন, পরামর্শ নিন।

৯। ব্যায়ামের এমন আইটেম বা এমন শারীরিক পরিশ্রম বেছে নিন যা আপনার ভারসাম্য রক্ষায় এবং ভারসাম্য বাড়াতে সহায়ক আর মাংসপেশিকে করে শক্তিশালী। যেমন তাই-চি, যোগ ব্যায়াম ইত্যাদি।

১০। নিয়মিত চোখ এবং চোখের দৃস্টিশক্তি পরীক্ষা করুন। প্রয়োজনে ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন বা পরামর্শ অনুযায়ী চশমা বা কনটাক্ট লেন্স ব্যবহার করুন।

 

সূত্রঃ হার্ভার্ড হেলথবিট, হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুল

সৌজন্যেঃ হেলথ প্রায়র ২১

 

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: Hair Removal Options
Previous Health Tips: Diet Soda's Terrifying Effects on Teeth

More in Health Tip

নিজের মত বাঁচুন

নিজের মত বাঁচুন আমাদের মন ভালো থাকলেই শরীর ভালো থাকে। দেহের সুস্থতার থেকে মনের সুস্থতা অনেক বেশি জরুরি। কারণ আমাদের মনই যে  কোনো ব্যাপারে প্রথমে সাড়া দেয়। আর তাই শুধু শারীরিক সুস্থতা ও কায়িক পরিশ্রম দিয়েই একজন মানুষ সবসময় ভালো থাকতে পারে না, যদি তার আত্মিক বা মানসিক স্বাস্থ্য ভালো না হয়। মন... See details

বার্নিং মাউথ সিনড্রোম

বার্নিংমাউথ সিনড্রোম হলো একটি ব্যথাযুক্ত হতাশা জনক অবস্থা যার কারণে জিহ্বা, ঠোঁট, তালু অথবা পুরো মুখেই জ্বালাপোড়া ও ব্যথা হতে পারে। নারী এবং পুরুষ উভয়ের মধ্যেই বার্নিং মাউথ সিনড্রোম পরিলক্ষিত হয়ে থাকে। তবে বিশেষত মেয়েদের মেনোপজের সময় বা মেনোপজের পরে বার্নিং মাউথ সিনড্রোম বেশি দেখা যায়। এ রোগটি... See details

Stay healthy during Ramadan

Ramadan is the holiest month for the Muslims throughout the world. To keep you healthy during Ramadan the following tips may be useful: Heart burn or acidity: This is a very common problem at this time. During Ramadan acid secretion from stomach is reduced, but smelling of... See details

Lose Weight Without Dieting

Time Your Meals Set a timer for 20 minutes and reinvent yourself as a slow eater. This is one of the top habits for slimming down without a complicated diet plan. Savor each bite and make it last until the bell chimes. Paced meals offer great pleasure from smaller portions and trigger the... See details

যেখানে বেশি চুরি হয় মোবাইল

মোবাইল ফোন চুরি হওয়ার ক্ষেত্রে চোরের চাতুরীর চেয়ে আপনার অসতর্কতাও কম নয়! অনেকেই ভুল করে ফোন ফেলে আসেন আর কারও বা চুরি হয়ে যায়। মোবাইল ফোন চুরি হলে চোরের চেয়ে মোবাইল ফোনের মালিককেই বেশি দোষারোপ করা হয়। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে পরিচালিত এক জরিপে এই তথ্য উঠে এসেছে। সম্প্রতি সিয়াটলভিত্তিক... See details

প্রশ্ন: গর্ভাবস্থায় এক্স-রে করা নিষেধ কেন?

উত্তর: বিশেষ করে প্রথম তিন মাসে যখন গর্ভস্থ ভ্রূণের কোষ বিভাজিত হতে থাকে ও নানা অঙ্গ প্রত্যঙ্গ তৈরি হতে থাকে, তখন এক্স-রে সহ যেকোনো ধরনের তেজস্ক্রিয়া ব্যবহার করা নিষেধ। কেননা তেজস্ক্রিয় পদার্থ কোষ বিভাজনকে অস্বাভাবিক করে বিকলাঙ্গতা করতে পারে। তাই যে কোনো ধরনের তেজস্ক্রিয় রশ্মি... See details

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')