home top banner

Health Tip

সৌন্দর্য্য চর্চায় ত্বকের রুটিনমাফিক যত্ন
23 June,13
View in English

আপনার ত্বকের ধরন কি-এটা কোন ব্যাপার নয়। ত্বকের স্বাস্থ্য ভাল রাখার মূল কথা হল ত্বক যথাযথভাবে পরিস্কার কি না। আর এখানেই আসে রুটিনমাফিক যত্নের প্রসংগ। ত্বক এবং লোমকুপ পরিস্কার রাখার জন্য দৈনিক যথানিয়মে ত্বকের ময়লা বা ময়লার আস্তর, মরা কোষ দূর করা জরুরী। আর এর পদ্ধতিগুলো কমবেশি আমরা সকলেই জানি যেমন ক্লিনজিং, স্ক্রাবিং/এক্সফোলিয়েটিং, টোনিং এবং ময়েশ্চারাইজিং ইত্যাদি।

আসুন জেনে নেই ত্বক ও উপাদান ভেদে তেমনি কিছু বিউটি টিপস এবং ন্যাচারাল বিউটি প্রোডাক্ট সম্পর্কে।

বিউটি টিপস ফর ক্লিনজিং

প্রতিদিন আমাদের ত্বক বিভিন্ন ধরনের ধুলা-বালি, ধোঁয়া কিংবা ভারী দূষনের সংস্পর্শে আসে। ফলে ত্বক হয়ে পড়ে শুষ্ক, রুক্ষ, প্রানহীন। ক্লিনজিং ত্বকের দীপ্তিময়তা ফিরিয়ে দেয় আর ত্বকের সুরক্ষা দেয়। সঠিক নিয়মে ক্লিনজিং করা হলে ত্বক অন্যান্য প্রোডাক্ট যেমন ময়েশ্চারাইজার, ফেসিয়াল মাস্ক ইত্যাদি অতি সহজেই মানিয়ে নিতে পারে।

বিউটি টিপস ফর এক্সফোলিয়েটিং

শুধু নিয়মিত ক্লিনজিং আর ময়েশ্চারাইজিং করলেই ত্বক ম্যাজিকের মত কাজ করবে ব্যাপারটা এমন নয়। যতক্ষন না আপনি ত্বকের মরা কোষ আর ত্বকের উপর জমে থাকা ময়লার আস্তর নিয়মিত দূর না করছেন। নিয়মিত এক্সফোলিয়েটিং করার অভ্যাস রপ্ত করতে হবে যাতে ত্বকের মরা কোষ আর ময়লার আস্তর দূর হয়ে ত্বককে করে তোলে মসৃন আর তরতাজা। সপ্তাহে অন্ততঃ একবার এক্সফোলিয়েটিং করা দরকার। তবে আপনার ত্বকের ধরন অনুযায়ী কমবেশি হতে পারে। যেমন আপনার ত্বক যদি অয়েলি বা তৈলাক্ত হয় হয় তবে সপ্তাহে একাধিকবার বা যতবার প্রয়োজন, করতে হতে পারে।

বিউটি টিপস ফর টোনিং

একটা প্রশ্ন আসতেই পারে আর তা হল, আমি নিয়মিত ক্লিনজিং করছি, ময়েশ্চারাইজিং করছি, এক্সফোলিয়েটিং করছি, এরপরও কি টোনিং করতে হবে?

হ্যাঁ! টোনিং আসলে ক্লিনজিং এরই একটা গুরুত্বপূর্ন উপাদান। টোনিং এর মাধ্যমে ত্বকের লোমকুপের গোড়া, ত্বকের ভাঁজে লুকানো ময়লা, তেল, বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে থাকা মৃত কোষের আস্তর ইত্যাদি গভীর থেকে তুলে এনে দূর করা সম্ভব। সবচেয়ে বড় কথা টোনিং আপনার ত্বকের পুস্টি জোগানো থেকে শুরু করে ত্বককে রাখে আর্দ্র, আরামদায়ক আর ত্বকের পিএইচ মাত্রাকে রাখে ভারসাম্যপূর্ন।

বিউটি টিপস ফর ময়েশ্চারাইজিং

আপনার ত্বকের ধরন যা-ই হোক না কেন নিয়মিত ময়েশ্চারাইজিং করাতে হবে, বন্ধ করা চলবে না। নিয়মিত ময়েশ্চারাইজিং ত্বককে আর্দ্র রাখার পাশাপাশি ত্বকে লাল ছোপ দাগ পড়া ও খসখসে হওয়া থেকে রক্ষা করে, বিশেষ করে আপনার ত্বক যদি হয় শুষ্ক। এটি আপনার ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়াও প্রতিরোধ করে। অনেকে মনে করেন ত্বক যদি হয় তৈলাক্ত তবে তা নিঃসরিত তেল থেকে পর্যাপ্ত পরিচর্চা পাবে। এটা সম্পূর্ন ভুল ধারনা। বেছে নিন ভাল মানের জেলভিত্তিক ময়েশ্চারাইজার এবং নিয়ম অনুসরন করে ব্যবহার করুন।

 

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: 5 Things That Will Stop Sugar Cravings
Previous Health Tips: Green Apple: Skin Benefits

More in Health Tip

কথায় কথায় হাঁচি!

অনেকেই আছেন যারা কথায় কথায় হাঁচি দিয়ে থাকেন। সারাবছরই তাদের হাঁচি-কাশি লেগেই আছে। মূলত অ্যালার্জির কারণেই এরকমটা হয়। হাঁচি হলো একধরনের শারীরিক প্রক্রিয়া। যার মাধ্যমে শরীর থেকে উদ্দীপক বা উত্তেজক বস্তু অপসৃত হয়। অ্যালার্জি আক্রান্ত ব্যক্তিরা উত্তেজক রাসায়নিক পদার্থ যেমন : হিস্টামিন নাক... See details

স্বল্প ওষুধে রোগ নিয়ন্ত্রণ

কখন হার্ট অ্যাটাক হবে কেউ কি তা জানে? কেন অপেক্ষা করবেন হার্ট অ্যাটাকের, যখন তা নিবারণ করতে পারেন? যে কোনো হাসপাতালে যান দেখবেন সেই একই চিকিৎসাধারা। বাইপাস কিংবা এনজিওপ্লাস্টির মাধ্যমে হার্টের চিকিৎসা। তাৎক্ষণিকভাবে জীবন বাঁচানোর জন্য মানুষ অপারেশনের শরণাপন্ন হয়। কিন্তু কথা হলো কেন আমরা এ... See details

বাদামের উপকারিতা

আগেকার বেশিরভাগ স্বাস্থ্যসচেতক আখড়ায় হুশ হাশ করে সকাল, বিকেল দু'বেলা মুগুর ভাঁজতেন৷ আর পেটপুরে বাদাম খেতেন৷ তাঁদের মতে, বাদাম অতি পুষ্টিকর খাদ্য৷ এখনকার 'ফিগার' সচেতন মানুষ বাদাম থেকে শতদূরহস্ত৷ বাদাম মানেই ফ্যাট, ক্যালোরি বেশি৷ বাদাম মানেই 'সুস্বাস্থ্য'-র (পড়ুন মোটা) আকর৷ তাহলে বাদাম কি কেবলই... See details

অতিরিক্ত ঘামের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে চান ?

বিশ্বের অধিকাংশ মানুষ অতিরিক্ত ঘামের যন্ত্রণায় ভুগে থাকেন। হাত, পা, মুখ, বগল ঘামাকে ডাক্তারি ভাষায় হাইপারহিডরোসিস বা মাত্রাতিরিক্ত ঘাম বলা হয়। এটি এমন এক রোগ যা অনিয়ন্ত্রিত স্নায়ুপদ্ধতির জন্য হয়ে থাকে। এর ফলে আমরা প্রায়ই অনুষ্ঠান, পরীক্ষাসহ কোনও গুরুত্বপূর্ণ অবস্থায় খুব সমস্যায়... See details

খুশকি মুক্ত ঝলমলে চুল

কম বেশি আমি সবাই খুশকিতে আক্রান্ত। শুধু তৈলাক্ত স্কাল্প নয়, যাদের শুষ্ক স্কাল্প তারাও শিকার হয়ে থাকেন। ফলে প্রচুর পরিমাণে চুল পড়ে।খুশকি মুক্ত চুল রাখার কিছু কৌশল: মেথি: ২/৩ টেবিল চামচ মেথি সারা রাত পানিতে ভিজিয়ে রেখে পরের দিন খুব ভালোভাবে পিষে নিবেন। তারপর এর সাথে এক টেবিল চামচ টক দই ও ১... See details

ছুলি থেকে মুক্তির উপায়

বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ‘ছুলি’, ‘ছইদ’ বা ‘কদম’ ইত্যাদি নানা নামেপরিচিত চর্মরোগটিকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে বলা হয় টিনিয়া ভারসিকল। এটি এক প্রকারছত্রাকের সংক্রমণ। এ রোগে ঘাড়ে, বুকে, পিঠে ও শরীরের অন্যান্য উন্মুক্তঅংশে সাদা বা বাদামি গাঢ় বা হালকা ছোট ছোট দাগের মতো... See details

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')