বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) হিসাবমতে, দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে ভারতেই ওষুধ-প্রতিরোধী যক্ষ্মার প্রকোপ সবচেয়ে বেশি। ২০১০ সালে দেশটিতে প্রায় ৬৩ হাজার মানুষকে শনাক্ত করা হয়, যারা ওষুধ-প্রতিরোধী যক্ষ্মায় আক্রান্ত। তবে কোনো ওষুধই কাজ করে না, এমন যক্ষ্মায় আক্রান্তের সন্ধানও পাওয়া গেছে ভারত, বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া, নেপাল ও থাইল্যান্ডে।
ডব্লিউএইচও বলেছে, ভারতে নতুন করে যারা যক্ষ্মায় আক্রান্ত হচ্ছে, তাদের মধ্যে ২ দশমিক ৩ শতাংশ ওষুধ-প্রতিরোধী এবং ১২ থেকে ১৭ শতাংশ ওষুধের মাধ্যমে চিকিৎসা সম্ভব। বিশ্বে ওষুধ-প্রতিরোধী যক্ষ্মায় আক্রান্তের হার সবচেয়ে বেশি চীনে।
তবে কোনো ওষুধই কাজ করে না, এমন যক্ষ্মায় আক্রান্তের সন্ধানও পাওয়া গেছে ভারত, বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া, নেপাল ও থাইল্যান্ডে।
তবে ডব্লিউএইচওর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই অঞ্চলে ওষুধ-প্রতিরোধী যক্ষ্মায় আক্রান্তের সঠিক হিসাব বের করতে ওষুধের সংবেদনশীলতা আরও যথার্থভাবে পরীক্ষার জন্য পর্যাপ্ত পদক্ষেপ নিতে হবে। এ ছাড়া কোনো ওষুধে কাজ করে না, এমন যক্ষ্মার হিসাব বের করতেও একই পদক্ষেপ নিতে হবে এবং গবেষণাগারের সামর্থ্য বাড়াতে হবে। এটা করা হলে কোনো ওষুধে কাজ করে না, এমন যক্ষ্মায় আক্রান্তের সংখ্যা আরও বেশি বলে জানা যেতে পারে। দ্য হিন্দু।

