home top banner

খবর

বিদ্যালয়ে পড়া শুরু পাঁচ বছরের আগে নয়
১৩ সেপ্টেম্বর, ১৩
 Posted By:   Healthprior21
  Viewed#:   14

শিশুর আনুষ্ঠানিক শিক্ষা শুরুর জন্য ছয় বা সাত বছর বয়স পর্যন্ত অপেক্ষা করা উচিত। কারণ, আগেভাগে বিদ্যালয়ে পাঠানো হলে শিশুর ‘বড় ধরনের’ ক্ষতির আশঙ্কা থাকে। যুক্তরাজ্যের ১৩০ জন বিশেষজ্ঞের একটি দল এ রকম মতামত দিয়েছে।যুক্তরাজ্যের আইনে পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের অবশ্যই বিদ্যালয়ে পাঠানোর বিধান রয়েছে। তবে দেশটিতে প্রচুর ছেলেমেয়ে চার বছর বয়সেই বিদ্যালয়ে আনুষ্ঠানিক পড়াশোনা শুরু করে থাকে। আবার স্ক্যান্ডিনেভিয়া অঞ্চলের দেশগুলোতে ছয় বা সাত বছর বয়সে শিশুদের আনুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তুলনামূলক বেশি বয়সে যে শিশুরা পড়াশোনা শুরু করে, তারা সাধারণত ভালো ফলাফল করে এবং উচ্চশিক্ষায় তুলনামূলক বেশি সাফল্য পায়। তাই ছয়-সাত বছর বয়সের আগ পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক পড়াশোনার পরিবর্তে শিশুদের খেলাধুলাভিত্তিক বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে হবে। কারণ, আগেভাগে পড়াশোনা শুরু করলে শিশুদের ‘নিজস্ব ভাবমূর্তি’ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং তাদের শেখার প্রবণতাও নষ্ট হতে থাকে।তবে দেশটির শিক্ষামন্ত্রী মাইকেল গোভের একজন মুখপাত্র বলেছেন, বিশেষজ্ঞদের ওই মতামত মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। ‘নিজস্ব ভাবমূর্তির’ ধারণাটি বাজে। দেশে এমন একটা শিক্ষাব্যবস্থা রাখতে হবে যাতে শিশুরা ক্যালকুলাসের মতো গাণিতিক সমস্যা সমাধান করতে পারে এবং প্রকৌশলী কিংবা কবির মতো বুদ্ধিবৃত্তিক কাজকে ভবিষ্যতে বেছে নিতে পারে।   এদিকে বিশেষজ্ঞদের ওই দাবির পক্ষে শৈশব বাঁচাও আন্দোলন (সেভ চাইল্ডহুড মুভমেন্ট) নামে একটি কর্মসূচিও শুরু হয়ে গেছে। তারা শিশুর যথার্থ বিকাশের দাবিতে দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় বেশ কিছু সংস্কারের দাবি জানিয়েছে। ওই আন্দোলনের উদ্যোক্তা ও নেতা ওয়েন্ডি এলিয়াট বলেন, বিশ্বের ৯০ শতাংশ দেশে ছয় বা সাত বছর বয়সের আগে শিশুদের সামাজিক ও আবেগ-অনুভূতিসংক্রান্ত শিক্ষার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। কিন্তু যুক্তরাজ্যে একটি ভুল বিশ্বাস প্রচলিত রয়েছে যে তাড়াতাড়ি পড়াশোনা শুরু করলেই জীবনে বেশি সাফল্য আসবে। এ ধরনের ইচ্ছা বা প্রবণতায় মানুষের হয়তো দোষের কিছু নেই, কিন্তু প্রাকৃতিক বিকাশের বিপরীতে যাওয়ার ফলে শিশুদের চড়া মূল্য দিতে হয়।

ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের শিশুস্বাস্থ্য বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক স্যার অ্যাল বলেন, ফিনল্যান্ডে সাত বছর বয়সে শিশুরা বিদ্যালয়ে পড়তে শুরু করে। এর আগের সময়টা বিশেষ প্রশিক্ষকদের সান্নিধ্যে তারা নিজেদের এক একজন শিশু হিসেবে তৈরি করে নেওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ পায়। টেলিগ্রাফ।

সূত্র - প্রথম আলো

Please Login to comment and favorite this News
Next Health News: দ্বৈত জীবন গবেষকের
Previous Health News: এইচআইভি প্রতিরোধে অগ্রগতি!

আরও খবর

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় অ্যান্টিবায়োটিক!

সম্প্রতি এক গবেষণায় জানা গেছে, কম বয়সে অ্যান্টিবায়োটিক খেলে পরবর্তী ক্ষেত্রে মানব শরীর বিভিন্ন ধরনের রোগ প্রতিরোধ করতে সক্ষম থাকে৷ কলোম্বিয়ার ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যায়লের এ গবেষণা অনুযায়ী, অন্ত্রে বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া বিরাজ করে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা স্বাস্থ্যকর রাখে৷ কিন্তু... আরও দেখুন

ঢাবিতে মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন উদ্বোধন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগ ও বাংলাদেশ ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে  ‘Mental Health Gap in Bangladesh: Resources and Response’ শীর্ষক চার দিনের চতুর্থ মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধন  হয়েছে। বুধবার ঢাকা... আরও দেখুন

৯টি ভয়ংকর সত্যি, যা আপনাকে ডাক্তাররা জানান না!

অনেক সময় কোনো ওষুধ একটি রোগ সারিয়ে তুললে, সেই ওষুধই অন্য একটি অসুখকে আমন্ত্রণ জানিয়ে রাখে। এমনকি এক্স রে রশ্মিও আমাদের শরীরে ক্যান্সারের মতো মারণ রোগের জন্ম দেয়। ওষুধের প্রভাবে কী কী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে ১. ওষুধে ডায়াবিটিস বাড়তে পারে: সাধারণত ইনসুলিনের অভাবে ডায়াবিটিস হয়।... আরও দেখুন

প্রাকৃতিক ভায়াগ্রা হর্নি গোটউইড

চীনের একটি গাছের নাম হর্নি গোটউইড। এই গাছ থেকেই অদূর ভবিষ্যতে সস্তায় মিলবে ভায়াগ্রার বিকল্প ওষুধ। পুরুষাঙ্গকে দৃঢ়তা প্রদানের জন্য যে যৌগটি দরকার, সেই আইকারিন প্রচুর পরিমাণে রয়েছে হর্নি গোটউইডে। এই উপদানটিকে প্রকৃতিক ভায়াগ্রা হিসেবে শনাক্ত করেছেন ইউনিভার্সিটি অফ মিলানের গবেষক ডা. মারিও ডেল... আরও দেখুন

ব্রেন ক্যানসার থেকে মুক্তি দেবে ‘সোনা’

ব্রেন ক্যানসার চিকিৎসায় এবার ব্যবহৃত হবে সোনা৷ কারণ সোনা নাকি ব্রেন ক্যানসার থেকে মুক্তি  দিতে পারে৷ বিজ্ঞান পত্রিকা ন্যানোস্কেল অনুযায়ী, ব্রেন ক্যানসারের  চিকিৎসার সোনার একটি অতি সুক্ষ টুকরো সাহায্যকারী প্রমাণিত হতে পারে৷ বৈজ্ঞানিকরা একটি সোনার টুকরোকে গোলাকৃতি করে... আরও দেখুন

যৌবন ধরে রাখতে অশ্বগন্ধা

বাতের ব্যথা, অনিদ্রা থেকে বার্ধক্যজনিত সমস্যা। এ সবের নিরাময়ে অশ্বগন্ধার বিকল্প নেই। তেমনটাই তো বলেন বিশেষজ্ঞরা। এমনকি যৌবন ধরে রাখতেও অশ্বগন্ধার উপকারিতা অনস্বীকার্য। ত্বকের সমস্যাতেও দারুণ কাজ দেয় অশ্বগন্ধার ভেষজ গুণ। বিদেশেও এর চাহিদা ব্যাপক। সে কারণেই অশ্বগন্ধা চাষ অত্যন্ত লাভজনক।... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')