ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের চক্ষু বিভাগের প্রধানসহ চার চিকিৎসকের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে। গতকাল সোমবার
অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিমের আদালতে সাব্বির আহমেদ ওসমানী (৬৫) নামের এক রোগী বাদী হয়ে এ মামলা করেন।
মামলায় অভিযুক্ত চিকিৎসকেরা হলেন চক্ষু বিভাগের প্রধান ইয়ামলী খান, জ্যেষ্ঠ কনসালট্যান্ট (সার্জারি) আমান উল্লাহ্,
সহকারী নিবন্ধক (রেজিস্ট্রার) আল-আমিন ও কনিষ্ঠ কনসালট্যান্ট (সার্জারি) কাজী জানে আলম। তাঁদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয়
রেটিনা অস্ত্রোপচারের বদলে ছানির অস্ত্রোপচার করে রোগীর চোখ নষ্টের অভিযোগ করা হয়।
আদালতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, বিচারক ফাতেমা ফেরদৌস গতকাল সোমবার মামলাটি আমলে নিয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষে আদালতে
প্রতিবেদন জমা দিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দেন।
ঢাকায় বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চক্ষু বিভাগের চেয়ারম্যান শারফুদ্দিন আহমেদের চিকিৎসার সূত্র ধরে সাব্বির জানতে
পারেন, ভুল চিকিৎসায় তাঁর চোখটি একেবারেই নষ্ট হয়ে গেছে। ওই অস্ত্রোপচারের প্রভাবে এখন বাঁ চোখেও কম দেখছেন। এরপর
তিনি অপচিকিৎসার অভিযোগ এনে চিকিৎসক ইয়ামলী খানের বিরুদ্ধে গত ১৫ জুলাই জেলা সিভিল সার্জনের কাছে লিখিত
অভিযোগ দেন।
সিভিল সার্জন এ নিয়ে যে তদন্ত কমিটি গঠন করেন, তাঁদের দেওয়া প্রতিবেদন মেনে নিতে পারেননি সাব্বির। গতকাল তিনি ওই
চার চিকিৎসককে অভিযুক্ত করে মামলা করেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী কাজী হাম্মাদুল ওয়াদুদ জানান, বিচারক আগামী ২
অক্টোবরের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন আবু সাঈদ বলেন,
অভিযুক্ত চিকিৎসকেরা দোষী সাব্যস্ত হলে শাস্তি হবে।
সূত্র - প্রথম আলো

