তাঁদের প্রত্যেককে শাড়ি, লুঙ্গি, পাঞ্জাবি ও শার্ট দেওয়া হয় হাসপাতালের পক্ষ থেকে। ৩০০ শিশুকে দেওয়া হয় ঈদের বিশেষ পোশাক এবং জুতা বা সেন্ডেল, যাদের কারও বাবা অথবা মা মারা গেছেন বা আহত হয়েছেন রানা প্লাজার ভবনধসে।
হাসপাতাল থেকে জানা যায়, শ্রমিক ও তাঁদের স্বজনদের আনন্দ দিতে হাসপাতালটিকে বিশেষভাবে সাজানো হয়। তাঁদের জন্য দুপুরে বিশেষ খাবারের ব্যবস্থাও করা হয়। হাসপাতালের পরিচালক রওশন আক্তার চৌধুরীর পরিবারের সদস্যরা এসব কাজে অংশ নেন।
রওশন আক্তার চৌধুরী বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত ও অসহায় লোকজনের কিছুটা আনন্দ দেওয়া ও তাঁদের সঙ্গে কষ্ট ভাগাভাগি করে নিতে হাসপাতালের পক্ষ থেকে এই আয়োজন করা হয়। এতে শ্রমিক ও স্বজনদের পক্ষ থেকে ভালো সাড়া পাওয়া গেলেও আমন্ত্রণ পেয়েও অনেকে উৎসবে উপস্থিত হননি।
শ্রমিকদের গণ-অবস্থান: ঈদের দিন সকালে বেতন, ঈদ বোনাস ও ক্ষতিপূরণের দাবিতে রানা প্লাজার ক্ষতিগ্রস্ত দুই শতাধিক শ্রমিক ও তাঁদের স্বজন রানা প্লাজার ধসে পড়া ভবনের সামনে বসে গণ-অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। সকাল সাতটা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত কর্মসূচি পালনের পর তাঁরা রাজধানীর জাতীয় শহীদ মিনারে গিয়ে অনশন কর্মসূচি পালন করেন। একটা পর্যন্ত অনশন কর্মসূচি পালন করে তাঁরা অনশন ভেঙে সাভার চলে আসেন।
সুত্র - প্রথম আলো

